তথ্য অধিকার আইনে দৃষ্টান্ত স্থাপনে ব্যর্থ অন্তর্বর্তী সরকার: টিআইবি নির্বাহী পরিচালক
প্রতিবেদক : বিডিএস বুলবুল আহমেদ
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)–এর নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেছেন, তথ্য অধিকার আইনের যথাযথ প্রয়োগে অন্তর্বর্তী সরকার ব্যর্থ হয়েছে। তার মতে, সরকারি তথ্য জনগণের সম্পদ, কর্মকর্তাদের ব্যক্তিগত সম্পত্তি নয়।
রোববার (২৮ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর একটি হোটেলে তথ্য অধিকার আইন বিষয়ে আয়োজিত সেমিনারে তিনি বলেন—
“সরকারি তথ্য কোনো কর্মকর্তার নয়, সেই তথ্য জনগণের জানার অধিকার রয়েছে। কিন্তু সরকারের দায়িত্বশীলদের গোপনীয়তা বজায় রাখার প্রবণতা পরিবর্তন না হলে তথ্য অধিকার আইনের সুফল মিলবে না।”
এর আগের দিন শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) দেওয়া এক বিবৃতিতে টিআইবি নির্বাহী পরিচালক জানান—
অন্তর্বর্তী সরকার রাষ্ট্র সংস্কারে নানা উদ্যোগ নিলেও তথ্য কমিশন কার্যকর করা ও তথ্য অধিকার আইনের সংস্কারে কোনো পদক্ষেপ নেয়নি।
নাগরিক সমাজ ও গণমাধ্যম বারবার সুপারিশ দিলেও কার্যকর উদ্যোগ না নেওয়া সরকারের দৃশ্যমান ব্যর্থতা।
তিনি সরকারের এই উদাসীনতাকে “দুর্ভাগ্যজনক” আখ্যা দিয়ে দ্রুত তথ্য কমিশন পুনর্গঠনের আহ্বান জানান।
সেমিনারে নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশনের প্রধান ড. বদিউল আলম মজুমদার বলেন—
রাজনৈতিক দলগুলোকে তথ্য অধিকার আইনের আওতায় আনা জরুরি।
প্রার্থীদের শিক্ষাগত যোগ্যতা, আয়-ব্যয়ের বিবরণী জনগণের কাছে প্রকাশের প্রস্তাব করা হয়েছে।
তার মতে, নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা প্রতিষ্ঠায় তথ্যের উন্মুক্ততা অপরিহার্য।
বাংলাদেশে তথ্য অধিকার আইন ২০০৯ সালে প্রণয়ন করা হয়। এর মূল উদ্দেশ্য ছিল—
সরকারি কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা
দুর্নীতি প্রতিরোধে তথ্যের উন্মুক্ত প্রবাহ তৈরি করা
কিন্তু গত ১৫ বছরে আইনটির কার্যকারিতা নিয়ে বারবার প্রশ্ন উঠেছে। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, তথ্য কমিশন সক্রিয়ভাবে কাজ না করায় সাধারণ নাগরিক ও গণমাধ্যম কাঙ্ক্ষিতভাবে তথ্য পাচ্ছে না।
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)
তথ্য অধিকার আইন ২০০৯, সরকারি প্রকাশনা
প্রতিবেদক:বিডিএস বুলবুল আহমেদ
আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: বাংলাদেশ প্রতিদিন
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |