তারিখ: ৮ জুলাই ২০২৫ | স্থান: রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনা
— প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস, প্রধান উপদেষ্টা
প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রমের পর্যালোচনায় পক্ষপাতহীন ও প্রামাণ্য ইতিহাস উপস্থাপনের ওপর জোর দেন।
তিনি বলেন, “মুক্তিযুদ্ধ কোনো একটি দলের, কোনো একটি পরিবারের একক মালিকানা নয়। এ ইতিহাস পুরো জাতির।”
মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক উপদেষ্টা ফারুক-ই-আজম
মুখ্য সচিব সিরাজ উদ্দিন মিয়া
মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ
মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক উপদেষ্টা ফারুক-ই-আজম বলেন:
“মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয় কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে অবকাঠামো নির্মাণ করেছে, কিন্তু সেখানে রণাঙ্গনের কোনো বর্ণনা নেই, নেই মুক্তিযোদ্ধাদের জীবনগাথা।
বরং শুধু একটি পরিবারের ছবি ও সরঞ্জামে গাঁথা হয়েছে ‘মুক্তিযুদ্ধের চেতনা’।”
তিনি উদাহরণ দিয়ে বলেন,
➡️ “‘বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়ন’ নামে একটি গবেষণা প্রকল্পে ২৩ কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে, অথচ গবেষণার বাস্তব প্রমাণ নেই।”
উপদেষ্টার বক্তব্যে স্পষ্ট অভিযোগ ছিল যে,
“শেখ হাসিনা মুক্তিযোদ্ধাদের সুবিধাভোগী শ্রেণি বানিয়েছিলেন। দলীয়করণ করা হয়েছে কল্যাণ ট্রাস্টের সুযোগ-সুবিধা। এসব স্থাপনায় বসেই আওয়ামী লীগের রাজনীতি চালানো হয়েছে।”
তিনি আরও বলেন—এই ট্রাস্টের আওতাধীন বহু সম্পত্তি মূল্যবান এবং অব্যবহৃত।
এসব অরক্ষিত সম্পত্তিকে কাজে লাগাতে অবিলম্বে:
✅ একজন পরামর্শক নিয়োগ
✅ একটি কার্যকর কমিটি গঠন
✅ এবং এন্টারপ্রাইজ সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
প্রধান উপদেষ্টা আরও বলেন:
“মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সকল কার্যক্রম হতে হবে বস্তুনিষ্ঠ, গবেষণাভিত্তিক ও বিভ্রান্তিমুক্ত।
পক্ষপাতমূলক ইতিহাস নয়, প্রকৃত ইতিহাসই জাতিকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।”
তিনি মন্ত্রণালয়কে ৬ মাসের মধ্যে একটি পুনর্গঠনমূলক কর্মপরিকল্পনা প্রস্তুতের নির্দেশ দেন, যাতে জনগণের করের টাকার যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত হয়।
প্রতিবেদক: BDS Bulbul Ahmed
আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: বাংলাদেশ প্রতিদিন
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |