| বঙ্গাব্দ

গণতন্ত্র ও জাতীয় ঐক্য সুদৃঢ় করতে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে: মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী

রিপোর্টারের নামঃ BDS Bulbul Ahmed
  • আপডেট টাইম : 07-11-2026 ইং
  • 28408 বার পঠিত
গণতন্ত্র ও জাতীয় ঐক্য সুদৃঢ় করতে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে: মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী
ছবির ক্যাপশন: একসঙ্গে কাজ করতে হবে: মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী

গণতন্ত্রের সুদৃঢ় ভিত্তি ও স্থিতিশীলতায় দলমত-নির্বিশেষে ঐক্যবদ্ধ কাজের আহ্বান মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রীর

প্রতিবেদক: বুলবুল আহমেদ

গণতন্ত্রের প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি সুদৃঢ়করণ, জাতীয় ঐক্য ও রাষ্ট্রীয় স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে এবং দেশবিরোধী নানা ষড়যৌগ ও চক্রান্ত মোকাবিলায় দলমত-নির্বিশেষে দেশের সব স্তরের মানুষকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান।

শনিবার (৭ নভেম্বর) দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে অবস্থিত মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর মিলনায়তনে ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উপলক্ষে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত এক বিশেষ আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই আহ্বান জানান।

৭ নভেম্বরের ঐতিহাসিক তাৎপর্য ও শহীদ জিয়ার অবদান ৭ নভেম্বরকে বাংলাদেশের জাতীয় ইতিহাসের অন্যতম বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ দিন উল্লেখ করে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী বলেন, “আমাদের মহান স্বাধীনতার অন্যতম মূল অঙ্গীকারই ছিল গণতন্ত্র ও সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা। কিন্তু স্বাধীনতা-পরবর্তী বিভিন্ন সময়ে গণতান্ত্রিক অধিকার চর্চার পথে পদে পদে নানা কৃত্রিম বাধা সৃষ্টি করা হয়েছিল। দেশের নিরীহ মানুষকে সহ্য করতে হয়েছে চরম নির্যাতন, নিপীড়ন, জেল-জুলুম ও গুমের নির্মমতা। এমন এক ঘোর সংকটময় ও অনিশ্চিত পরিস্থিতিতে ইতিহাসের অনিবার্য প্রয়োজনেই শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের দূরদর্শী নেতৃত্বে দেশপ্রেমিক জনগণ ও সশস্ত্র বাহিনী দেশকে রক্ষায় ঐতিহাসিক ভূমিকা নিয়ে এগিয়ে এসেছিল।”

মন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে আরও উল্লেখ করেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান কেবল দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বই রক্ষা করেননি; বরং দেশের এক চরম ক্রান্তিলগ্নে জাতীয় দায়িত্ব কাঁধে নিয়ে রুদ্ধ হওয়া গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা পুনরুজ্জীবিত করেছিলেন। তিনি অর্থনৈতিক পুনর্গঠন, ধসে পড়া রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর গুণগত বিকাশ এবং জাতীয় জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে সুসংহত অগ্রগতির মাধ্যমে আধুনিক বাংলাদেশের মজবুত ভিত্তি নির্মাণ করেছিলেন। তাঁর সেই ঐতিহাসিক রাষ্ট্রচিন্তা, দেশপ্রেম ও জাতীয় ঐক্যের চেতনাকে ধারণ করে বর্তমান গণতান্ত্রিক সরকার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গতিশীল নেতৃত্বে দেশকে উন্নয়ন, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধির দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।

জাতীয় ঐক্য ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের ওপর জোর আহমেদ আযম খান আরও হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, জাতীয় জীবনে কৃত্রিম বিভাজন ও বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে এমন সব দেশবিরোধী অপতৎপরতা রুখে দিয়ে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, স্বাধীনতার চেতনা ও জাতীয় স্বার্থ সর্বতোভাবে সমুন্নত রাখতে হবে। একটি উন্নত, সমৃদ্ধ, স্থিতিশীল ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ বিনির্মাণে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, রাজনৈতিক সহনশীলতা ও জাতীয় সংহতির কোনো বিকল্প নেই।

অনুষ্ঠানের অন্যান্য কার্যক্রম ও অতিথিবৃন্দ মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব মো. আবুল হাছানাত হুমায়ুন কবীরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য ও সাবেক মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন, দৈনিক যুগান্তরের সম্পাদক আবদুল হাই শিকদার, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দলের সভাপতি ইশতিয়াক আজিজ উলফাত এবং ডেইলি টাইমস অব বাংলাদেশের উপদেষ্টা সম্পাদক ও জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস খান। বক্তারা ৭ নভেম্বরের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও জাতীয় সংহতি প্রতিষ্ঠায় দিবসটির গুরুত্ব বিশদভাবে তুলে ধরেন।

উল্লেখ্য, আলোচনা সভা শুরু হওয়ার আগে সকালের দিকে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে চন্দ্রিমা উদ্যানে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মাজারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে তাঁর স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।

আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: বাংলাদেশ প্রতিদিন

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
নামাজের সময়সূচী
জাতীয় সঙ্গীত
©সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ বাংলাদেশ প্রতিদিন সত্যের সন্ধানে সব সময় | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় BDS Digital Marketing Agency