‘আন্দোলনের সময় নানক-তাপসদের হাতে অস্ত্র ছিল’: ট্রাইব্যুনালে ১০ম সাক্ষীর জবানবন্দি
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় রাজধানীর ধানমন্ডি ও মোহাম্মদপুর এলাকায় ছাত্র-জনতার আন্দোলন দমনে সাবেক বস্তুমন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপসসহ প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতাদের সরাসরি অস্ত্র হাতে মহড়া দিতে এবং উসকানি দিতে দেখা গেছে বলে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে জবানবন্দি দিয়েছেন ১০ম সাক্ষী। আজ ১২ অক্টোবর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো.
সাক্ষীর বিবরণ ও আদালতে উপস্থাপিত তথ্য
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে জবানবন্দি প্রদানকালে ১০ম সাক্ষী আন্দোলনের সেই দিনগুলোর প্রত্যক্ষদর্শী ঘটনার বিবরণ বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেন।
সশস্ত্র উপস্থিতির অভিযোগ: সাক্ষী বিচারিক প্যানেলকে জানান, ২০২৪ সালের জুলাইয়ের মাঝামাঝি সময়ে মোহাম্মদপুর ও ধানমন্ডি এলাকায় আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার সময় তৎকালীন প্রভাবশালী নেতা নানক, তাপস ও অন্যান্যদের হাতে আগ্নেয়াস্ত্র দেখা গিয়েছিল।
প্ররোচনা ও নির্দেশনার অভিযোগ: সাধারণ শিক্ষার্থীদের ছত্রভঙ্গ করতে ও আন্দোলন দমনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের অস্ত্রসহ মাঠে নামার উসকানি ও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল বলে বিচারে তুলে ধরা হয়।
শহীদ ও আহতদের কথা: জবানবন্দিতে জানানো হয়, এসব সশস্ত্র হামলার ঘটনাতেই মোহাম্মদপুর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় ফারহান ফাইয়াজ, মাহমুদুর রহমান সৈকতসহ মোট ৯ জন ছাত্র-জনতা নিহত হন এবং অগণিত আন্দোলনকারী আহত হন।
এক নজরে ট্রাইব্যুনালের মামলার হালনাগাদ তথ্য
| বিষয় | বিস্তারিত তথ্য |
| আদালত | আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ |
| মূল অভিযোগ | জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে ৯ হত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধ |
| প্রধান আসামি | জাহাঙ্গীর কবির নানক, শেখ ফজলে নূর তাপসসহ ২৮ জন |
| সাক্ষ্যের ক্রমানুসার | ১০ম রাষ্ট্রপক্ষের সাক্ষী (জবানবন্দি গ্রহণ সম্পন্ন) |
| সংবাদের তারিখ | ১২ অক্টোবর ২০২৬ |
মামলার ধারাবাহিকতা ও বিচারিক অগ্রগতি
প্রসিকিউশনের তথ্যমতে, এর আগে গত ৩০ সেপ্টেম্বর এ মামলায় ৯ম সাক্ষী হিসেবে শহীদ মাহমুদুর রহমান সৈকতের বোন সাবরিনা আফরোজ সেবন্তী আদালতে সাক্ষ্য প্রদান করেন।
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |