আন্তর্জাতিক ডেস্ক | ১০ মে ২০২৫
ভারত-পাকিস্তানের চলমান উত্তেজনা এখন যেন রূপ নিয়েছে এক আধুনিক ড্রোন যুদ্ধে। সীমান্তের দুই পাশে চলছে পাল্টাপাল্টি ড্রোন হামলা, যা দুই দেশের সামরিক প্রযুক্তি ও সক্ষমতার একটি প্রতীক হয়ে উঠেছে।
২০২৪ সালের তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বের শক্তিশালী ড্রোন শক্তির দেশগুলোর মধ্যে ভারতের অবস্থান ৬ষ্ঠ। দেশটির হাতে রয়েছে প্রায় ৬২৫টি সামরিক ড্রোন, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো ইসরায়েলি হারোপ, কামিকাজি (Loitering Munition), পাঞ্ছি, নিশান্ত এবং নেত্রা—সবগুলোই নজরদারি ও আক্রমণের জন্য ব্যবহৃত হয়।
ভারতের হারোপ ড্রোনগুলো ইসরায়েলের তৈরি এবং এগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে নির্ধারিত লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম। কামিকাজি ড্রোনগুলো ঘণ্টায় ১২০ কিমি গতিতে উড়ে সর্বোচ্চ ১০ কিমি দূরের লক্ষ্যবস্তুতে নির্ভুলভাবে হামলা চালাতে পারে।
ড্রোন প্রযুক্তিতে পিছিয়ে নেই পাকিস্তানও। তাদের ভাণ্ডারে রয়েছে তুরস্কের বিখ্যাত বায়রাখতার টিবি-টু ও আকিনজি ড্রোন। আকিনজি ড্রোন ৪৫ হাজার ফুট উচ্চতায় উড়তে সক্ষম এবং ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৩৬১ কিমি বেগে ২৪ ঘণ্টা টানা উড়তে পারে।
পাকিস্তানের হাতে থাকা উল্লেখযোগ্য ড্রোন:
বায়রাখতার টিবি-টু – ৬টি
আকিনজি – সংখ্যা অজানা
উইং লুং-২ (চীন) – প্রায় ৫০টি
সেলেক্স ফ্যালকো (ইতালি) – ২৬টি
তাই আংকা (তুরস্ক) – ২৪টি
শাহপার-২ (দেশীয়) – ১২টি
সালার (দেশীয়) – ৩০টি
লুনা এনজি (জার্মানি) – ২টি
এছাড়াও পাকিস্তানের ড্রোন ভাণ্ডারে চীনা ও তুর্কি প্রযুক্তির সমন্বয়ে গড়া বিভিন্ন মডেলের নজরদারি এবং আক্রমণক্ষম ড্রোন রয়েছে।
ড্রোন সংখ্যায় ভারত কিছুটা এগিয়ে থাকলেও, বড় পার্থক্য রয়েছে সামরিক ব্যয়ে। ভারত যেখানে বছরে ৭৫ বিলিয়ন ডলার ব্যয় করে, সেখানে পাকিস্তানের খরচ মাত্র সাড়ে ৭ বিলিয়ন ডলার। এই বাজেট ব্যবধান প্রযুক্তিগত আধুনিকতা ও ড্রোন উন্নয়নে ভারতের অগ্রগতিকে ব্যাখ্যা করে।
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |