প্রতিবেদক: বুলবুল আহমেদ
জনগণের মৌলিক অধিকার ফিরিয়ে দেওয়া, সার্বিক ভাগ্যোন্নয়ন এবং স্থানীয় পর্যায় থেকে জাতীয় অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি নিশ্চিত করাকেই নিজেদের রাজনীতির মূল অগ্রাধিকার হিসেবে উল্লেখ করেছেন ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য ইশরাক হোসেন। তিনি জানান, দেশের শাসনব্যবস্থায় বিএনপির ঘোষিত ৩১ দফা কর্মসূচি বাস্তবায়নের পাশাপাশি এলাকার মানুষের স্থানীয় সব সমস্যা সমাধানে তিনি আন্তরিকভাবে কাজ করে যাবেন।
বৃহস্পতিবার (৩১ অক্টোবর) পুরান ঢাকার ঐতিহাসিক ধোলাইখাল টং মার্কেট ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি লিমিটেডের ৩২ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত এক উৎসবমুখর আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ধোলাইখালের সঙ্গে নিজের ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক স্মৃতির কথা তুলে ধরে সংসদ সদস্য ইশরাক হোসেন বলেন, “ধোলাইখাল পুরান ঢাকার অত্যন্ত ঐতিহ্যবাহী, ব্যবসা-বাণিজ্যের জন্য বিখ্যাত এবং এক ঐতিহাসিক এলাকা। এই মাটির সঙ্গে আমার অনেক আবেগ ও রক্তস্নাত স্মৃতি জড়িয়ে রয়েছে। বিগত ফ্যাসিবাদবিরোধী রক্তক্ষয়ী গণআন্দোলনের সময় এই ধোলাইখালেই ঢাকা শহরের প্রথম বিশাল সমাবেশ আয়োজিত হয়েছিল। পরবর্তীতে সেখান থেকে প্রেরণা নিয়ে ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে এবং সাধারণ জনগণ রাজপথে নেমে আসে। সে সময় আন্দোলন-সংগ্রামের উত্তাল দিনে এই ধোলাইখাল মার্কেটের সামনেই আমি স্বৈরাচারের গুলিতে প্রথম গুলিবিদ্ধ হয়েছিলাম।”
ব্যবসায়ীদের ভাগ্যোন্নয়ন ও মার্কেট স্থায়ীকরণের আশ্বাস ধোলাইখাল এলাকার ব্যবসায়িক গুরুত্বের ওপর আলোকপাত করে তিনি বলেন, “এই ঐতিহ্যবাহী টং মার্কেটের সার্বিক আধুনিকায়ন ও উন্নয়নের মাধ্যমে এর সঙ্গে সরাসরি জড়িত ব্যবসায়ী, দোকানমালিক, লাখো শ্রমিক-কর্মচারী এবং তাঁদের ওপর নির্ভরশীল অসংখ্য পরিবারের ভাগ্যোন্নয়ন ও জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে আমি টেকসই পদক্ষেপ গ্রহণ করতে চাই।”
দীর্ঘদিন ধরে আটকে থাকা ধোলাইখাল টং মার্কেট স্থায়ী করার বিষয়ে ব্যবসায়ীদের উদ্দেশ্যে ইশরাক হোসেন বলেন, “আমার শ্রদ্ধেয় বাবা (ঢাকার সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকা) অবিভক্ত ঢাকার মেয়র থাকাকালে এই মার্কেটটি স্থায়ী করার সরকারি সিদ্ধান্ত ও উদ্যোগ গ্রহণ করেছিলেন। কিন্তু পরবর্তীতে ওয়ান-ইলেভেনের অনির্বাচিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার ক্ষমতায় আসায় সেই গুরুত্বপূর্ণ কাজটির চূড়ান্ত বাস্তবায়ন সম্পন্ন করা সম্ভব হয়নি। যেহেতু এখন বিএনপি সরকার রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছে, তাই আপনারা সংশ্লিষ্ট ফাইলটি নিয়ে দ্রুত প্রশাসনিক প্রক্রিয়া শুরু করুন। সরকারের যেখানে যেখানে আপনাদের দাবির পক্ষে কথা বলা প্রয়োজন, সেখানে আমি নিজে দাঁড়িয়ে আপনাদের পূর্ণ সমর্থন ও সহযোগিতা দেব।”
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |