| বঙ্গাব্দ

নিষিদ্ধ হতে যাচ্ছেন রোনালদো

রিপোর্টারের নামঃ BDS Bulbul Ahmed
  • আপডেট টাইম : 10-10-2026 ইং
  • 9447 বার পঠিত
নিষিদ্ধ হতে যাচ্ছেন রোনালদো
ছবির ক্যাপশন: নিষিদ্ধ হতে যাচ্ছেন

পর্তুগাল জাতীয় দল ছাড়ার জেরে নিষিদ্ধ হতে যাচ্ছেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো

প্রতিবেদক: বুলবুল আহমেদ

পর্তুগাল জাতীয় দলের কোচ হোর্হে জেসুসের (জর্জ জেসুস) সঙ্গে চরম মনোমালিন্য ও সংঘাতের জেরে জাতীয় দলের ক্যাম্প ছেড়ে চলে যাওয়ার খেসারত দিতে হতে পারে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোকে। অনুমতি ছাড়া স্কোয়াড ত্যাগ করায় ‘সিআর সেভেন’-এর বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা হিসেবে সাময়িক নিষেধাজ্ঞা দিতে যাচ্ছে পর্তুগিজ ফুটবল ফেডারেশন (এফপিপি)।

পর্তুগাল ফুটবল ফেডারেশনের অভ্যন্তরীণ নিয়ম ও শাস্তির পরিধি

আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের একাধিক বিশ্বস্ত সুত্রমতে, ফুটবল ফেডারেশনের অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা বিধিভঙ্গের দায়ে রোনালদোর বিরুদ্ধে এই আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। কোনো খেলোয়াড় টিম ম্যানেজমেন্টের আনুষ্ঠানিক অনুমতি ছাড়া জাতীয় দলের অনুশীলন ক্যাম্প বা স্কোয়াড ছেড়ে গেলে স্বয়ংক্রিয়ভাবেই এই আইনটি কার্যকর হয়।

পুরো বিষয়টি ইতোমধ্যে পর্তুগাল ফুটবল ফেডারেশনের একটি স্বাধীন শৃঙ্খলা পরিষদের (Disciplinary Committee) কাছে হস্তান্তরিত করা হয়েছে। তারা পুরো ঘটনার সার্বিক ভিডিও, সাক্ষাৎকার ও কোচ জেসুসের লিখিত প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে শাস্তির মেয়াদ নির্ধারণ করবে। ফেডারেশনের বিদ্যমান গাইডলাইন ও নিয়ম অনুযায়ী, পর্তুগিজ অধিনায়ক ১ থেকে ৬ মাসের জন্য যেকোনো ধরনের আন্তর্জাতিক ম্যাচ ও কার্যক্রম থেকে নিষিদ্ধ হতে পারেন। তবে রোনালদো আগেই ইঙ্গিত দিয়েছিলেন যে, তিনি হয়তো আর কখনো পর্তুগালের লাল-সবুজ জার্সিতে মাঠে নামবেন না।

ভুল স্বীকার করে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইলেন রোনালদো

ঘটনার পর উদ্ভূত উত্তপ্ত পরিস্থিতির গুরুত্ব উপলব্ধি করে সমর্থক ও জাতীয় দলের সতীর্থদের কাছে ইতোমধ্যে প্রকাশ্যে নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়েছেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। এক বিবৃতিতে তিনি অকপটে স্বীকার করেন যে, তার এমন আবেগপ্রবণ ও অপেশাদার আচরণের উপযুক্ত পরিণতি বা শাস্তি থাকা উচিত।

তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, যেহেতু তিনি দলের অধিনায়ক এবং তরুণ খেলোয়াড়দের জন্য অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত, তাই অধিনায়ক হিসেবে তার এই অনিয়ম বা অপরাধ আরও অনেক বেশি গুরুতর। শৃঙ্খলা পরিষদ তার বিরুদ্ধে যে সিদ্ধান্ত বা মেয়াদের শোধনাগার শাস্তিই নির্ধারণ করুক না কেন, তিনি তা কোনো ধরনের আপত্তি বা আপিল ছাড়াই মাথা পেতে মেনে নেবেন।

বিরোধের নেপথ্য কারণ ও ক্লাবে প্রত্যাবর্তন

পর্তুগালের ম্যাচ চলাকালে ডেনমার্কে ক্যাম্প ছাড়ার মূল কারণ ছিল কোচ হোর্হে জেসুসের সঙ্গে রোনালদোর কৌশলগত মতবিরোধ। উয়েফা নেশনস লিগের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে নরওয়ের বিপক্ষে জেসুস তাকে মূল একাদশে না রেখে বেঞ্চে বসিয়ে রাখেন। বিষয়টি মেনে নিতে না পেরে চরম হতাশায় ক্যাম্প ছেড়ে বেরিয়ে যান রোনালদো। উল্লেখ্য, হোর্হে জেসুস সৌদি আরবের ক্লাব আল নাসরে এর আগে রোনালদোর প্রধান কোচের দায়িত্বে ছিলেন।

জাতীয় দলের এমন চরম তিক্ততা ও বিতর্কের ধাক্কা সামলে সৌদি প্রো লিগে নিজের ক্লাব আল নাসরে ফিরেই অবশ্য জালের দেখা পেয়েছেন এই মহাতারকা। রিয়াদে আল নাসরের ৩-০ গোলের বড় জয়ে একটি দুর্দান্ত গোল করেন তিনি, যা তার পেশাদার ফুটবল ক্যারিয়ারের ৯৮০তম অফিশিয়াল গোল। জাতীয় দলের হতাশার মাঝে এই গোল তাকে সাময়িক স্বস্তি দিলেও আন্তর্জাতিক ফুটবলে তার সম্ভাব্য নিষেধাজ্ঞার কালো মেঘ আরও ঘনীভূত হলো।

আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: বাংলাদেশ প্রতিদিন


নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
খবর রোনাম: মধ্যপ্রাচ্যের তীব্র উত্তেজনা ও ইরান সংকট সত্ত্বেও বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম ১০০ ডলারের নিচে: নেপথ্যের বাজার বিশ্লেষণমেটা ডিসক্রিপশন: মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধাবস্থা ও ইরান সংকট সত্ত্বেও বৈশ্বিক বাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম ব্যারেলে ১০০ ডলারের নিচে অবস্থান করছে। অর্থনৈতিক মন্দা ও উৎপাদন বৃদ্ধির নানা কারণ বিশ্লেষণ।অনলাইন ডেস্কমধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান সামরিক সংঘাত এবং ইরান কেন্দ্রিক চরম ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা সত্ত্বেও আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে প্রতি ব্যারেল অপরিশোধিত তেলের দাম মনস্তাত্ত্বিক ১০০ ডলারের নিচেই স্থিতিশীল রয়েছে। চলতি সপ্তাহে লন্ডনের ব্রেন্ট ক্রুড এবং মার্কিন টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (WTI)—উভয় মানদণ্ডেই তেলের দর প্রত্যাশার চেয়ে কম সূচকে কেনাবেচা হতে দেখা গেছে। আন্তর্জাতিক জ্বালানি বিশ্লেষকদের মতে, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দার আশঙ্কা, চাহিদার তুলনায় সরবরাহ বৃদ্ধি এবং প্রধান প্রধান অর্থনৈতিক পরাশক্তিগুলোতে জ্বালানি ব্যবহারের শ্লথগতির কারণে সরবরাহ শৃঙ্খলে বড় ধরনের ব্যাঘাত ঘটা সত্ত্বেও বাজারে তেলের দাম লাগামহীন হতে পারেনি।তেলের দাম না বাড়ার প্রধান অনুঘটকসমূহমধ্যপ্রাচ্যের স্পর্শকাতর পরিস্থিতির পরও আন্তর্জাতিক কমোডিটি এক্সচেঞ্জে তেলের দর প্রত্যাশার চেয়ে নিয়ন্ত্রণে থাকার পেছনে বিশ্ব অর্থনীতির কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ামক কাজ করছে।চীন ও ইউরোপের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গতি শ্লথ হওয়ায় জ্বালানি তেলের বিশ্বব্যাপী সার্বিক ব্যবহার আগের চেয়ে কমেছে। পাশাপাশি, ওপেক প্লাস (OPEC+) জোটের বাইরে থাকা দেশগুলোর অব্যাহত অতিরিক্ত উৎপাদন বাজারে চাহিদার ঘাটতি তৈরি হতে দেয়নি।দর নিয়ন্ত্রণে থাকার মূল কারণসমূহজ্বালানি বাজার বিশেষজ্ঞদের মতে, দর ব্যারেলে ১০০ ডলারের নিচে থাকার নেপথ্যে যেসব প্রধান কারণ রয়েছে:যুক্তরাষ্ট্র ও অপেক-বহির্ভূত দেশের উৎপাদন: যুক্তরাষ্ট্র, ব্রাজিল ও গায়ানার মতো দেশগুলোতে তেলের রেকর্ড পরিমাণ উৎপাদন বাজারের ভারসাম্য রক্ষা করছে।চীনের বাণিজ্যিক মন্দা: বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ তেল আমদানিকারক দেশ চীনে শিল্প উৎপাদন ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি প্রত্যাশার চেয়ে ধীরগতির হওয়ায় চাহিদায় ঘাটতি।মার্কিন সুদের হার ও সুদের প্রভাব: উচ্চ সুদের হারের কারণে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক মন্দার প্রভাব এবং অর্থনৈতিক স্থবিরতা তেলের দামে অতিরিক্ত চাপ তৈরিতে বাধা সৃষ্টি করেছে।এক নজরে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজার পরিস্থিতিবিষয়বিবরণবাজার স্থিতিপ্রতি ব্যারেল তেলের দাম ১০০ ডলারের নিচেউত্তেজনার অঞ্চলমধ্যপ্রা

রোনাম: মধ্যপ্রাচ্যের তীব্র উত্তেজনা ও ইরান সংকট সত্ত্বেও বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম ১০০ ডলারের নিচে: নেপথ্যের বাজার বিশ্লেষণমেটা ডিসক্রিপশন: মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধাবস্থা ও ইরান সংকট সত্ত্বেও বৈশ্বিক বাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম ব্যারেলে ১০০ ডলারের নিচে অবস্থান করছে। অর্থনৈতিক মন্দা ও উৎপাদন বৃদ্ধির নানা কারণ বিশ্লেষণ।অনলাইন ডেস্কমধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান সামরিক সংঘাত এবং ইরান কেন্দ্রিক চরম ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা সত্ত্বেও আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে প্রতি ব্যারেল অপরিশোধিত তেলের দাম মনস্তাত্ত্বিক ১০০ ডলারের নিচেই স্থিতিশীল রয়েছে। চলতি সপ্তাহে লন্ডনের ব্রেন্ট ক্রুড এবং মার্কিন টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (WTI)—উভয় মানদণ্ডেই তেলের দর প্রত্যাশার চেয়ে কম সূচকে কেনাবেচা হতে দেখা গেছে। আন্তর্জাতিক জ্বালানি বিশ্লেষকদের মতে, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দার আশঙ্কা, চাহিদার তুলনায় সরবরাহ বৃদ্ধি এবং প্রধান প্রধান অর্থনৈতিক পরাশক্তিগুলোতে জ্বালানি ব্যবহারের শ্লথগতির কারণে সরবরাহ শৃঙ্খলে বড় ধরনের ব্যাঘাত ঘটা সত্ত্বেও বাজারে তেলের দাম লাগামহীন হতে পারেনি।তেলের দাম না বাড়ার প্রধান অনুঘটকসমূহমধ্যপ্রাচ্যের স্পর্শকাতর পরিস্থিতির পরও আন্তর্জাতিক কমোডিটি এক্সচেঞ্জে তেলের দর প্রত্যাশার চেয়ে নিয়ন্ত্রণে থাকার পেছনে বিশ্ব অর্থনীতির কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ামক কাজ করছে।চীন ও ইউরোপের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গতি শ্লথ হওয়ায় জ্বালানি তেলের বিশ্বব্যাপী সার্বিক ব্যবহার আগের চেয়ে কমেছে। পাশাপাশি, ওপেক প্লাস (OPEC+) জোটের বাইরে থাকা দেশগুলোর অব্যাহত অতিরিক্ত উৎপাদন বাজারে চাহিদার ঘাটতি তৈরি হতে দেয়নি।দর নিয়ন্ত্রণে থাকার মূল কারণসমূহজ্বালানি বাজার বিশেষজ্ঞদের মতে, দর ব্যারেলে ১০০ ডলারের নিচে থাকার নেপথ্যে যেসব প্রধান কারণ রয়েছে:যুক্তরাষ্ট্র ও অপেক-বহির্ভূত দেশের উৎপাদন: যুক্তরাষ্ট্র, ব্রাজিল ও গায়ানার মতো দেশগুলোতে তেলের রেকর্ড পরিমাণ উৎপাদন বাজারের ভারসাম্য রক্ষা করছে।চীনের বাণিজ্যিক মন্দা: বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ তেল আমদানিকারক দেশ চীনে শিল্প উৎপাদন ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি প্রত্যাশার চেয়ে ধীরগতির হওয়ায় চাহিদায় ঘাটতি।মার্কিন সুদের হার ও সুদের প্রভাব: উচ্চ সুদের হারের কারণে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক মন্দার প্রভাব এবং অর্থনৈতিক স্থবিরতা তেলের দামে অতিরিক্ত চাপ তৈরিতে বাধা সৃষ্টি করেছে।এক নজরে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজার পরিস্থিতিবিষয়বিবরণবাজার স্থিতিপ্রতি ব্যারেল তেলের দাম ১০০ ডলারের নিচেউত্তেজনার অঞ্চলমধ্যপ্রা

ফেসবুকে আমরা...
নামাজের সময়সূচী
জাতীয় সঙ্গীত
©সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ বাংলাদেশ প্রতিদিন সত্যের সন্ধানে সব সময় | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় BDS Digital Marketing Agency