ঢাকা, ২০ জুলাই ২০২৫ – গোপালগঞ্জে বর্তমানে নির্বিচারে গণগ্রেপ্তার চলছে বলে অভিযোগ করেছেন গণ অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খাঁন।
তিনি বলেন, “যাদের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে, তাদের অধিকাংশই সাধারণ মানুষ। এটি রাষ্ট্রীয় নিপীড়নের উদাহরণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।”
রবিবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে তিনি এসব কথা বলেন।
“গোপালগঞ্জে আমাদের দলের একজন নেতার ভ্যানচালক বোনজামাই গ্রেপ্তার হয়েছেন, অন্য একজন ছাত্রনেতার ছোট ভাইকে তুলে নেওয়া হয়েছে।
প্রতিটি হাটবাজার ও বাড়ি বাড়ি গিয়ে গ্রেপ্তার চালানো হচ্ছে। অথচ আওয়ামী লীগের চিহ্নিত সন্ত্রাসীরা পলাতক।”
তিনি প্রশ্ন তোলেন—
“চিহ্নিত সন্ত্রাসীরা নয়, নিরীহদের ধরছে কেন? কাদের সন্তুষ্ট করতে এই গণগ্রেপ্তার?”
রাশেদ খাঁন তার পোস্টে পুলিশ প্রশাসনের প্রতি সরাসরি বার্তা দিয়ে বলেন:
“আমি পুলিশকে বলব—হাসিনার আমলের মতো হবেন না। বেশি বেশি গ্রেপ্তার দেখিয়ে সরকার বা কোনো দলের নেতাদের খুশি করার চরিত্র থেকে বের হয়ে আসুন। নতুবা ক্ষতির শিকার আপনারাও হবেন।”
এই বক্তব্যের পেছনে মূল বার্তাটি হচ্ছে—
👉 নির্বিচার দমন নয়, গণতান্ত্রিক সহনশীলতার অনুশীলন চাই।
👉 প্রশাসন যেন রাজনৈতিক প্রতিহিংসার হাতিয়ার না হয়।
“গোপালগঞ্জও বাংলাদেশেরই অংশ। যদি মানুষ বারবার নিপীড়নের শিকার হয়, তাহলে সেই এলাকায় সশস্ত্র প্রতিরোধও গড়ে উঠতে পারে—এটি দেশের জন্য শুভ নয়।” — বলেন রাশেদ খাঁন
গত কয়েক সপ্তাহে:
বিভিন্ন ছাত্র ও যুব সংগঠনের নেতাকর্মীদের ধরপাকড় চলছে
জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসন টার্গেট হিসেবে হাটবাজারে তল্লাশি জোরদার করেছে
স্থানীয় আওয়ামী লীগের অনুপস্থিতি বা গা-ঢাকা নেওয়ার খবরও এসেছে
এসব ঘটনার ফলে গোপালগঞ্জে ‘নেতাশূন্য প্রশাসনিক শাসন’ এবং ‘নিরীহ নাগরিক হয়রানি’ নিয়ে জনমনে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
রাজনৈতিক ভাষ্যকার ড. নুরুল আজিম মনে করেন:
“নিরীহদের বিরুদ্ধে দমন-পীড়ন ইতিহাসে কখনো স্থিতি আনে না। এটি আত্মরক্ষামূলক সংঘাতের জন্ম দেয়। প্রশাসনের উচিত হবে প্রতিটি অভিযোগ পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই করে ব্যবস্থা নেওয়া।”
রাশেদ খাঁনের বক্তব্য নিছক রাজনৈতিক নয়, নাগরিক অধিকার রক্ষার বার্তা বহন করে।
এখন দেখার বিষয়, প্রশাসন ও সরকার এই অভিযোগকে কীভাবে নেয়—সমালোচনা হিসেবে নাকি একটি ‘সতর্ক সংকেত’ হিসেবে।
প্রতিবেদক:বিডিএস বুলবুল আহমেদ
আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: বাংলাদেশ প্রতিদিন
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |