হাসনাত আবদুল্লাহ: "আমি রাজমিস্ত্রির ছেলে, খেটেখাওয়া মানুষের প্রতিনিধি"
বিডিএস বুলবুল আহমেদ
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ মঙ্গলবার কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার ১২নং ভানী ইউনিয়নে জাতীয় নাগরিক পার্টির প্রতীক শাপলা কলি নিয়ে পথসভা এবং পদযাত্রায় অংশগ্রহণ করেন। এ সময় তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, “আমি রাজমিস্ত্রির ছেলে, এবং খেটেখাওয়া মানুষের প্রতিনিধিত্ব করতে এসেছি। আমি তাদের প্রতিনিধি, যারা পরিশ্রম করে রোজগার করেন।” হাসনাত আবদুল্লাহ নিজেকে এমন একজন মানুষ হিসেবে পরিচয় দেন, যার বড় কোনো বংশ পরিচয় নেই, বিদেশে পড়াশোনা করা হয়নি, এবং কোনো বিলাসিতা বা আভিজ্ঞান নেই। তাঁর মতে, তিনি রাজনীতি করছেন শুধুমাত্র সাধারণ মানুষের জন্য।
নিচ থেকে উপরের দিকে:
হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, “অন্য নেতারা ওপর থেকে নিচে আসে, কিন্তু আমি নিচ থেকে আপনাদের লেভেল হতে উপরের দিকে যাওয়ার চেষ্টা করছি।” তিনি আরও বলেন, "আমার বাবা রাজমিস্ত্রির কাজ করেছেন এবং আমি কৃষিজীবী ও শ্রমজীবী পরিবার থেকে উঠে এসেছি।" তিনি সেইসব নেতাদের সমালোচনা করেন, যারা নির্বাচনের সময় জনগণের মধ্যে আসেন, কিন্তু নির্বাচনের পর আবার উপরের স্তরে চলে যান।
নেতৃত্বের ধারণা:
হাসনাত বলেন, “যারা নেতা বানায়, তারা তাদের মানুষ মনে করে না। খেটেখাওয়া মানুষের সঙ্গে নেতারা নিচু শ্রেণির আচরণ করেন। স্টেজে নেতার চেয়ার থাকে বাইশ ইঞ্চি, আর কর্মী এবং ভোটারদের জন্য প্লাস্টিকের চেয়ার।” তিনি জনগণের কাছে আহ্বান জানান, "আপনারা চাইলে প্লাস্টিকের চেয়ার থেকে নেতা বানাতে পারেন, আপনাদের নেতা হবেন না, বরং পাহারাদার এবং সেবক হবেন।"
নতুন রাজনীতির লড়াই:
হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, “আমাদের লড়াই হবে উপরের স্তরের সঙ্গে, যারা নির্বাচনের সময় জনগণের মধ্যে আসে, কিন্তু পরে আবার উপরে চলে যায়। এবার আমাদের লড়াই হবে, যারা নিচে থেকে উঠে আসতে চান, তাদের সঙ্গে।”
এদিন, হাসনাত আবদুল্লাহ বিভিন্ন এলাকা যেমন খাদঘর, সূর্যপুর বাজার, ফুলতলী বাজার, সাহারপাড়, সাইতলা বাজার, বরাট স্টেশন, ভানী দক্ষিণপাড়া, খিরাইকান্দিতে পথসভা ও পদযাত্রা করেন।
এসময় এনসিপির বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী তার সঙ্গে ছিলেন এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।
সূত্র:
এই সংবাদ প্রতিবেদনটি স্থানীয় সংবাদে প্রকাশিত হয়েছে এবং এনসিপি রাজনৈতিক কার্যক্রমের একটি অংশ হিসেবে তৈরি করা হয়েছে।
প্রতিবেদক:বিডিএস বুলবুল আহমেদ
আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: বাংলাদেশ প্রতিদিন
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |