| বঙ্গাব্দ

এনটিআরসিএ প্রধান শিক্ষক নিয়োগ ফল প্রকাশ: উত্তীর্ণ ১৪৯৪২, থাকছে এআই মৌখিক পরীক্ষা

রিপোর্টারের নামঃ BDS Bulbul Ahmed
  • আপডেট টাইম : 23-04-2026 ইং
  • 4043740 বার পঠিত
এনটিআরসিএ প্রধান শিক্ষক নিয়োগ ফল প্রকাশ: উত্তীর্ণ ১৪৯৪২, থাকছে এআই মৌখিক পরীক্ষা
ছবির ক্যাপশন: এনটিআরসিএ প্রধান শিক্ষক নিয়োগ ফল প্রকাশ

বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান নিয়োগ: উত্তীর্ণ ১৪ হাজার ৯৪২, মৌখিক পরীক্ষায় থাকছে এআই প্রযুক্তি

নিজস্ব প্রতিবেদক: [BDS Bulbul Ahmed]

তারিখ: ২৩ এপ্রিল ২০২৬

বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান ও সহকারী প্রধান নিয়োগের লিখিত পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে। বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) বুধবার (২২ এপ্রিল) রাত সাড়ে এগারোটার দিকে এই ফল প্রকাশ করে। এতে মোট ১৪ হাজার ৯৪২ জন প্রার্থী উত্তীর্ণ হয়েছেন।

১. পরীক্ষার পরিসংখ্যান ও পদের বিবরণ

এনটিআরসিএ সূত্রে জানা গেছে, বেসরকারি স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ, প্রধান শিক্ষক, সহকারী প্রধান শিক্ষক, সুপার ও সহকারী সুপারের মোট ১২ হাজার ৯৫১টি শূন্য পদের বিপরীতে এই নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার জন্য ৫৩ হাজার ৬৯ জন আবেদন করলেও শেষ পর্যন্ত ৪৮ হাজার ১৪৬ জন প্রার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন।

২. মূল্যায়ন পদ্ধতি ও নম্বর বণ্টন

এবারই প্রথমবারের মতো এই পদগুলোতে এমসিকিউ পদ্ধতিতে লিখিত পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে। নিয়োগের পূর্ণাঙ্গ প্রক্রিয়াটি যেভাবে সাজানো হয়েছে:

  • লিখিত পরীক্ষা (MCQ): ৮০ নম্বর।

  • মৌখিক পরীক্ষা: ৮ নম্বর।

  • শিক্ষাগত যোগ্যতা: ১২ নম্বর।

৩. মৌখিক পরীক্ষায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (AI) ব্যবহার

ফল প্রকাশের পর এনটিআরসিএ চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম এক যুগান্তকারী ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, উত্তীর্ণ প্রার্থীদের মৌখিক পরীক্ষা গ্রহণের ক্ষেত্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই (AI) প্রযুক্তি ব্যবহার করা হবে। নিয়োগ প্রক্রিয়াকে শতভাগ স্বচ্ছ ও প্রভাবমুক্ত রাখতেই এই আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

৪. নিয়োগের প্রেক্ষাপট

গত ২৭ জানুয়ারি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পরিপত্রের মাধ্যমে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ পদগুলোতে নিয়োগের ক্ষমতা এনটিআরসিএকে দেওয়া হয়। এরপর ২৯ জানুয়ারি নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি জারি করে ৩ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আবেদন গ্রহণ করা হয়। গত শনিবার রাজধানীর ৯টি কেন্দ্রে একযোগে এই লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছিল।


বিডিএস পর্যবেক্ষণ (Editorial Insight): শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান নিয়োগে এনটিআরসিএ-এর এই প্রবেশাধিকার এবং মৌখিক পরীক্ষায় এআই প্রযুক্তির ব্যবহার বাংলাদেশের শিক্ষা ইতিহাসে এক বৈপ্লবিক পদক্ষেপ। এর ফলে স্থানীয় রাজনৈতিক প্রভাব বা স্বজনপ্রীতির সুযোগ বন্ধ হবে এবং যোগ্য ব্যক্তিরাই প্রতিষ্ঠানের নেতৃত্বে আসার সুযোগ পাবেন। তবে এআই প্রযুক্তি ব্যবহারের কারিগরি সক্ষমতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করাই এখন এনটিআরসিএ-এর জন্য চ্যালেঞ্জ।

প্রতিবেদক:বিডিএস বুলবুল আহমেদ
আরও খবর জানতে ভিজিট করুনবাংলাদেশ প্রতিদিন

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
খবর রোনাম: মধ্যপ্রাচ্যের তীব্র উত্তেজনা ও ইরান সংকট সত্ত্বেও বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম ১০০ ডলারের নিচে: নেপথ্যের বাজার বিশ্লেষণমেটা ডিসক্রিপশন: মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধাবস্থা ও ইরান সংকট সত্ত্বেও বৈশ্বিক বাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম ব্যারেলে ১০০ ডলারের নিচে অবস্থান করছে। অর্থনৈতিক মন্দা ও উৎপাদন বৃদ্ধির নানা কারণ বিশ্লেষণ।অনলাইন ডেস্কমধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান সামরিক সংঘাত এবং ইরান কেন্দ্রিক চরম ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা সত্ত্বেও আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে প্রতি ব্যারেল অপরিশোধিত তেলের দাম মনস্তাত্ত্বিক ১০০ ডলারের নিচেই স্থিতিশীল রয়েছে। চলতি সপ্তাহে লন্ডনের ব্রেন্ট ক্রুড এবং মার্কিন টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (WTI)—উভয় মানদণ্ডেই তেলের দর প্রত্যাশার চেয়ে কম সূচকে কেনাবেচা হতে দেখা গেছে। আন্তর্জাতিক জ্বালানি বিশ্লেষকদের মতে, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দার আশঙ্কা, চাহিদার তুলনায় সরবরাহ বৃদ্ধি এবং প্রধান প্রধান অর্থনৈতিক পরাশক্তিগুলোতে জ্বালানি ব্যবহারের শ্লথগতির কারণে সরবরাহ শৃঙ্খলে বড় ধরনের ব্যাঘাত ঘটা সত্ত্বেও বাজারে তেলের দাম লাগামহীন হতে পারেনি।তেলের দাম না বাড়ার প্রধান অনুঘটকসমূহমধ্যপ্রাচ্যের স্পর্শকাতর পরিস্থিতির পরও আন্তর্জাতিক কমোডিটি এক্সচেঞ্জে তেলের দর প্রত্যাশার চেয়ে নিয়ন্ত্রণে থাকার পেছনে বিশ্ব অর্থনীতির কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ামক কাজ করছে।চীন ও ইউরোপের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গতি শ্লথ হওয়ায় জ্বালানি তেলের বিশ্বব্যাপী সার্বিক ব্যবহার আগের চেয়ে কমেছে। পাশাপাশি, ওপেক প্লাস (OPEC+) জোটের বাইরে থাকা দেশগুলোর অব্যাহত অতিরিক্ত উৎপাদন বাজারে চাহিদার ঘাটতি তৈরি হতে দেয়নি।দর নিয়ন্ত্রণে থাকার মূল কারণসমূহজ্বালানি বাজার বিশেষজ্ঞদের মতে, দর ব্যারেলে ১০০ ডলারের নিচে থাকার নেপথ্যে যেসব প্রধান কারণ রয়েছে:যুক্তরাষ্ট্র ও অপেক-বহির্ভূত দেশের উৎপাদন: যুক্তরাষ্ট্র, ব্রাজিল ও গায়ানার মতো দেশগুলোতে তেলের রেকর্ড পরিমাণ উৎপাদন বাজারের ভারসাম্য রক্ষা করছে।চীনের বাণিজ্যিক মন্দা: বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ তেল আমদানিকারক দেশ চীনে শিল্প উৎপাদন ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি প্রত্যাশার চেয়ে ধীরগতির হওয়ায় চাহিদায় ঘাটতি।মার্কিন সুদের হার ও সুদের প্রভাব: উচ্চ সুদের হারের কারণে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক মন্দার প্রভাব এবং অর্থনৈতিক স্থবিরতা তেলের দামে অতিরিক্ত চাপ তৈরিতে বাধা সৃষ্টি করেছে।এক নজরে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজার পরিস্থিতিবিষয়বিবরণবাজার স্থিতিপ্রতি ব্যারেল তেলের দাম ১০০ ডলারের নিচেউত্তেজনার অঞ্চলমধ্যপ্রা

রোনাম: মধ্যপ্রাচ্যের তীব্র উত্তেজনা ও ইরান সংকট সত্ত্বেও বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম ১০০ ডলারের নিচে: নেপথ্যের বাজার বিশ্লেষণমেটা ডিসক্রিপশন: মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধাবস্থা ও ইরান সংকট সত্ত্বেও বৈশ্বিক বাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম ব্যারেলে ১০০ ডলারের নিচে অবস্থান করছে। অর্থনৈতিক মন্দা ও উৎপাদন বৃদ্ধির নানা কারণ বিশ্লেষণ।অনলাইন ডেস্কমধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান সামরিক সংঘাত এবং ইরান কেন্দ্রিক চরম ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা সত্ত্বেও আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে প্রতি ব্যারেল অপরিশোধিত তেলের দাম মনস্তাত্ত্বিক ১০০ ডলারের নিচেই স্থিতিশীল রয়েছে। চলতি সপ্তাহে লন্ডনের ব্রেন্ট ক্রুড এবং মার্কিন টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (WTI)—উভয় মানদণ্ডেই তেলের দর প্রত্যাশার চেয়ে কম সূচকে কেনাবেচা হতে দেখা গেছে। আন্তর্জাতিক জ্বালানি বিশ্লেষকদের মতে, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দার আশঙ্কা, চাহিদার তুলনায় সরবরাহ বৃদ্ধি এবং প্রধান প্রধান অর্থনৈতিক পরাশক্তিগুলোতে জ্বালানি ব্যবহারের শ্লথগতির কারণে সরবরাহ শৃঙ্খলে বড় ধরনের ব্যাঘাত ঘটা সত্ত্বেও বাজারে তেলের দাম লাগামহীন হতে পারেনি।তেলের দাম না বাড়ার প্রধান অনুঘটকসমূহমধ্যপ্রাচ্যের স্পর্শকাতর পরিস্থিতির পরও আন্তর্জাতিক কমোডিটি এক্সচেঞ্জে তেলের দর প্রত্যাশার চেয়ে নিয়ন্ত্রণে থাকার পেছনে বিশ্ব অর্থনীতির কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ামক কাজ করছে।চীন ও ইউরোপের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গতি শ্লথ হওয়ায় জ্বালানি তেলের বিশ্বব্যাপী সার্বিক ব্যবহার আগের চেয়ে কমেছে। পাশাপাশি, ওপেক প্লাস (OPEC+) জোটের বাইরে থাকা দেশগুলোর অব্যাহত অতিরিক্ত উৎপাদন বাজারে চাহিদার ঘাটতি তৈরি হতে দেয়নি।দর নিয়ন্ত্রণে থাকার মূল কারণসমূহজ্বালানি বাজার বিশেষজ্ঞদের মতে, দর ব্যারেলে ১০০ ডলারের নিচে থাকার নেপথ্যে যেসব প্রধান কারণ রয়েছে:যুক্তরাষ্ট্র ও অপেক-বহির্ভূত দেশের উৎপাদন: যুক্তরাষ্ট্র, ব্রাজিল ও গায়ানার মতো দেশগুলোতে তেলের রেকর্ড পরিমাণ উৎপাদন বাজারের ভারসাম্য রক্ষা করছে।চীনের বাণিজ্যিক মন্দা: বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ তেল আমদানিকারক দেশ চীনে শিল্প উৎপাদন ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি প্রত্যাশার চেয়ে ধীরগতির হওয়ায় চাহিদায় ঘাটতি।মার্কিন সুদের হার ও সুদের প্রভাব: উচ্চ সুদের হারের কারণে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক মন্দার প্রভাব এবং অর্থনৈতিক স্থবিরতা তেলের দামে অতিরিক্ত চাপ তৈরিতে বাধা সৃষ্টি করেছে।এক নজরে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজার পরিস্থিতিবিষয়বিবরণবাজার স্থিতিপ্রতি ব্যারেল তেলের দাম ১০০ ডলারের নিচেউত্তেজনার অঞ্চলমধ্যপ্রা

ফেসবুকে আমরা...
নামাজের সময়সূচী
জাতীয় সঙ্গীত
©সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ বাংলাদেশ প্রতিদিন সত্যের সন্ধানে সব সময় | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় BDS Digital Marketing Agency