গত সপ্তাহজুড়ে বাংলাদেশের মানুষ ব্যস্ত ছিলো আন্তর্জাতিক উত্তেজনা—ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধ, দাজ্জাল-মাহদি আলোচনা, মুসলিম উম্মাহর ভবিষ্যত নিয়ে। অথচ এই ব্যস্ততা রাজনৈতিক ফাঁকে সরকার বিশাল স্বস্তিতে কিছু চরম বিতর্কিত ঘটনা পরিচালনা করে ফেলেছে।
অবশেষে জনদৃষ্টি সরে যাওয়ার সুযোগে ঘটেছে:
সাবেক সিইসি নূরুল হুদার গলায় জুতার মালা
সিইসি হাবিবুল আউয়ালের নাটকীয় গ্রেপ্তার ও জবানবন্দি
এক নবীন রাজনৈতিক দলের নেতানেত্রীর কলঙ্কজনক যৌনালাপ ফাঁস
জাতীয় ফল মেলায় ফল লুটের মতো নজিরবিহীন ঘটনা
বিশ্লেষকদের মতে, হাবিবুল আউয়ালের গ্রেপ্তার তার অভ্যন্তরীণ ভয়ের প্রতিফলন। আদালতে আবেগঘন জবানবন্দি ভবিষ্যতের জন্য বড় বিপদ হতে পারে।
জেলখানায় এখন এত আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মী, যে সেখানে একজন সিইসির অবস্থান প্রশাসনকেও অস্বস্তিতে ফেলছে।
জাতীয় ফল মেলায় যে লুটপাট ও বিশৃঙ্খলা হয়েছে, তা সরকার ও প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণহীনতার প্রতীক। একই সঙ্গে রাজনৈতিক সংস্কারের নামে গঠিত কমিশনগুলো “খাওয়া আর খোশগল্পের আড্ডা” ছাড়া কিছু নয় বলে বিএনপির সালাহউদ্দিনের অভিযোগ সরকারকে আরও চাপে ফেলেছে।
দক্ষ, অভিজ্ঞ, সুশৃঙ্খল
রাজনৈতিক দলের সঙ্গে কার্যকর সমঝোতা
রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্য সুসংহত চেইন অব কমান্ড
আইন-আদালত, সামরিক ও সিভিল প্রশাসনে ভারসাম্য
মব সন্ত্রাস ছড়িয়ে পড়ছে
পুলিশ-আর্মি-প্রশাসনে মনোবল দুর্বল
ব্যাংকে টাকা নেই, ব্যবসা অচল
আইনকানুন প্রহসনে পরিণত
সংস্কার-নামধারী ‘প্রজেক্ট’ গুলো কাজে নয়, সময় নষ্টে ব্যস্ত
এক-এগারোর সময় অর্থনীতি ছিল অচল, তবে রাষ্ট্র পাশে দাঁড়াতো
এখন শিল্পকারখানায় আগুন লাগলেও রাষ্ট্র নির্বিকার
হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ-ক্ষয়েও সরকার নির্বিশেষ
বিশ্লেষকদের মতে, যদি এক-এগারোর অর্থনৈতিক সংকট রুই-কাতলার মতো হয়, তবে বর্তমান সংকট নীল তিমির মতো—গভীর, ধ্বংসাত্মক এবং দৃষ্টির বাইরে।
সরকারি সংস্কার প্রকল্প ও ঐকমত্য কমিশনের কর্মকাণ্ড এখন জনতার চোখে প্রহসন।
বিশ্বাসের জায়গা নেই—নেতৃত্বে নেই স্থিরতা, সিদ্ধান্তে নেই স্বচ্ছতা, এবং কর্মপদ্ধতিতে নেই ধারাবাহিকতা।
এক-এগারো সরকারের ভুল ছিল পরিকল্পনাগত। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ কারণ:
এখন কোনও সমন্বয় নেই
নেতৃত্ব অযোগ্য ও বিভ্রান্ত
জনতা অসহায়, রাষ্ট্র অচল, ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত
প্রতিবেদক: BDS
Bulbul Ahmed
আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: বাংলাদেশ প্রতিদিন
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |