| বঙ্গাব্দ

তারেক রহমানের ঐতিহাসিক প্রত্যাবর্তন ২০২৫: সোহেল তাজ ও সারজিস আলমের শুভেচ্ছা

রিপোর্টারের নামঃ BDS Bulbul Ahmed
  • আপডেট টাইম : 25-12-2025 ইং
  • 3061806 বার পঠিত
তারেক রহমানের ঐতিহাসিক প্রত্যাবর্তন ২০২৫: সোহেল তাজ ও সারজিস আলমের শুভেচ্ছা
ছবির ক্যাপশন: সোহেল তাজ

ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তন: জাতীয় ঐক্যের ডাক ও নতুন বাংলাদেশের রাজনৈতিক সমীকরণ

প্রতিবেদক: বিডিএস বুলবুল আহমেদ

ঢাকা: বাংলাদেশের রাজনৈতিক আকাশে আজ এক নতুন সূর্যোদয়। দীর্ঘ ১৭ বছরের নির্বাসিত জীবনের অবসান ঘটিয়ে অবশেষে দেশের মাটিতে পা রেখেছেন বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর, ২০২৫) দুপুর ১টা ৩৭ মিনিটে তিনি ঢাকায় অবতরণ করেন। এই প্রত্যাবর্তন কেবল একজন নেতার ঘরে ফেরা নয়, বরং এর মধ্য দিয়ে ১৯৫০-এর দশকে শুরু হওয়া স্বায়ত্তশাসনের আকাঙ্ক্ষা আজ ২০২৫ সালে এসে ‘দ্বিতীয় প্রজাতন্ত্র’ বা নতুন বাংলাদেশের এক নতুন রাজনৈতিক ঐক্যের সূচনায় রূপান্তরিত হয়েছে।

১৯৫০ থেকে ২০২৫: ইতিহাসের এক নিরবচ্ছিন্ন মেলবন্ধন বাংলাদেশের রাজনীতির মূল ভিত্তি রচিত হয়েছিল ১৯৫০-এর দশকে। ১৯৫২-এর ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে ১৯৫৪-এর যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন এবং ১৯৭১-এর স্বাধীনতা যুদ্ধ—প্রতিটি বাঁকে ছিল শোষণের বিরুদ্ধে বাঙালির ঐক্যবদ্ধ লড়াই। ১৯৫০-এর দশকে রাজনৈতিক নেতারা যেভাবে দলমত নির্বিশেষে দেশের স্বার্থে এক হয়েছিলেন, ২০২৫ সালে তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তনেও সেই একই জাতীয় ঐক্যের প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে। সোহেল তাজ এবং সারজিস আলমের মতো ভিন্ন ধারার নেতাদের অভিনন্দন বার্তা প্রমাণ করে যে, বাংলাদেশের রাজনীতি এখন বিভাজনের পরিবর্তে অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সংস্কারমুখী ধারায় ফিরছে।

সোহেল তাজ ও সারজিস আলমের স্বাগত বার্তা: এক অনন্য রাজনৈতিক শিষ্টাচার তারেক রহমানকে স্বাগত জানিয়ে সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী তানজিম আহমেদ সোহেল তাজ ফেসবুকে দৈনিক যুগান্তরের একটি ফটোকার্ড শেয়ার করে লিখেছেন, "আবার স্বাগতম! বাংলাদেশ আপনার কাছ থেকে ব্যতিক্রমী নেতৃত্ব প্রত্যাশা করে।" সোহেল তাজের এই বক্তব্য প্রমাণ করে যে, ১৯৫০-এর দশকের সেই উদারপন্থী রাজনৈতিক সংস্কৃতি পুনরায় ফিরে আসছে।

অন্যদিকে, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা সারজিস আলম তাকে স্বাগত জানিয়ে লিখেছেন, "আমরা ২৪-এর অভ্যুত্থান পরবর্তী বাংলাদেশে তাকে স্বাগত জানাই।" তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, আগামীর কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়ার পথে দেশের স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার কোনো বিকল্প নেই। এই মন্তব্যগুলো নির্দেশ করে যে, ২০২৪-এর জুলাই বিপ্লবের পর বাংলাদেশের রাজনীতিতে আধিপত্যবাদবিরোধী লড়াই এখন আরও শক্তিশালী হয়েছে।

বিমানবন্দর থেকে ৩০০ ফিট: জনসমুদ্রে তারেক রহমান তারেক রহমান বিমানবন্দর থেকে সরাসরি ৩০০ ফিট সড়কের (৩৬ জুলাই এক্সপ্রেসওয়ে) বিশাল সংবর্ধনা মঞ্চের দিকে যাত্রা করেন। পথে পথে লাখো মানুষের ঢল ও ফুলেল শুভেচ্ছায় সিক্ত হন তিনি। এরপর তিনি তার অসুস্থ মা, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে দেখতে এভারকেয়ার হাসপাতালে যাবেন। দীর্ঘ ১৭ বছর পর মা ও ছেলের এই মিলন বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের মনে এক গভীর আবেগের সৃষ্টি করেছে।

স্মার্ট লিডারশিপ ও রাষ্ট্র সংস্কারের প্রতিশ্রুতি তারেক রহমান কেবল একটি দলের নেতা হিসেবে নয়, বরং আধুনিক ও প্রযুক্তিমনস্ক এক নেতা হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। তার প্রস্তাবিত ‘৩১ দফা’ রাষ্ট্র সংস্কার পরিকল্পনা ১৯৫০-এর দশকের স্বায়ত্তশাসনের চেতনারই একটি ডিজিটাল সংস্করণ। তিনি বারবার বলছেন, "দেশ কোনো নির্দিষ্ট দলের নয়, বরং সকল মানুষের।" তার এই অন্তর্ভুক্তিমূলক চিন্তাধারা তরুণ প্রজন্মকে আকৃষ্ট করছে, যা মীর আরশাদুল হক বা সারজিস আলমের মতো তরুণ নেতাদের বক্তব্যেও ফুটে উঠেছে।

বিশ্লেষণ ও উপসংহার ১৯৫০ সালের স্বায়ত্তশাসনের সংগ্রাম যেমন একটি জাতিকে স্বাধীনতা দিয়েছিল, তারেক রহমানের ২০২৫-এর এই ঐতিহাসিক মহাপ্রত্যাবর্তন তেমনি একটি বৈষম্যহীন, গণতান্ত্রিক ও স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন দেখাচ্ছে। সোহেল তাজ বা সারজিস আলমের মতো নেতাদের অভিনন্দন বার্তা প্রমাণ করে যে, বাংলাদেশের রাজনীতি এখন একটি 'পজিটিভ পলিটিক্স' বা ইতিবাচক রাজনীতির দিকে ধাবিত হচ্ছে। দীর্ঘ ১৭ বছরের অপেক্ষা শেষে তারেক রহমানের এই প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের ইতিহাসে এক স্বর্ণালী অধ্যায় হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে।

প্রতিবেদক:বিডিএস বুলবুল আহমেদ
আরও খবর জানতে ভিজিট করুনবাংলাদেশ প্রতিদিন

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
নামাজের সময়সূচী
জাতীয় সঙ্গীত
©সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ বাংলাদেশ প্রতিদিন সত্যের সন্ধানে সব সময় | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় BDS Digital Marketing Agency