ইসলামে মদ ও নেশাজাতীয় দ্রব্যের বিধান
ইসলামে মদপান সম্পূর্ণ হারাম (নিষিদ্ধ)। পবিত্র কুরআন ও সহিহ হাদিসে মদের কুফল ও নিষেধাজ্ঞা স্পষ্টভাবে বর্ণনা করা হয়েছে।
আল্লাহ তাআলা বলেন:
“হে মুমিনগণ! মদ, জুয়া, মূর্তিপূজা ও ভাগ্য নির্ধারণকারী তীর—সবই শয়তানের অপবিত্র কাজ। সুতরাং এগুলো থেকে বিরত থাকো, যাতে তোমরা সফল হও।”
(সূরা মায়েদা: আয়াত ৯০)
রাসূল (সা.) বলেছেন:
“প্রত্যেক নেশাদ্রব্যই মদ, আর যাবতীয় মদই হারাম।”
(সহিহ মুসলিম, হাদিস: ২০০৩)
বর্তমানে অনেকে বাজারে বিক্রিত খালি মদের বোতল কিনে তাতে পানি রাখেন। অনেকে শুধু বোতলটি পছন্দের কারণে ব্যবহার করলেও ইসলামিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিষয়টি নিয়ে সংশয় তৈরি হয়।
মূলনীতি:
যে বস্তু হারাম কাজে ব্যবহৃত হয়েছে, তা থেকে বিরত থাকা উত্তম। কারণ এটি:
হারাম কাজের প্রতি আকর্ষণ তৈরি করতে পারে,
মনে কুমন্ত্রণা জাগাতে পারে,
সমাজে ভুল বার্তা দিতে পারে।
তবে শর্তসাপেক্ষে ব্যবহার বৈধ হতে পারে, যদি—
বোতলটি ভালোভাবে পরিস্কার করা হয়,
মদের গন্ধ বা দাগ না থাকে,
বোতলের মাধ্যমে মদের প্রতি আকর্ষণ সৃষ্টি না হয়।
সেসব পাত্রে মদের চিহ্ন বা গন্ধ রয়ে যেত।
মদ হারাম হওয়ার পরপরই তা পানে নিরুৎসাহিত করতে সচেতনতা বাড়ানো হতো।
সাহাবিদের মাঝে ঘৃণা তৈরি ও পরিপূর্ণ দূরত্ব বজায় রাখতে এ ধরনের পাত্র বর্জনের নির্দেশ ছিল।
পরে, মদ হারামের বিষয়টি পুরোপুরি প্রতিষ্ঠিত হলে শর্তসাপেক্ষে এমন পাত্র ব্যবহার বৈধ ঘোষণা করা হয়।
(তাকমিলা ফাতহুল মুলহিম: ৩/৩৫১)
মদের বোতলে পানি রাখা ইসলামে বৈধ নয় যদি তা থেকে গুনাহর আশঙ্কা থাকে বা মানুষের মনে সন্দেহ তৈরি করে। তবে পরিষ্কার করে ব্যবহার করা হলে তা বৈধ, তবে তা এড়িয়ে চলাই ইসলামি শিক্ষা অনুযায়ী শ্রেয়।
প্রতিবেদক: BDS
Bulbul Ahmed
আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: বাংলাদেশ প্রতিদিন
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |