ইউরোপা কনফারেন্স লিগের সেমিফাইনালের দ্বিতীয় লেগে সুইডিশ ক্লাব জুরগার্ডেনকে ১-০ গোলে হারিয়ে ফাইনালে জায়গা করে নিলো ইংলিশ জায়ান্ট চেলসি। প্রথম লেগে ৪-১ গোলের জয় পাওয়া ব্লুজরা দুই লেগ মিলিয়ে ৫-১ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে এনজো মারেস্কার অধীনে ইউরোপিয়ান ফাইনালে পা রাখলো।
স্টামফোর্ড ব্রিজে অনুষ্ঠিত ম্যাচটিতে চেলসি কিছু মূল খেলোয়াড়কে বিশ্রামে রেখে দ্বিতীয় সারির দল নিয়ে মাঠে নামে। তবে খেলায় কোনো ঘাটতি রাখেনি তারা। প্রথমার্ধের ৩৮তম মিনিটে মাঝমাঠ থেকে এগিয়ে এসে অসাধারণ এক ফিনিশে গোল করেন কিয়েরনান ডিউসবুরি-হল।
এই গোলেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয় চেলসি এবং প্রথমার্ধ শেষ হয় ১-০ ব্যবধানে। দ্বিতীয়ার্ধে দু’দলই বেশ কিছু আক্রমণ চালালেও আর কোনো গোল আসেনি। ৯০ মিনিট শেষে চেলসির জয় নিশ্চিত হয় এবং ইউরোপা কনফারেন্স লিগে প্রথমবারের মতো ফাইনালে উঠলো দলটি।
অন্য সেমিফাইনালে ইতালিয়ান ক্লাব ফিওরেন্তিনাকে হারিয়ে ফাইনালে পৌঁছেছে স্প্যানিশ ক্লাব রিয়াল বেতিস। দুই দলের মধ্যকার ফাইনাল ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে ২৮ মে, পোল্যান্ডের রকলো শহরে।
চেলসি যেখানে ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগে বর্তমানে পঞ্চম স্থানে থেকে মৌসুম শেষ করার দৌড়ে রয়েছে, সেখানে ইউরোপা কনফারেন্স লিগের শিরোপা জিতে আন্তর্জাতিক সাফল্যের মাধ্যমে নিজেদের পুনরুত্থানের বার্তা দিতে চায়।
এনজো মারেস্কার অধীনে এই চেলসি তরুণ ও অভিজ্ঞদের মিশ্রণে একটি ভারসাম্যপূর্ণ স্কোয়াড গঠন করেছে, যা ভবিষ্যতে ইউরোপিয়ান প্রতিযোগিতায় তাদের আগের গৌরব ফিরিয়ে আনার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে। সেমিফাইনালেও দেখা গেছে কিভাবে দ্বিতীয় সারির খেলোয়াড়রাও প্রতিপক্ষের বিপক্ষে আধিপত্য দেখাতে সক্ষম।
২৮ মে অনুষ্ঠিতব্য ফাইনাল ম্যাচটিতে ফুটবলপ্রেমীদের চোখ থাকবে দুই ভিন্নধর্মী ফুটবল দর্শনের লড়াইয়ের দিকে—স্প্যানিশ পাসিং গেমের বিপরীতে ইংলিশ ফিজিক্যাল ফুটবল। উভয় দলের কাছে শিরোপাটি শুধুই একটি ট্রফি নয়, বরং ভবিষ্যতের ইউরোপীয় আসরে জায়গা করে নেওয়ার মাধ্যমও বটে।
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |