| বঙ্গাব্দ

সমর্থনের বিনিময়ে সুবিধার প্রস্তাব: ইনফান্তিনোর বিরুদ্ধে ‘ব্ল্যাকমেইল’-এর অভিযোগ জর্ডানের

রিপোর্টারের নামঃ BDS Bulbul Ahmed
  • আপডেট টাইম : 05-08-2026 ইং
  • 1398181 বার পঠিত
সমর্থনের বিনিময়ে সুবিধার প্রস্তাব: ইনফান্তিনোর বিরুদ্ধে ‘ব্ল্যাকমেইল’-এর অভিযোগ জর্ডানের
ছবির ক্যাপশন: ইনফান্তিনো

বিতর্কিত বাণিজ্যিক পরিকল্পনা ও ক্ষমতার অপব্যবহার: ইনফান্তিনোর বিরুদ্ধে অনৈতিক চাপের অভিযোগ তুলল জর্ডান ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন

আন্তর্জাতিক ফুটবল ও ফিফা

৫ আগস্ট, ২০২৬

ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো-র বিরুদ্ধে সমর্থন আদায়ের জন্য অনৈতিক চাপ প্রয়োগ ও ‘ব্ল্যাকমেইল’-এর মতো গুরুতর অভিযোগ তুলেছে জর্ডান ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (JFA)। বিশ্বকাপের বাণিজ্যিক অংশীদারিত্ব বিক্রির বিতর্কিত পরিকল্পনা ঘিরে যখন আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সমালোচনার ঝড় বইছে, ঠিক তখনই জর্ডানের পক্ষ থেকে এমন বিস্ফোরক তথ্য সামনে আনা হলো।

জর্ডান ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আলি বিন হুসেইন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ (পূর্বের টুইটার) দেওয়া এক পোস্টে জানান, ইনফান্তিনোর পক্ষে সমর্থন জানালে জর্ডানের ফুটবলের দীর্ঘদিনের বিভিন্ন জটিলতা ও সমস্যা সমাধানে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছিল ফিফা। অথচ এর আগে জর্ডানের পক্ষ থেকে বারবার সহায়তা চাওয়া হলেও ফিফা কর্তৃপক্ষ কোনো ইতিবাচক পদক্ষেপ নেয়নি।

স্মার্ট সারসংক্ষেপ (Quick Takeaways)

  • মূল অভিযোগ: ইনফান্তিনোকে সমর্থন দেওয়ার শর্তে জর্ডানের ফুটবলের সমস্যা সমাধানের আশ্বাস—যা এক ধরনের ‘ব্ল্যাকমেইল’।

  • জর্ডানের অবস্থান: অতীতেও ইনফান্তিনোকে সমর্থন দেয়নি জর্ডান, ভবিষ্যতেও নৈতিক অবস্থান থেকে এমন চাপের কাছে নতি স্বীকার করবে না।

  • ফিফার অন্যান্য অনিয়ম: ভিসা জটিলতায় সমর্থকদের অতিরিক্ত টিকিট খরচ, আরব কাপের ফাইনালে ওঠার পুরস্কারের বকেয়া অর্থ পরিশোধ না করা এবং যুক্তরাষ্ট্র পর্বে অতিরিক্ত করের বোঝা।

  • বিতর্কিত বাণিজ্যিক প্রকল্প: ফিফার ২১১টি সদস্য দেশের প্রতিটিকে ৪ কোটি ডলার দেওয়ার লোভ দেখিয়ে বাণিজ্যিক অংশীদারিত্ব বিক্রির যে পরিকল্পনা ইনফান্তিনো নিয়েছিলেন, উয়েফা ও অন্যান্য দেশের প্রতিবাদের মুখে তা বাতিল করতে বাধ্য হন তিনি।

ফিফার বিরুদ্ধে জর্ডানের সুনির্দিষ্ট অভিযোগসমূহ

আলি বিন হুসেইন তাঁর বক্তব্যে কেবল সমর্থনের বিনিময়ে সুবিধার প্রস্তাবের কথাই উল্লেখ করেননি, বরং ফিফার আর্থিক ও প্রশাসনিক বৈষম্যের নানা দিকও তুলে ধরেছেন। জর্ডানের প্রধান অভিযোগগুলোর মধ্যে রয়েছে:

ফিফা ও জর্ডান ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন বিতর্ক:
┌─────────────────────────────────────────────────────────────────────────────┐
│ • সমর্থনের শর্ত   : ইনফান্তিনোকে ভোট দিলে জর্ডান ফুটবলের সমস্যা সমাধানের মৌখিক প্রতিশ্রুতি।│
│ • বকেয়া অর্থ     : ২০২৫ সালের ফিফা আরব কাপের ফাইনালে খেলার পরও প্রাইজমানি না পাওয়া।│
│ • অতিরিক্ত কর     : কানাডা বা মেক্সিকোতে না হলেও কেবল যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করায় বাড়তি কর পরিশোধ।│
│ • বর্তমান পরিস্থিতি : আন্তর্জাতিক চাপে ইনফান্তিনোর ৪ কোটি ডলারের বিতর্কিত প্রকল্প বাতিল।│
└─────────────────────────────────────────────────────────────────────────────┘

১. আরব কাপের প্রাইজমানি বকেয়া: ২০২৫ সালের ফিফা আরব কাপের ফাইনালে ওঠার পরও মাস পেরিয়ে গেলেও ফিফা সেই টুর্নামেন্টের প্রতিশ্রুত আর্থিক প্রাপ্য বুঝিয়ে দেয়নি।

২. যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা ও কর জটিলতা: বিশ্বকাপের সময় যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা না পাওয়া সমর্থকদের টিকিটের জন্য অতিরিক্ত অর্থ গুণতে হয়েছে। পাশাপাশি কানাডা ও মেক্সিকোতে কোনো বাড়তি কর দিতে না হলেও, যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানের কারণে জর্ডান সংস্থাকে বড় অংকের কর পরিশোধ করতে হয়েছে।

বিশ্বকাপের অংশীদারিত্ব বিক্রির পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য প্রতিটি সদস্য দেশকে ৪ কোটি মার্কিন ডলার দেওয়ার লোভ দেখিয়েছিলেন ইনফান্তিনো। তবে উয়েফার ৫৫টি সদস্য দেশসহ বিশ্বজুড়ে তীব্র বিরোধিতার মুখে শেষ পর্যন্ত ওই বিতর্কিত পরিকল্পনা থেকে পিছু হটতে বাধ্য হন ফিফা সভাপতি। জর্ডান কর্তৃপক্ষের এই অভিযোগ ফিফার শীর্ষ নেতৃত্বের স্বচ্ছতা ও নৈতিকতাকে আরও একবার বড় প্রশ্নের মুখে ফেলল।

প্রতিবেদক:বিডিএস বুলবুল আহমেদ
আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: বাংলাদেশ প্রতিদিন

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
রোনাম: মধ্যপ্রাচ্যের তীব্র উত্তেজনা ও ইরান সংকট সত্ত্বেও বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম ১০০ ডলারের নিচে: নেপথ্যের বাজার বিশ্লেষণমেটা ডিসক্রিপশন: মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধাবস্থা ও ইরান সংকট সত্ত্বেও বৈশ্বিক বাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম ব্যারেলে ১০০ ডলারের নিচে অবস্থান করছে। অর্থনৈতিক মন্দা ও উৎপাদন বৃদ্ধির নানা কারণ বিশ্লেষণ।অনলাইন ডেস্কমধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান সামরিক সংঘাত এবং ইরান কেন্দ্রিক চরম ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা সত্ত্বেও আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে প্রতি ব্যারেল অপরিশোধিত তেলের দাম মনস্তাত্ত্বিক ১০০ ডলারের নিচেই স্থিতিশীল রয়েছে। চলতি সপ্তাহে লন্ডনের ব্রেন্ট ক্রুড এবং মার্কিন টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (WTI)—উভয় মানদণ্ডেই তেলের দর প্রত্যাশার চেয়ে কম সূচকে কেনাবেচা হতে দেখা গেছে। আন্তর্জাতিক জ্বালানি বিশ্লেষকদের মতে, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দার আশঙ্কা, চাহিদার তুলনায় সরবরাহ বৃদ্ধি এবং প্রধান প্রধান অর্থনৈতিক পরাশক্তিগুলোতে জ্বালানি ব্যবহারের শ্লথগতির কারণে সরবরাহ শৃঙ্খলে বড় ধরনের ব্যাঘাত ঘটা সত্ত্বেও বাজারে তেলের দাম লাগামহীন হতে পারেনি।তেলের দাম না বাড়ার প্রধান অনুঘটকসমূহমধ্যপ্রাচ্যের স্পর্শকাতর পরিস্থিতির পরও আন্তর্জাতিক কমোডিটি এক্সচেঞ্জে তেলের দর প্রত্যাশার চেয়ে নিয়ন্ত্রণে থাকার পেছনে বিশ্ব অর্থনীতির কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ামক কাজ করছে।চীন ও ইউরোপের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গতি শ্লথ হওয়ায় জ্বালানি তেলের বিশ্বব্যাপী সার্বিক ব্যবহার আগের চেয়ে কমেছে। পাশাপাশি, ওপেক প্লাস (OPEC+) জোটের বাইরে থাকা দেশগুলোর অব্যাহত অতিরিক্ত উৎপাদন বাজারে চাহিদার ঘাটতি তৈরি হতে দেয়নি।দর নিয়ন্ত্রণে থাকার মূল কারণসমূহজ্বালানি বাজার বিশেষজ্ঞদের মতে, দর ব্যারেলে ১০০ ডলারের নিচে থাকার নেপথ্যে যেসব প্রধান কারণ রয়েছে:যুক্তরাষ্ট্র ও অপেক-বহির্ভূত দেশের উৎপাদন: যুক্তরাষ্ট্র, ব্রাজিল ও গায়ানার মতো দেশগুলোতে তেলের রেকর্ড পরিমাণ উৎপাদন বাজারের ভারসাম্য রক্ষা করছে।চীনের বাণিজ্যিক মন্দা: বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ তেল আমদানিকারক দেশ চীনে শিল্প উৎপাদন ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি প্রত্যাশার চেয়ে ধীরগতির হওয়ায় চাহিদায় ঘাটতি।মার্কিন সুদের হার ও সুদের প্রভাব: উচ্চ সুদের হারের কারণে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক মন্দার প্রভাব এবং অর্থনৈতিক স্থবিরতা তেলের দামে অতিরিক্ত চাপ তৈরিতে বাধা সৃষ্টি করেছে।এক নজরে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজার পরিস্থিতিবিষয়বিবরণবাজার স্থিতিপ্রতি ব্যারেল তেলের দাম ১০০ ডলারের নিচেউত্তেজনার অঞ্চলমধ্যপ্রা

রোনাম: মধ্যপ্রাচ্যের তীব্র উত্তেজনা ও ইরান সংকট সত্ত্বেও বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম ১০০ ডলারের নিচে: নেপথ্যের বাজার বিশ্লেষণমেটা ডিসক্রিপশন: মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধাবস্থা ও ইরান সংকট সত্ত্বেও বৈশ্বিক বাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম ব্যারেলে ১০০ ডলারের নিচে অবস্থান করছে। অর্থনৈতিক মন্দা ও উৎপাদন বৃদ্ধির নানা কারণ বিশ্লেষণ।অনলাইন ডেস্কমধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান সামরিক সংঘাত এবং ইরান কেন্দ্রিক চরম ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা সত্ত্বেও আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে প্রতি ব্যারেল অপরিশোধিত তেলের দাম মনস্তাত্ত্বিক ১০০ ডলারের নিচেই স্থিতিশীল রয়েছে। চলতি সপ্তাহে লন্ডনের ব্রেন্ট ক্রুড এবং মার্কিন টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (WTI)—উভয় মানদণ্ডেই তেলের দর প্রত্যাশার চেয়ে কম সূচকে কেনাবেচা হতে দেখা গেছে। আন্তর্জাতিক জ্বালানি বিশ্লেষকদের মতে, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দার আশঙ্কা, চাহিদার তুলনায় সরবরাহ বৃদ্ধি এবং প্রধান প্রধান অর্থনৈতিক পরাশক্তিগুলোতে জ্বালানি ব্যবহারের শ্লথগতির কারণে সরবরাহ শৃঙ্খলে বড় ধরনের ব্যাঘাত ঘটা সত্ত্বেও বাজারে তেলের দাম লাগামহীন হতে পারেনি।তেলের দাম না বাড়ার প্রধান অনুঘটকসমূহমধ্যপ্রাচ্যের স্পর্শকাতর পরিস্থিতির পরও আন্তর্জাতিক কমোডিটি এক্সচেঞ্জে তেলের দর প্রত্যাশার চেয়ে নিয়ন্ত্রণে থাকার পেছনে বিশ্ব অর্থনীতির কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ামক কাজ করছে।চীন ও ইউরোপের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গতি শ্লথ হওয়ায় জ্বালানি তেলের বিশ্বব্যাপী সার্বিক ব্যবহার আগের চেয়ে কমেছে। পাশাপাশি, ওপেক প্লাস (OPEC+) জোটের বাইরে থাকা দেশগুলোর অব্যাহত অতিরিক্ত উৎপাদন বাজারে চাহিদার ঘাটতি তৈরি হতে দেয়নি।দর নিয়ন্ত্রণে থাকার মূল কারণসমূহজ্বালানি বাজার বিশেষজ্ঞদের মতে, দর ব্যারেলে ১০০ ডলারের নিচে থাকার নেপথ্যে যেসব প্রধান কারণ রয়েছে:যুক্তরাষ্ট্র ও অপেক-বহির্ভূত দেশের উৎপাদন: যুক্তরাষ্ট্র, ব্রাজিল ও গায়ানার মতো দেশগুলোতে তেলের রেকর্ড পরিমাণ উৎপাদন বাজারের ভারসাম্য রক্ষা করছে।চীনের বাণিজ্যিক মন্দা: বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ তেল আমদানিকারক দেশ চীনে শিল্প উৎপাদন ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি প্রত্যাশার চেয়ে ধীরগতির হওয়ায় চাহিদায় ঘাটতি।মার্কিন সুদের হার ও সুদের প্রভাব: উচ্চ সুদের হারের কারণে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক মন্দার প্রভাব এবং অর্থনৈতিক স্থবিরতা তেলের দামে অতিরিক্ত চাপ তৈরিতে বাধা সৃষ্টি করেছে।এক নজরে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজার পরিস্থিতিবিষয়বিবরণবাজার স্থিতিপ্রতি ব্যারেল তেলের দাম ১০০ ডলারের নিচেউত্তেজনার অঞ্চলমধ্যপ্রা

ফেসবুকে আমরা...
নামাজের সময়সূচী
জাতীয় সঙ্গীত
©সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ বাংলাদেশ প্রতিদিন সত্যের সন্ধানে সব সময় | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় BDS Digital Marketing Agency