বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে দেশের সব জেলা পরিষদকে সরকারের জরুরি নির্দেশনা
বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সংকট ও জাতীয় পর্যায়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার লক্ষ্যে দেশের সব জেলা পরিষদকে বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হতে কঠোর নির্দেশনা দিয়েছে সরকার। গতকাল দুপুরে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় থেকে দেশের ৬১টি জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাদের কাছে এ সংক্রান্ত এক জরুরি নির্দেশনাবলী পাঠানো হয়েছে। সরকারি দপ্তরে বিদ্যুতের অপচয় রোধ, জাতীয় গ্রিডের ওপর চাপ কমানো এবং সরকারি ব্যয় সংঙ্কোচনের অংশ হিসেবে মন্ত্রণালয় এই পরিপত্র জারি করে।
সরকারি নির্দেশনার প্রধান নির্দেশনাবলী
স্থানীয় সরকার বিভাগের পরিপত্রে জেলা পরিষদের কার্যালয়, ডাকবাংলো ও আওতাধীন প্রকল্পগুলোতে বিদ্যুৎ ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে একাধিক বাধ্যতামূলক শর্ত আরোপ করা হয়েছে।
এয়ার কন্ডিশনার (AC) ব্যবহারের সীমা: অফিসে এয়ার কন্ডিশনার ব্যবহারের ক্ষেত্রে তাপমাত্রা ন্যূনতম ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নির্ধারণ করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
আলোকসজ্জা ও অপ্রয়োজনীয় বাতি পরিহার: সভা, অনুষ্ঠান বা কার্যালয় প্রাঙ্গণে কোনো ধরনের সাজসজ্জামূলক আলোকসজ্জা করা যাবে না এবং দিনের আলো ব্যবহারে উৎসাহ দেওয়া হয়েছে।
দাপ্তরিক সময় শেষে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন: অফিস সময় শেষ হওয়ার সাথে সাথে বৈদ্যুতিক বাতি, ফ্যান, কম্পিউটার এবং অন্যান্য ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতি বন্ধ রাখা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এক নজরে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের নতুন সরকারি নির্দেশনা
ইস্যুকারী কর্তৃপক্ষ: স্থানীয় সরকার বিভাগ, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়
আওতাভুক প্রতিষ্ঠান: দেশের সব জেলা পরিষদ কার্যালয় ও অধীনস্থ দপ্তর
মূল উদ্দেশ্য: সরকারি দপ্তরে বিদ্যুৎ অপচয় বন্ধ ও জাতীয় জ্বালানি নিরাপত্তা সুসংহত করা
প্রধান নিয়ম: এসির তাপমাত্রা ২৫° সেলসিয়াসে রাখা এবং অপ্রয়োজনীয় আলোকসজ্জা বন্ধ করা
নজরদারি ও তদারকি জোরদার
পরিপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, এই নির্দেশনাবলী জেলা পরিষদের আওতাধীন সব কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কঠোরভাবে মেনে চলতে হবে। প্রতিটি জেলা পরিষদে একজন নির্দিষ্ট কর্মকর্তাকে বিদ্যুৎ ব্যবহারের সার্বিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ ও তদারকির দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে।
নিয়মিত প্রতিবেদন প্রেরণের বাধ্যবাধকতা
গৃহীত ব্যবস্থার ফলে প্রতি মাসে কত শতাংশ বিদ্যুৎ সাশ্রয় হয়েছে, তার একটি তদারকি প্রতিবেদন স্থানীয় সরকার বিভাগে নিয়মিত পাঠাতে হবে। নির্দেশ অমান্যকারী প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।
প্রতিবেদক:বিডিএস বুলবুল আহমেদ
আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: বাংলাদেশ প্রতিদিন
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |