গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খানের মন্তব্য: সমাজে অস্থিরতা বাড়ানোর পথ বন্ধ করতে হবে
মো. রাশেদ খান, গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক, সম্প্রতি তার ফেসবুক পেজে একটি স্ট্যাটাস দিয়ে আওয়ামী লীগ এবং তার সদস্যদের বিচার বিষয়ে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন। তিনি বলেছেন, "যারা আওয়ামী লীগে অপরাধী ছিলেন, তাদের বিচারের দাবি জানানো যেতে পারে, তবে যারা অপরাধে সম্পৃক্ত নয়, তাদের সঙ্গে অন্যায় করা যাবে না।"
রাশেদ খান আরও বলেন, "গত শনিবার কালের কণ্ঠ পত্রিকায় লাইভ ভিডিওতে দেখলাম, আওয়ামী লীগের উপজেলা চেয়ারম্যানের ছেলের বিয়ের কমিউনিটি সেন্টারের সামনে গিয়ে স্লোগান শুরু করেছে কতিপয় লোক!" তিনি এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন, "বিয়ে একটি পবিত্র অনুষ্ঠান। সেখানে গিয়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করা, বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা অত্যন্ত জঘন্য কাজ।"
তিনি আরও যোগ করেন, "যদি বিয়ের অনুষ্ঠানে কোনো অপরাধী থাকেন, তবে পুলিশকে অবহিত করা যেতে পারে। তবে সরাসরি বিয়ের অনুষ্ঠানে মব তৈরি করা, স্লোগান দেওয়া, বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করা এসব নতুন সমাজব্যবস্থার জন্য ক্ষতিকর।"
রাশেদ খান এই প্রসঙ্গে আরো বলেন, "আওয়ামী লীগের পরিবারের কোনো সদস্য যদি বিয়ে করতে চায়, অনুষ্ঠানে অংশ নিতে চায় বা সমাজে থাকতে চায়, তাহলে তাদের প্রতি কোনো ধরনের হয়রানি করা উচিত নয়। এক ধরনের সংস্কৃতি গড়ে উঠলে, যেখানে আওয়ামী লীগের পরিবারের সদস্যদের কোনো সুযোগ থাকবে না, সমাজে অস্থিরতা এবং বিশৃঙ্খলা বাড়বে।"
তিনি বলেন, "গণঅভ্যুত্থানের পরে যদি সমাজে শৃঙ্খলা ও সভ্যতা প্রতিষ্ঠা না করা যায়, তবে সেই অভ্যুত্থানের স্বাদ চরমভাবে বিস্বাদে পরিণত হবে।" তিনি আরও জানান, "যারা বিয়ের অনুষ্ঠানে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেছে, তাদের আইন অনুযায়ী শাস্তি দেওয়া হলে মব সৃষ্টির ঘটনা বন্ধ হতে পারে।"
রাশেদ খান বলেন, "মব সৃষ্টির মাধ্যমে যে ধরনের হয়রানি শুরু হয়েছে, তা চলতে থাকলে আমরা কখনই একটি অগ্রসর ও সভ্য জাতিতে পরিণত হতে পারব না।"
প্রতিবেদক: BDS Bulbul Ahmed
আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: বাংলাদেশ প্রতিদিন
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |