| বঙ্গাব্দ

বগুড়ায় ছাত্র আন্দোলনে গুলি করে হত্যাচেষ্টার ঘটনায় সাক্ষ্যগ্রহণ, ট্রাইব্যুনালে নতুন তথ্য

রিপোর্টারের নামঃ BDS Bulbul Ahmed
  • আপডেট টাইম : 23-10-2025 ইং
  • 2885431 বার পঠিত
বগুড়ায় ছাত্র আন্দোলনে গুলি করে হত্যাচেষ্টার ঘটনায় সাক্ষ্যগ্রহণ, ট্রাইব্যুনালে নতুন তথ্য
ছবির ক্যাপশন: ট্রাইব্যুনালে নতুন তথ্য

বগুড়ায় ছাত্র আন্দোলনে গুলি করে হত্যাচেষ্টার ঘটনায় সাক্ষ্যগ্রহণ, ট্রাইব্যুনালে নতুন তথ্য"

🖋 প্রতিবেদক:
বুলবুল আহমেদ, বিডিএস

🇧🇩 বগুড়ায় ছাত্র আন্দোলনে গুলি করে হত্যাচেষ্টা: ট্রাইব্যুনালে নতুন তথ্য

২০২৩ সালের ১৯ জুলাই বগুড়ার রামপুরা এলাকায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় পুলিশের গুলিতে আহত হওয়া আমির হোসেন (১৮) সম্প্রতি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে তার সাক্ষ্য দিয়েছেন। এই ঘটনার ফলে হত্যাচেষ্টার মামলা দায়ের করা হয়েছে, যেখানে শেখ হাসিনাসহ ১৭২ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে এবং ৪৭২ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে।

ঘটনার বর্ণনা

বৃহস্পতিবার (২৩ অক্টোবর) আমির হোসেন তার সাক্ষ্যে বলেন, "আমি রামপুরা থানাধীন মেরাদিয়া এলাকায় ফুফুর সাথে থাকতাম এবং ১৯ জুলাই দুপুরে দোকান থেকে বাসায় ফেরার পথে দেখলাম পুলিশ ও বিজিবি আন্দোলনরত ছাত্রদের ওপর গুলি চালাচ্ছে। আতঙ্কে আমি একটি নির্মাণাধীন ভবনের ৪র্থ তলায় ওঠে আশ্রয় নি।" তিনি আরও জানান, পুলিশ সদস্যরা তার পিছু নিয়ে ছাদের উপরে উঠে এবং তাকে গুলি করে।

গুলির পরিণতি

তিনি বলেন, "একজন পুলিশ আমাকে পিস্তল দিয়ে পরপর ৩ রাউন্ড গুলি করে। গুলি আমার দুই পায়ে লাগে। পরে আরেক পুলিশ এসে আরও ৩ রাউন্ড গুলি করে, যার ফলে আমি জ্ঞান হারিয়ে ফেলি।" আমির হোসেন এরপর হাসপাতালে চিকিৎসা নেন এবং দীর্ঘদিন বিভিন্ন হাসপাতালের চিকিৎসাধীন ছিলেন।

ট্রাইব্যুনালের কার্যক্রম

এদিন, বিচারপতি মো. গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ আমির হোসেনের জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়। তার সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে ২৭ নভেম্বর পর্যন্ত সাক্ষ্যগ্রহণ মুলতবি করা হয়।

আইনজীবীদের জেরা

মামলার আসামি পক্ষের আইনজীবী সারোয়ার জাহান আমির হোসেনকে জেরা করেন, এবং তার প্যান্ট খুলে গুলির চিহ্ন দেখানোর দাবি করেন। পরে ট্রাইব্যুনাল-২ চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বে আরও একটি বিষয় নিয়ে শুনানি অনুষ্ঠিত হয়।

মামলার অবস্থা

এই মামলায় গত ৭ আগস্ট ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমানসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করা হয়। এদের মধ্যে একমাত্র এএসআই চঞ্চল চন্দ্র সরকার গ্রেফতার আছেন, বাকিরা পলাতক। ট্রাইব্যুনালে আসামি পক্ষের আইনজীবী জেড আই খান পান্না বলেছিলেন, "বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য তিনি লড়াই করে যাবেন।"

সূত্রসমূহ

  1. "Bangladesh Student Movements: History and Legal Challenges" - The Daily Star

  2. "Bangladesh Judicial System: Cases of Political Violence" - Dhaka Tribune

  3. "International Crimes in Bangladesh: A Detailed Analysis" - Wikipedia

    প্রতিবেদক:বিডিএস বুলবুল আহমেদ
    আরও খবর জানতে ভিজিট করুনবাংলাদেশ প্রতিদিন

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
নামাজের সময়সূচী
জাতীয় সঙ্গীত
©সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ বাংলাদেশ প্রতিদিন সত্যের সন্ধানে সব সময় | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় BDS Digital Marketing Agency