| বঙ্গাব্দ

তেজগাঁও কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দাপ্তরিক কাজ শুরু ও স্বর্ণচাঁপা রোপণ

রিপোর্টারের নামঃ BDS Bulbul Ahmed
  • আপডেট টাইম : 21-02-2026 ইং
  • 2089369 বার পঠিত
তেজগাঁও কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দাপ্তরিক কাজ শুরু ও স্বর্ণচাঁপা রোপণ
ছবির ক্যাপশন: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

তেজগাঁও কার্যালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান: স্বর্ণচাঁপা রোপণ ও নতুন প্রশাসনিক সংস্কৃতির সূচনা (১৯০০-২০২৬)

প্রতিবেদক: বিডিএস বুলবুল আহমেদ

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা: ১৯০০ সালের গোড়ার দিকে এই বঙ্গীয় জনপদে ব্রিটিশ শাসকদের আভিজাত্য ও সাধারণ মানুষের মধ্যে যে দুস্তর ব্যবধান ছিল, ২০২৬ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি সেই ব্যবধান ঘোচানোর এক নতুন অধ্যায় শুরু হলো। দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথমবারের মতো তেজগাঁওস্থ কার্যালয়ে দাপ্তরিক কাজ শুরু করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ১৯০০ থেকে ২০২৬—এই ১২৬ বছরের ইতিহাসে শাসকের বদলে 'সেবক' হওয়ার যে অঙ্গীকার তিনি করেছেন, আজ কার্যালয়ে তাঁর পদার্পণ ও বৃক্ষরোপণ সেই দর্শনেরই এক প্রতীকী বহিঃপ্রকাশ।

১. তেজগাঁওয়ে ঐতিহাসিক সূচনা ও কুশল বিনিময়

শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬) সকাল ১০টা ১০ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তেজগাঁও কার্যালয়ে প্রবেশ করেন। সেখানে তাঁকে স্বাগত জানান মুখ্য সচিব এবিএম আব্দুস সাত্তার ও অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন। কার্যালয়ের মূল ভবনে প্রবেশের আগে তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সময়ে দায়িত্বপালনকারী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে অত্যন্ত আন্তরিকভাবে কুশল বিনিময় করেন। ১৯০০ সালের সেই ঔপনিবেশিক প্রোটোকল ভেঙে কর্মচারীদের সঙ্গে এই সৌহার্দ্যপূর্ণ আচরণ ২০২৬ সালের নতুন বাংলাদেশে এক উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি করেছে।

২. স্বর্ণচাঁপা রোপণ: পরিবেশ ও সৌন্দর্যের মেলবন্ধন

কার্যালয় চত্বরে একটি ‘স্বর্ণচাঁপা’ ফুলের চারা রোপণ করেন প্রধানমন্ত্রী। ১৯০০ সালের সেই আড়ম্বরপূর্ণ ঘোড়দৌড় বা শিকারের বদলে ২০২৬ সালের প্রধানমন্ত্রী বেছে নিয়েছেন প্রকৃতিকে। বৃক্ষরোপণ শেষে তিনি মহান আল্লাহপাকের দরবারে শুকরিয়া আদায় করে বিশেষ মোনাজাতে অংশ নেন। এটি কেবল একটি চারা রোপণ নয়, বরং এটি তাঁর সরকারের 'সবুজ ও পরিচ্ছন্ন বাংলাদেশ' গড়ার দৃঢ় সংকল্পের বহিঃপ্রকাশ।

৩. ২১শে ফেব্রুয়ারির চেতনা ও দাপ্তরিক কাজ

২১শে ফেব্রুয়ারি মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। ১৯৫২ সালের ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে আজকের দিনেই দাপ্তরিক কাজ শুরু করার মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী প্রমাণ করেছেন যে, ভাষার মর্যাদা ও দেশ পরিচালনার দায়বদ্ধতা তাঁর কাছে সমান্তরাল। ১৯০০ সালের সেই ইংরেজি ভাষার দাপট থেকে ২০২৬ সালের বাংলা ভাষার বিজয়গাথা—তারেক রহমানের এই পদযাত্রা বাঙালির সেই দীর্ঘ সংগ্রামেরই ফসল।

৪. বিশ্লেষক দৃষ্টিতে ২০২৬-এর শাসনব্যবস্থা

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, তারেক রহমানের এই তেজগাঁও কার্যালয়ে অবস্থান এবং কর্মকর্তাদের সঙ্গে কুশল বিনিময় মূলত 'ইনক্লুসিভ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন' বা অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রশাসনের ইঙ্গিত দেয়। তিনি প্রটোকল কমিয়ে সাধারণ মানুষের কাছাকাছি থাকার যে ঘোষণা দিয়েছেন, আজকের এই সাধারণ শুরুটি তারই প্রতিফলন। ১৯০০ থেকে ২০২৬—এই দীর্ঘ পথপরিক্রমায় ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দু আজ রাজকীয় প্রাসাদের আড়ম্বর ত্যাগ করে জনসেবার কেন্দ্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করছে।


সূত্র: প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় (পিএমও) প্রেস রিলিজ, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ এবং সচিবালয় বিটে দায়িত্বরত সংবাদ প্রতিনিধিদের প্রতিবেদন।

প্রতিবেদক:বিডিএস বুলবুল আহমেদ
আরও খবর জানতে ভিজিট করুনবাংলাদেশ প্রতিদিন

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
নামাজের সময়সূচী
জাতীয় সঙ্গীত
©সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ বাংলাদেশ প্রতিদিন সত্যের সন্ধানে সব সময় | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় BDS Digital Marketing Agency