| বঙ্গাব্দ

দুদকের মামলায় শেখ হাসিনা ও সজীব ওয়াজেদ জয়ের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা

রিপোর্টারের নামঃ BDS Bulbul Ahmed
  • আপডেট টাইম : 15-04-2025 ইং
  • 3780487 বার পঠিত
দুদকের মামলায় শেখ হাসিনা ও সজীব ওয়াজেদ জয়ের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা
ছবির ক্যাপশন: দুদকের মামলায় শেখ হাসিনা ও সজীব ওয়াজেদ জয়ের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা

রাজউক প্লট দুর্নীতি: শেখ হাসিনা ও সজীব ওয়াজেদ জয়ের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি

রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) প্লট বরাদ্দে দুর্নীতির অভিযোগে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়সহ ২৯ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছে আদালত

মঙ্গলবার (১৫ এপ্রিল) দুপুরে ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ জাকির হোসেন গালিব দুদক (দুর্নীতি দমন কমিশন) দাখিল করা চার্জশিট দুটি আমলে নিয়ে এই আদেশ দেন। মামলাগুলোর একটি ১২ জন ও অপরটি ১৭ জনকে আসামি করে দায়ের করা হয়েছে।

প্লট বরাদ্দে ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ

দুদকের দায়েরকৃত অভিযোগে বলা হয়েছে, রাজধানীতে স্থাবর সম্পত্তি থাকা সত্ত্বেও প্রধানমন্ত্রী পদে থেকে ক্ষমতার অপব্যবহার করে পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে প্লট বরাদ্দ নেন শেখ হাসিনা। একইভাবে তার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়কেও পূর্বাচলে ১০ কাঠার একটি প্লট বরাদ্দ দেওয়া হয়।

অন্য অভিযুক্তরা কারা?

গ্রেফতারি পরোয়ানার আওতায় থাকা অন্য গুরুত্বপূর্ণ নামগুলো হলেন—

  • মো. সাইফুল ইসলাম সরকার – জাতীয় গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তা

  • পূরবী গোলদার – জ্যেষ্ঠ সহকারী সচিব

  • কাজী ওয়াছি উদ্দিন – অতিরিক্ত সচিব

  • মো. শহীদ উল্লা খন্দকার – সচিব

  • মো. আনিছুর রহমান মিঞা – রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যানের ব্যক্তিগত সহকারী (পিএ)

তারা সবাই মামলায় পলাতক থাকায় আদালত তাদের বিরুদ্ধেও গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন।

মামলার পটভূমি

দুদকের অনুসন্ধানে উঠে আসে, পূর্বাচল প্রকল্পে উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তাদের সুবিধা দিয়ে একাধিক প্লট বরাদ্দের মাধ্যমে সরকারি নীতিমালা লঙ্ঘন করা হয়েছে। এসব প্লট বরাদ্দের ক্ষেত্রে ভূমি থাকা সত্ত্বেও তথ্য গোপন করে আবেদনের অভিযোগ রয়েছে।

দুদক বলছে, এ ধরনের অনিয়ম ও দুর্নীতি জনস্বার্থে হুমকিস্বরূপ এবং প্রশাসনিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

পরবর্তী পদক্ষেপ

আদালতের আদেশ অনুযায়ী, গ্রেফতারি পরোয়ানা কার্যকরের জন্য সংশ্লিষ্ট থানাগুলোকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মামলাগুলোর পরবর্তী শুনানির তারিখ এখনও নির্ধারিত হয়নি।

এদিকে, আসামিদের কেউই এখন পর্যন্ত এই বিষয়ে কোনো প্রতিক্রিয়া জানাননি। তবে রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে বিষয়টি নিয়ে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা ও বিতর্ক।

আরও পড়ুন

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
নামাজের সময়সূচী
জাতীয় সঙ্গীত
©সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ বাংলাদেশ প্রতিদিন সত্যের সন্ধানে সব সময় | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় BDS Digital Marketing Agency