জাতীয় ও রাজনীতি ডেস্ক | বাংলাদেশ প্রতিদিন
প্রকাশিত: ২২ জুন, ২০২৬
জুলাই-আগস্ট গণহত্যার বিচার প্রক্রিয়ার ধীরগতি, দেশের বর্তমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতি এবং বিভিন্ন স্থানে রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের ওপর অনাকাঙ্ক্ষিত হামলার অভিযোগ তুলে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছে ১১ দলীয় রাজনৈতিক জোট। এর প্রতিবাদে আগামীকাল মঙ্গলবার (২৩ জুন) রাজধানী ঢাকায় একটি বড় ধরণের বিক্ষোভ সমাবেশের ডাক দিয়েছে তারা।
সোমবার (২২ জুন) সকালে রাজধানীর মগবাজারে অবস্থিত বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে জোটের এই কর্মসূচির কথা আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেন ১১ দলীয় জোটের প্রধান সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ।
সংবাদ সম্মেলনে জোটের সমন্বয়ক হামিদুর রহমান আযাদ জানান, আদালতের মাধ্যমে কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা দল আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর দিন অর্থাৎ মঙ্গলবার (২৩ জুন) বিকাল বেলা রাজধানীর বিজয়নগরে এই প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ সমাবেশের আয়োজন করা হয়েছে। এই সমাবেশে ১১ দলীয় ঐক্যের শীর্ষ পর্যায়ের সকল কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখবেন।
একই সাথে গণহত্যার বিচার ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার একই দাবিতে আগামী ৪ জুলাই (শনিবার) দেশের সকল জেলা সদরে একযোগে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশের নতুন কর্মসূচিও ঘোষণা করেছে জোটটি।
সংবাদ সম্মেলনে দেশের সার্বিক নিরাপত্তা ও কূটনীতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে ১১ দলীয় ঐক্যের সমন্বয়ক বলেন, "বাংলাদেশ সীমান্তে আমাদের প্রতিবেশী দেশ প্রতিনিয়ত বিপুল পরিমাণ মারাত্মক যুদ্ধাস্ত্র মজুত করলেও তা নিয়ে বর্তমান সরকারের কোনো মাথাব্যথা বা দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেই।" তবে সীমান্তে প্রতিবেশী রাষ্ট্রের এসব রহস্যজনক ও উসকানিমূলক কর্মকাণ্ডে ১১ দলীয় জোটের নেতারা গভীরভাবে উদ্বিগ্ন বলে তিনি স্পষ্ট জানান। একই সাথে বর্তমান সরকার সীমান্ত হত্যা বন্ধ এবং পুশ ইনের মতো স্পর্শকাতর ইস্যুগুলো মোকাবিলা করার ক্ষেত্রেও চরম ব্যর্থতার পরিচয় দিচ্ছে বলে তীব্র সমালোচনা করেন তিনি।
আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে উদ্ভূত রাজনৈতিক পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, ২৩ জুনকে কেন্দ্র করে মাঠপর্যায়ে কোনো নিষিদ্ধ ঘোষিত রাজনৈতিক দল যদি তাদের দলীয় কার্যক্রম পরিচালনা বা কোনো ধরণের বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে চায়, তবে তা কঠোর হস্তে ঠেকানোর মূল ও আইনি দায়িত্ব একান্তই সরকারের এবং প্রশাসনের; এটি কোনো সাধারণ রাজনৈতিক দলের দায়িত্ব না।
এ সময় তিনি দেশের বর্তমান সামগ্রিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আগের যেকোনো সময়ের চেয়েও অনেক বেশি খারাপ ও নাজুক অবস্থায় রূপ নিয়েছে বলে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেন। সংবাদ সম্মেলনে জামায়াতে ইসলামীসহ জোটভুক্ত অন্যান্য শরিক দলগুলোর শীর্ষস্থানীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
সংবাদ সম্মেলনের স্থান: জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়, মগবাজার, ঢাকা।
প্রধান বক্তা: হামিদুর রহমান আযাদ (সমন্বয়ক, ১১ দলীয় জোট)।
জোটের প্রধান অভিযোগসমূহ: গণহত্যার বিচারে ধীরগতি, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি, নেতাকর্মীদের ওপর হামলা এবং সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিতে ব্যর্থতা।
তাত্ক্ষণিক কর্মসূচি: ২৩ জুন (মঙ্গলবার) বিকালে, বিজয়নগর, ঢাকা (প্রতিবাদ সমাবেশ)।
পরবর্তী কর্মসূচি: ৪ জুলাই (শনিবার), দেশের সকল জেলায় বিক্ষোভ মিছিল।
নিষিদ্ধ দল প্রসঙ্গে অবস্থান: ২৩ জুনে নিষিদ্ধ কোনো দলের অপতৎপরতা রুখে দেওয়ার আইনি দায়িত্ব প্রশাসনের।
রাজনৈতিক ও সংসদ বিষয়ক প্রধান প্রতিবেদক: বিডিএস বুলবুল আহমেদ
১১ দলীয় জোটের বিজয়নগর সমাবেশের লাইভ আপডেট, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নতুন নিরাপত্তা নির্দেশনা, জামায়াতে ইসলামীর রাজনৈতিক বিবৃতি এবং দেশের সমসাময়িক রাজনীতির সব ব্রেকিং নিউজের দ্রুত আপডেটের জন্য নিয়মিত ভিজিট করুন: বাংলাদেশ প্রতিদিন
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |