নিজস্ব প্রতিবেদক | ১২ জুলাই ২০২৫, ঢাকা — কলামিস্ট ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক মেজর (অব.) রেজাউল করিম বলেছেন, “বাংলাদেশে সংস্কার সম্ভব নয়, যতদিন প্রতিহিংসার রাজনীতি চলমান থাকবে।” তার মতে, বর্তমান পরিস্থিতিতে সংস্কারের নামে একটি কৌশলগত প্রহসন চলছে, যার মূল লক্ষ্য বিএনপিকে সাংগঠনিকভাবে দুর্বল করে দেওয়া।
শনিবার রাতে নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে দেওয়া একটি পোস্টে এ মন্তব্য করেন তিনি।
সাবেক এই সেনা কর্মকর্তা বলেন,
“প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ছবিকে পদদলিত করে বাংলাদেশের আপামর জনতার হৃদয়ে আঘাত হেনেছে কতিপয় নর পিশাচ। আওয়ামী লীগের শাসনামলেও এতটা বর্বরতা দেখা যায়নি।”
তিনি এটিকে দানবীয় তাণ্ডব হিসেবে বর্ণনা করে বলেন, এ ধরনের অপকর্মের জন্য কোনো ক্ষমা নেই।
মেজর (অব.) রেজাউল করিম বলেন,
“বিএনপির সিনিয়র নেতারা আওয়ামী শাসনামলে নিজেদের ব্যবসায়িক স্বার্থে আপোষ করেছেন। তাই আজ আন্দোলনে তাদের সক্রিয়তা নেই। এমনকি তরুণ ছাত্রনেতাদের কৌশলের বিপরীতে তারা রীতিমতো হিমশিম খাচ্ছেন।”
তিনি আক্ষেপ করে বলেন, সাধারণ নেতাকর্মীরা এখনো বোঝেন না যে “সংস্কার” বলতে যা বোঝানো হচ্ছে, তা আসলে একটি দীর্ঘমেয়াদি বিভ্রান্তিমূলক পরিকল্পনা।
তিনি বলেন,
“সংস্কারবাদীদের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে বিএনপির ভাবমূর্তিকে ধ্বংস করে রাজনৈতিকভাবে ভিন্নভাবে উপস্থাপন করা। এটি একধরনের সিসটেম্যাটিক লেভেলিং অপারেশন।”
তার মতে, এই কৌশলগত প্রচারণা দলটির ভেতর থেকেই বিভ্রান্তি তৈরি করছে এবং নেতাকর্মীদের মনোবলে ধস নামাচ্ছে।
তারেক রহমানের প্রতি সরাসরি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন,
“সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নেয়াই রাজনৈতিক সাফল্যের চাবিকাঠি। বিএনপি যদি নিজের ঐতিহ্য ও ইমেজ রক্ষা করতে চায়, তবে তাকে কৌশলগত ও শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের পথে এগোতে হবে।”
তিনি স্পষ্ট করেন,
“আন্দোলন যেন খুন, চাঁদাবাজি, রাহাজানি, জ্বালাও-পোড়াও এর মতো নৃশংস কর্মকাণ্ডে পরিণত না হয়। বরং এটি হতে হবে একটি কৌশলী, আদর্শিক এবং জনভিত্তিক রাজনৈতিক জাগরণ।”
বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে মেজর (অব.) রেজাউল করিমের এই বক্তব্য নতুন মাত্রা যোগ করেছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, দলীয় অভ্যন্তরীণ জটিলতা, তরুণ প্রজন্মের অগ্রণী ভূমিকা এবং রাষ্ট্রের ভূমিকাকে সামনে রেখে বিএনপির ভবিষ্যৎ পথচলার কৌশল এখনো অস্পষ্ট।
প্রতিবেদক: BDS
Bulbul Ahmed
আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: বাংলাদেশ প্রতিদিন
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |