শারদীয় দুর্গোৎসব: কুমারী পূজা ও মহাঅষ্টমী উদযাপন শুরু, নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে পূজা উদযাপন পরিষদের বক্তব্য
প্রতিবেদক: বিডিএস বুলবুল আহমেদ
আজ মহাঅষ্টমী, শারদীয় দুর্গোৎসবের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিন, যার মূল আকর্ষণ হচ্ছে ‘কুমারী পূজা’। এইদিন, কুমারী বালিকার মধ্যে বিশুদ্ধ নারীর রূপ কল্পনা করে তাকে দেবীজ্ঞানে পূজা করা হয়। রাজধানীর রামকৃষ্ণ মিশন ও মঠে প্রতিবছরই আড়ম্বরপূর্ণ ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্যে কুমারী পূজা উদযাপন করা হয়, যেখানে হাজারো সনাতন ধর্মাবলম্বী অংশ নেন।
মহাঅষ্টমী তিথিতে দুর্গা দেবীর ষষ্টক, অর্থাৎ ৬ বছরের কুমারী রূপ ‘উমা’ পূজা করা হয়। তবে মন্দিরে ১ থেকে ১৬ বছরের যেকোনো কুমারী কন্যাকে জীবন্ত প্রতিমা হিসেবে পূজা করা হয়। পূজিত কুমারী কন্যার নামকরণ করা হয় ‘উমা’। ভক্তদের মতে, এটি একাধারে ঈশ্বরের উপাসনা, মানববন্দনা এবং নারীর মর্যাদা প্রতিষ্ঠার প্রতীক। কুমারী পূজার অন্তর্নিহিত শিক্ষা হলো নারীর সম্মান, মানুষের সম্মান এবং ঈশ্বর আরাধনা।
রামকৃষ্ণ মিশন সূত্রে জানা গেছে, এ বছর কুমারী পূজা বেলা ১১টায় শুরু হয়ে দুপুর ১টায় শেষ হবে। এর আগে মহাষ্টমী পূজা সকাল ৬টা ১০ মিনিটে শুরু হবে, পুষ্পাঞ্জলি হবে সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে এবং মধ্যাহ্ন প্রসাদ দুপুর ১২টায় বিতরণ করা হবে। সন্ধিপূজা সন্ধ্যা ৬টা ১৩ মিনিটে শুরু হবে এবং সমাপন হবে সন্ধ্যা ৭টা ১ মিনিটে।
বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি বাসুদেব ধর জানিয়েছেন, সারা দেশে ৩৩,৩৫৫টি মণ্ডপ ও মন্দিরে শারদীয় দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে, যার মধ্যে ঢাকা মহানগরে ২৫৯টি পূজা মণ্ডপ রয়েছে। তিনি জানান, পূজা নির্বিঘ্নে পালন করতে সারা দেশের মণ্ডপগুলোর জন্য ২২ দফা নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া, প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে পূজা মণ্ডপে ব্যাপক নজরদারি রাখা হচ্ছে, এবং প্রতিটি মণ্ডপে স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগ করা হয়েছে।
বাসুদেব ধর আরও বলেন, “আমরা আশা করি, এবার শারদীয় দুর্গাপূজা আড়ম্বরপূর্ণভাবে এবং নিরাপদে পালিত হবে। প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে বৈঠক এবং তাদের নজরদারির মাধ্যমে পূজামণ্ডপগুলোতে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করা হবে।”
প্রতিবেদক:বিডিএস বুলবুল আহমেদ
আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: বাংলাদেশ প্রতিদিন
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |