চেলসির দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে কনফারেন্স লিগের ফাইনালের পথে বড় জয়
উয়েফা কনফারেন্স লিগের সেমিফাইনালের প্রথম লেগে সুইডিশ ক্লাব জুরগার্ডেন্সকে ৪-১ গোলে উড়িয়ে দিয়ে ফাইনালের পথে এক পা দিয়ে রেখেছে ইংলিশ ক্লাব চেলসি। ম্যাচে জোড়া গোল করে নায়ক হন নিকোলাস জ্যাকসন। তার সঙ্গে তাল মিলিয়ে একটি করে গোল করেন জ্যাডন স্যাঞ্চো ও নোনি মাডুয়েক। স্বাগতিকদের হয়ে একমাত্র সান্ত্বনার গোলটি আসে দ্বিতীয়ার্ধে।
বৃহস্পতিবার (১ মে) স্টকহোমের থ্রি অ্যারেনায় শুরু থেকেই দাপট দেখায় লন্ডনের ক্লাবটি। বলের নিয়ন্ত্রণ ও পজিশনাল ফুটবলে আধিপত্য রেখে একের পর এক আক্রমণে জুরগার্ডেন্সের রক্ষণকে বিপর্যস্ত করে তোলে চেলসি। ম্যাচের ১২তম মিনিটেই চেলসিকে এগিয়ে দেন জ্যাডন স্যাঞ্চো। নিখুঁত ফিনিশিংয়ে গোল করে সফরকারীদের আনন্দে ভাসান তিনি।
বিরতির ঠিক আগ মুহূর্তে, ৪৩তম মিনিটে নোনি মাডুয়েক দারুণ এক গোল করে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন। প্রথমার্ধ শেষে ২-০ গোলে এগিয়ে থেকে ড্রেসিং রুমে ফেরে এনজো মার্টিনেজের শিষ্যরা।
বিরতির পর আবারও আক্রমণাত্মক রূপে মাঠে নামে চেলসি। ৫৯ ও ৬৫ মিনিটে মাত্র ছয় মিনিটের ব্যবধানে দুটি গোল করে হ্যাটট্রিকের সম্ভাবনা জাগিয়েও শেষ পর্যন্ত জোড়া গোলেই থেমে যান নিকোলাস জ্যাকসন। তার গোলগুলো ছিল নিখুঁত পজিশনিং আর গোলমুখে ঠান্ডা মাথার ফিনিশিংয়ের ফল।
ম্যাচের ৬৮তম মিনিটে জুরগার্ডেন্স একটি গোল শোধ করে কিছুটা সম্মান রক্ষা করে। যদিও সেটি হার এড়ানোর জন্য মোটেও যথেষ্ট ছিল না।
৪-১ ব্যবধানের এই বড় জয়ে দ্বিতীয় লেগের আগেই অনেকটাই স্বস্তিতে রয়েছে চেলসি। ফিরতি লেগে আগামী ৮ মে দিবাগত রাতে নিজেদের মাঠ স্ট্যামফোর্ড ব্রিজে খেলবে তারা। ফাইনালে উঠতে হলে জুরগার্ডেন্সকে সেখানে অন্তত ৩ গোলের ব্যবধানে জয় পেতে হবে, যা চেলসির বর্তমান ফর্মের সামনে কঠিন চ্যালেঞ্জই বলা যায়।
চেলসির এই জয়ে সমর্থকদের মাঝে ফিরেছে পুরনো আত্মবিশ্বাস। মৌসুমের শুরুতে সংগ্রাম করলেও ইউরোপিয়ান মঞ্চে এই সাফল্য ক্লাবটির জন্য হতে পারে বড় প্রাপ্তি।
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |