| বঙ্গাব্দ

বরগুনায় ‘আয়নাঘর’ নির্যাতনের অভিযোগে শম্ভুসহ ১৩৪ আ.লীগ নেতা বিশেষ ক্ষমতা আইনে আসামি

রিপোর্টারের নামঃ BDS Bulbul Ahmed
  • আপডেট টাইম : 25-11-2025 ইং
  • 2449840 বার পঠিত
বরগুনায় ‘আয়নাঘর’ নির্যাতনের অভিযোগে শম্ভুসহ ১৩৪ আ.লীগ নেতা বিশেষ ক্ষমতা আইনে আসামি
ছবির ক্যাপশন: ১৩৪ আ.লীগ নেতা বিশেষ ক্ষমতা আইনে আসামি

বরগুনার ‘আয়নাঘর’ নির্যাতন ও বিশেষ ক্ষমতা আইন: সাবেক এমপি ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভুসহ ১৩৪ আ.লীগ নেতার বিরুদ্ধে মামলা

প্রতিবেদক : বিডিএস বুলবুল আহমেদ

বরগুনায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে (Special Powers Act–1974) সাবেক সাংসদ ও সাবেক উপমন্ত্রী অ্যাডভোকেট ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভুসহ (কার্যক্রম নিষিদ্ধ) জেলা আওয়ামী লীগের শীর্ষ পর্যায়ের ১৩৪ জন নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। দীর্ঘ এক দশক আগে সংঘটিত অপহরণ, নির্যাতন, ‘আয়নাঘরে’ আটক, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে বোমা–ককটেল হামলা ও জঙ্গি–সংযোগের জোরপূর্বক স্বীকারোক্তি আদায়ের অভিযোগ এনে এই মামলা করেছেন স্থানীয় বিএনপি নেতা মো. বাদল।

২০২৪ সালের জুলাই অভ্যুত্থান ও শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর যখন আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কার্যক্রম আইনত নিষিদ্ধ, দলটির অনেক শীর্ষ নেতা বিদেশে পালিয়ে বা দেশে মামলার মুখে—এমন সময় বরগুনার এই মামলা নিয়ে নতুন করে আলোচনায় এসেছে “বিশেষ ক্ষমতা আইন”–এর অতীত ব্যবহার, মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ এবং রাজনৈতিক প্রতিশোধ–রাজনীতির আশঙ্কা।

মামলার সারসংক্ষেপ: কারা আসামি, কী অভিযোগ

মামলাটি করা হয় শনিবার (২২ নভেম্বর) রাতে বরগুনা সদর থানায়। বাদী মো. বাদল—বরগুনা সদর উপজেলার ঢলুয়া ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বিএনপি–ঘনিষ্ঠ স্থানীয় নেতা।

বরগুনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইয়াকুব হোসাইন মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) নিশ্চিত করেছেন, ২২ নভেম্বর মামলাটি এজাহারভুক্ত করে তদন্তের দায়িত্ব এসআই সোহেল রানাকে দেওয়া হয়েছে।

মামলায় আসামি করা হয়েছে—

  • সাবেক সংসদ সদস্য ও সাবেক উপমন্ত্রী অ্যাডভোকেট ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভু,

  • বরগুনা–১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য গোলাম সরওয়ার টুকু,

  • বরগুনা–২ আসনের সাবেক সাংসদ শওকত হাচানুর রহমান রিমন,

  • জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর কবীর,

  • বরগুনা পৌরসভার সাবেক তিন মেয়র,

  • ১৭ জন আইনজীবীসহ মোট ১৩৪ জন স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা–কর্মীকে।

এর আগে একই বাদী ও অন্যান্য বিএনপি নেতাদের করা আরও কমপক্ষে পাঁচটি মামলায়ও বরগুনা জেলা আওয়ামী লীগের বেশ কয়েকজন প্রভাবশালী নেতার নাম উঠে এসেছে বলে আদালতের জিআরও মাহবুব হোসেন জানিয়েছেন।


বাদলের অভিযোগ: অপহরণ, ‘আয়নাঘর’ ও জঙ্গি বানানোর চেষ্টা

এজাহার অনুযায়ী, বাদল তিনটি আলাদা ঘটনার ভিত্তিতে এই মামলা করেছেন—

  • ২০১৩ সালের ১২ আগস্ট,

  • ২০১৬ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি এবং

  • ২০২০ সালের ১৪ এপ্রিল।

তার অভিযোগ, এসব ঘটনায় জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবীরের নেতৃত্বে আসামিরা—

  • তাকে বরগুনা শহরে নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে তুলে এনে

  • চোখ বেঁধে বেধড়ক মারধর করে,

  • স্থানীয়ভাবে কুখ্যাত ‘আয়নাঘরে’ দীর্ঘদিন আটকে রাখে,

  • পরে তাকে থানায় সোপর্দ করা হয়; সেখানে পুলিশ তাকে দুই দফায় মোট ৯ দিন রিমান্ডে নেয়।

বাদলের দাবি,

“আসামিরা আমাকে পুলিশ দিয়ে শাইখুল হাদিস মুফতি মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন রহমানীর সংগঠনের সঙ্গে জড়িত আছি—এমন মিথ্যা স্বীকারোক্তি দিতে বাধ্য করেছে। আমাকে ‘জঙ্গি’ ও বিএনপির উগ্রপন্থি হিসেবে সাজিয়ে মামলা দেওয়া হয়।”

তিনি আরও অভিযোগ করেছেন—

  • গানপাউডার দিয়ে তার সাইকেল পুড়িয়ে দেওয়া,

  • ফার্নিচার দোকানে আগুন লাগানো,

  • ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে বোমা–ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে ভাঙচুর,

  • এবং জাহাঙ্গীর কবীরের অফিসে নিয়ে গিয়ে ‘অ্যাটম’ নামের এক নেতার হাতুড়ি দিয়ে মাথায় আঘাত করা—এসবই পরিকল্পিতভাবে করা হয়েছিল।

বাদলের ভাষায়,

“এতদিন আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকায় মামলা করতে পারিনি। কয়েক বছর এলাকায় থাকতে পারিনি, সাত মাস জেলহাজতে ছিলাম। এখন যখন তাদের রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ, তখন ন্যায়বিচারের আশায় মামলা করেছি।”

এই পুরো অভিযোগ এখন ‘বিশেষ ক্ষমতা আইন’–এর অধীনে বিচার প্রক্রিয়ায় যাচ্ছে—যে আইনের বিরুদ্ধে অতীতে ঠিক বিএনপি–আওয়ামী লীগ দুই পক্ষই মানবাধিকার হরণ ও রাজনৈতিক প্রতিশোধমূলক ব্যবহারের অভিযোগ তুলেছিল।

আসামিদের অংশের প্রতিক্রিয়া

মামলার আসামিদের একজন, অ্যাডভোকেট আবদুর রহমান জুয়েল জানিয়েছেন—

“আমার বাড়ি পাথরঘাটায়। বাদীকে আমি চিনি না, ঘটনাও জানি না।”

তিনি আরও দাবি করেন, মামলায় ১ নম্বর সাক্ষী করা হয়েছে জামায়াতে ইসলামী বরগুনা জেলা শাখার সেক্রেটারি মো. আসাদুজ্জামান আল মামুন এবং বরগুনা পৌর আমির এম. এ. জলিলসহ কয়েকজন বিএনপি–ঘনিষ্ঠ নেতাকে—যা মামলার রাজনৈতিক উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন তুলতে পারে।

আইনজীবী মহলে এখন আলোচনায় আছে—এই ধরনের মামলায় সাক্ষীর রাজনৈতিক পরিচয়, পূর্ব বৈরিতা, এবং অতীত রাজনৈতিক সহিংসতার ইতিহাস আদালত কতটা গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করবে।


ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভু: ক্ষমতার শিখর থেকে বিচার ডকের আসামি

ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভু শুধু বরগুনা নয়, জাতীয় রাজনীতিতেও বহুদিন আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী নেতা ছিলেন। একাধিকবার বরগুনা–১ থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন, উপমন্ত্রীও ছিলেন। কিন্তু ২০২৪ সালের শেষ দিকে ঢাকায় ব্যবসায়ী আবদুল ওয়াদুদ হত্যা মামলায় তার নাম আসার পর থেকেই পরিস্থিতি বদলে যেতে শুরু করে।

২০২৪ সালের ১১ নভেম্বর ঢাকায় ডিবি পুলিশ তাকে উত্তরা থেকে গ্রেপ্তার করে; পরে আদালত তাকে ওই হত্যা মামলায় ছয় দিনের রিমান্ডে পাঠায়।

এরপর ২০২৫ সালের ২২ মে বরগুনার একটি আদালতে আরেক মামলায় হাজির করা হলে বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন—বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বিএসএস) ও বাংলাদেশ প্রতিদিনের ইংরেজি সংস্করণের খবরে এ তথ্য এসেছে।

এছাড়া প্রভুত্ত্ববাদী আচরণ, কমিশন–বাণিজ্য, বরগুনা সদরে পানি উন্নয়ন বোর্ডের পুকুরের অংশ দখল করে পৌর তহবিল দিয়ে প্রকল্প নির্মাণ—এসব অভিযোগও গত বছর প্রথম আলো ইংরেজি সংস্করণের এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে উঠে আসে।

এখন ‘বিশেষ ক্ষমতা আইনের’ মামলায় বাদলের অভিযোগের তালিকায় যুক্ত হয়েছে—

  • রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে অপহরণ,

  • গোপন আটককেন্দ্রে (‘আয়নাঘর’) নির্যাতন,

  • জঙ্গি বানানোর প্রচেষ্টা,

  • এবং সংগঠিত সন্ত্রাসী হামলার পৃষ্ঠপোষকতা।

অভিযোগ প্রমাণিত হলে এগুলো শুধু ব্যক্তিগত অপরাধই নয়, ছিল রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা ও দলীয় প্রভাব ব্যবহার করে একজন সাধারণ নাগরিককে দমন করার উদাহরণ—এমনটাই বলছেন স্থানীয় মানবাধিকারকর্মীরা।


বিশেষ ক্ষমতা আইন ১৯৭৪: যে আইন এখন ‘বুমেরাং’

বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর ১৯৭৪ সালে আওয়ামী লীগ–প্রধান সংসদ বিশেষ ক্ষমতা আইন (Special Powers Act–1974) পাস করে। এই আইন সরকারকে “প্রতিরোধমূলক কারণে” যেকোনো ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার ও আটক রাখার ক্ষমতা দেয়—

  • কোনো অভিযোগ গঠন না করেই সর্বোচ্চ ছয় মাস পর্যন্ত আটক রাখা যায়,

  • আর গঠিত উপদেষ্টা বোর্ড অনুমোদন দিলে অনির্দিষ্টকালের জন্যও আটক রাখা সম্ভব।

মানবাধিকার সংগঠন অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল ও মানবাধিকার সংগঠনগুলোর যৌথ প্রতিবেদন বহুবার উল্লেখ করেছে—

  • এই আইনের অস্পষ্ট সংজ্ঞা,

  • “প্রেজুডিসিয়াল অ্যাক্টস”–এর ঢিলেঢালা ব্যাখ্যা,

  • এবং রাজনৈতিক বিরোধীদের বিনা বিচারে আটকে রাখার সংস্কৃতি—সব মিলিয়ে বিশেষ ক্ষমতা আইন বাংলাদেশের মানবাধিকার লঙ্ঘনের বড় এক হাতিয়ার হয়ে উঠেছে।

বিপ্লবী ছাত্র আন্দোলন থেকে নির্বাচিত হয়ে আসা বর্তমান জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ (এনসিপি) নানা সংগঠন ২০২৪–এর জুলাই অভ্যুত্থানের আগ পর্যন্ত ঠিক এই আইনের বিরুদ্ধে সরব ছিল। কিন্তু এখন দেখা যাচ্ছে, শেখ হাসিনা সরকারের আমলে মানবাধিকার লঙ্ঘনের দায়ে অভিযুক্ত অনেক প্রাক্তন ক্ষমতাধর নেতার বিরুদ্ধেই একই আইন ব্যবহার হচ্ছে—যা অনেকের চোখে ইতিহাসের এক ধরনের “বুমেরাং”।


আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ, শীর্ষ নেতারা মামলায় জর্জরিত

২০২৪ সালের জুলাই–আগস্টের ছাত্র–নেতৃত্বাধীন আন্দোলন ও গণঅভ্যুত্থানে সহিংস দমন–পীড়নে অন্তত ১,৪০০ জন পর্যন্ত নিহত হওয়ার অভিযোগ তদন্ত করছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। চাটহাম হাউসসহ আন্তর্জাতিক বিশ্লেষণ বলছে, বিদায়ী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সেই দমন–পীড়নের দায়ে সম্প্রতি মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হয়েছেন, তিনি এখন ভারতে আত্মগোপনে আছেন।

এই প্রেক্ষাপটে ২০২৫ সালের ১০–১১ মে তত্ত্বাবধায়ক বিরতিহীন বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার আওয়ামী লীগের সব রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ করে; দলটির নিবন্ধনও ঝুলিয়ে রাখা হয়। আল জাজিরা, এপি ও রয়টার্সের একাধিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে—

  • আওয়ামী লীগের সব অনলাইন–অফলাইন কার্যক্রম বন্ধ,

  • দলটির শীর্ষ নেতাদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাস ও রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে বিচার চলছে,

  • দলটিকে সাময়িকভাবে “জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি” হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

বরগুনার এই মামলা তাই কেবল এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে নয়; একটি নিষিদ্ধ রাজনৈতিক শক্তির অতীত কর্মকাণ্ডের বিচার–এর অংশ হিসেবেই অনেকে দেখছেন। আবার অন্য অংশের আশঙ্কা—

রাজনৈতিক প্রতিশোধের আবহে যেন বিশেষ ক্ষমতা আইন ও অন্যান্য কঠোর ধারাকে ব্যবহার করে নতুন ধরনের মানবাধিকার লঙ্ঘনের চক্র শুরু না হয়।


১৯৫০–২০২৫: রাষ্ট্রীয় নির্যাতন থেকে জবাবদিহিতার পথে?

বাংলাদেশের বর্তমান ভূখণ্ডে ১৯৫০–এর দশক থেকে যত সামরিক আইন, রাষ্ট্রীয় জরুরি অবস্থা ও বিশেষ ক্ষমতার আইন এসেছে—প্রায় সবই এক পর্যায়ে রাজনৈতিক বিরোধী ও মতভিন্নতাকে নিয়ন্ত্রণের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে;

  • পাকিস্তান আমলের প্রতিরোধ আইন,

  • স্বাধীনতার পর ১৯৭৪–এর বিশেষ ক্ষমতা আইন,

  • এরশাদ আমলের সামরিক অধ্যাদেশ,

  • ২০০৭–০৮–এর জরুরি অবস্থায় নির্বিচার গ্রেপ্তার,

  • শেখ হাসিনা সরকারের সময়ে বিরোধীদের বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইন ও ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন—সবই সেই ধারাবাহিকতার অংশ।

বরগুনার বাদল–মামলা সেই দীর্ঘ ইতিহাসে নতুন মোড়—

  • এখানেও একই আইন,

  • একই ধরনের অভিযোগ (অপহরণ, টর্চার, ফেক কনফেশন),

  • কিন্তু এবার অভিযোগের কাঠগড়ায় আগের শাসকগোষ্ঠী।

প্রশ্ন এখন দু’টি—
১. এই মামলাগুলো কি সত্যিকারের জবাবদিহির সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠা করবে, যেখানে যেই ক্ষমতায় থাকুক, নির্যাতন করলে তার বিচার হবেই?
২. নাকি বিশেষ ক্ষমতা আইন ও অন্যান্য কঠোর ধারার মাধ্যমে আগের প্রতিশোধের জায়গা থেকে নতুন এক প্রতিশোধ–রাজনীতির চক্রই কেবল শুরু হবে?

বরগুনার ‘আয়নাঘর’ আর বিশেষ ক্ষমতা আইনের এই মামলা—ঠিক এই সন্ধিক্ষণেই বাংলাদেশের বিচারব্যবস্থা, মানবাধিকার অঙ্গন ও ভবিষ্যৎ রাজনীতির জন্য একটি পরীক্ষামূলক মামলায় পরিণত হয়েছে।


সূত্র

১. বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বিএসএস) ও বাংলাদেশ প্রতিদিন অনলাইন – “Shambhu sent to jail” ও “Ex-deputy minister Shambhu sent to jail” শিরোনামের প্রতিবেদন; বরগুনায় সাবেক উপমন্ত্রী ধীরেন্দ্র দেবনাথ শম্ভুকে কারাগারে পাঠানোর খবর। 

২. উইকিপিডিয়া ও মানবাধিকার সংস্থার প্রতিবেদন – Special Powers Act, 1974–এর ইতিহাস, এর অধীনে প্রতিরোধমূলক আটক, মানবাধিকার লঙ্ঘন ও আইনটি বাতিলের দাবিসংক্রান্ত তথ্য; অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল, Human Rights Watch ও অন্যান্য রিপোর্ট।

৩. আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম – আল জাজিরা, এপি, রয়টার্স, টাইমস অব ইন্ডিয়া ও প্রভাতী আঞ্চলিক বিশ্লেষণ; শেখ হাসিনা সরকারের পতন, জুলাই অভ্যুত্থান, আওয়ামী লীগের সব কার্যক্রম নিষিদ্ধকরণ, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচার ও আসন্ন নির্বাচনের প্রেক্ষাপট।

প্রতিবেদক:বিডিএস বুলবুল আহমেদ

আরও খবর জানতে ভিজিট করুনবাংলাদেশ প্রতিদিন

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
নামাজের সময়সূচী
জাতীয় সঙ্গীত
©সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ বাংলাদেশ প্রতিদিন সত্যের সন্ধানে সব সময় | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় BDS Digital Marketing Agency