ইসরায়েলি সেনাবাহিনীতে তীব্র সৈন্য সংকট, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেনেটের সতর্কতা
ইসরায়েলের সাবেক প্রধানমন্ত্রী নাফতালি বেনেট সম্প্রতি সতর্ক করেছেন যে, গত দেড় বছর ধরে গাজা, পশ্চিম তীর, জর্ডান ভ্যালি, লেবানন, সিরিয়া এবং সিনাই অঞ্চলে চলমান যুদ্ধের কারণে ইসরায়েলি সেনাবাহিনীতে তীব্র সৈন্য সংকট সৃষ্টি হয়েছে। এ সংকট ক্রমশ আরও প্রকট হচ্ছে, যা ইসরায়েলি সরকারের জন্য একটি গুরুতর চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
বেনেট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (পূর্ববর্তী টুইটার) একটি পোস্টে বলেন, "আমাদের কখনও এতোগুলো সীমান্ত সামলাতে হয়নি। বর্তমানে ইসরায়েলি সেনাবাহিনীতে ২০ হাজার সৈন্যের ঘাটতি রয়েছে। ক্রমশ এই সঙ্কট আরও প্রকট হচ্ছে।" তিনি সতর্ক করে আরও বলেন, সেনাবাহিনীর এই সংকট দেশটির সামরিক প্রস্তুতিতে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে, যা দেশের নিরাপত্তার জন্য অত্যন্ত বিপজ্জনক হতে পারে।
বেনেট তার পোস্টে আরও বলেন, ইসরায়েলি সরকারের উচিত অতি-অর্থোডক্স হরেদি (যারা কঠোরভাবে ইহুদি ধর্মীয় আইন পালন করে) ইহুদিদের সেনাবাহিনীতে নিয়োগের ক্ষেত্রে উৎসাহিত করা। তিনি পরামর্শ দেন, তাদের বেতন এবং অন্যান্য সুবিধা বাড়িয়ে দিতে, যাতে অন্যান্য রিজার্ভ সৈন্যদের উপর চাপ কমানো যায় এবং সেনাবাহিনীতে সৈন্যের ঘাটতি পূর্ণ করা যায়।
জানুয়ারিতে, ইসরায়েলের সুপ্রিম কোর্ট একটি ঐতিহাসিক রায় দেয়, যার মাধ্যমে অতি-অর্থোডক্স পুরুষদের সেনাবাহিনীতে নিয়োগ বাধ্যতামূলক করা হয়। এর আগে, ইহুদি ধর্মীয় শিক্ষার্থীরা সেনাবাহিনীতে যোগ দেওয়ার ব্যাপারে অব্যাহতি পেতেন। তবে, এই রায়ের পর ইসরায়েলি সেনাবাহিনী ৩৩৮ জন অতি-অর্থোডক্স ইহুদিকে নিয়োগ করেছে।
তবে, এখনও অনেক হরেদি পুরুষ সেনাবাহিনীতে যোগ দিতে অনিচ্ছুক, যা ইসরায়েলি সেনাবাহিনীতে সৈন্য সংকটের অন্যতম কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বেনেটের মতে, এই পরিস্থিতি যদি অব্যাহত থাকে, তবে ভবিষ্যতে এটি দেশটির নিরাপত্তা এবং সামরিক ক্ষমতায় বড় ধরনের আঘাত হানতে পারে।
বর্তমানে, ইসরায়েলি সেনাবাহিনী বিভিন্ন সীমান্তে একযোগভাবে কাজ করছে, এবং এর মধ্যে গাজা, পশ্চিম তীর, লেবানন, এবং অন্যান্য আঞ্চলিক সংঘাতের জন্য তাদের সৈন্যের সংখ্যা আরও বাড়ানো প্রয়োজন। যদিও সামরিক বাহিনী চেষ্টার মাধ্যমে সংকটের সমাধান করার চেষ্টা করছে, তবে এটি একটি দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়া হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই সংকটের কারণে ইসরায়েলি সরকারকে আরও শক্ত পদক্ষেপ নিতে হবে, যাতে সেনাবাহিনীর সক্ষমতা বজায় রাখা সম্ভব হয়।
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |