সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ফিলিস্তিনপন্থী বিক্ষোভে অংশগ্রহণ করায় কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রাজুয়েট মাহমুদ খলিলকে গ্রেপ্তার ও অভিবাসন আটকে রাখে মার্কিন সরকার। এ কারণে মার্কিন সরকারের কাছে ক্ষতিপূরণ দাবি করছেন তিনি।
বিবিসি শুক্রবার এক প্রতিবেদনে জানায়, ৮ মার্চ মার্কিন অভিবাসন এজেন্টরা মাহমুদ খলিলকে গ্রেপ্তার করে। মার্কিন সরকার তার কার্যক্রমকে দেশের বৈদেশিক নীতির জন্য ক্ষতিকর দাবি করে তাকে নির্বাসিত করতে চেয়েছিল। তবে জুন মাসের শেষে তার বিরুদ্ধে সিদ্ধান্ত আসে যে তার কার্যক্রম তার সম্প্রদায়ের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ নয় এবং তার অভিবাসন প্রক্রিয়া চলতে পারে।
খলিলের আইনজীবীরা ক্ষতিপূরণের আবেদন করেছেন। তারা দাবি করেছেন, খলিল মিথ্যা অভিযোগে গ্রেপ্তার, কারাদণ্ড, বিদ্বেষপূর্ণ মামলা, বিচারের অপব্যবহার এবং অবহেলামূলক কর্মকাণ্ডের শিকার হয়েছেন, যা তাকে মানসিক যন্ত্রণায় প্ররোচিত করেছে।
আইনজীবীরা আরও বলেন, ‘মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও খলিলের কার্যক্রমকে দেশের বৈদেশিক নীতির জন্য ক্ষতিকর মনে করেছিলেন, এবং এটি মার্কিন গুরুত্বপূর্ণ স্বার্থের জন্য হানিকর ছিল। এ কারণেই খলিল এই ক্ষতিগুলোর শিকার।’
এপিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে খলিল বলেছেন, তিনি ট্রাম্প প্রশাসনের কাছে তার আটকের জন্য জবাবদিহিতা চাইছেন। তার মতে, এই পদক্ষেপের ফলে তার সম্প্রদায়, ফিলিস্তিনকে সমর্থনকারী, সাধারণ শিক্ষার্থী এবং আমেরিকার জনসাধারণের উপর ভয়াবহ প্রভাব পড়েছে।
তিনি তার দাবিতে বলেন, ‘আমরা দুটি বিষয় চাই: দুই কোটি ডলার ক্ষতিপূরণ অথবা আনুষ্ঠানিক ক্ষমা প্রার্থনা।’
বিবিসি রিপোর্টে আরও বলা হয়, খলিলকে তার অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীর সামনে থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। এরপর তাকে লুইজিয়ানার অভিবাসন কেন্দ্রে রাখা হয়। তবে ২০ জুন একটি ফেডারাল বিচারক তাকে মুক্তির নির্দেশ দেন।
ফিলিস্তিনি শরণার্থী খলিল সিরিয়াতে বেড়ে ওঠেন এবং বর্তমানে নিউ ইয়র্কের কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে ফিলিস্তিনপন্থী আন্দোলনে নেতৃত্ব দিচ্ছেন।
প্রতিবেদক: BDS Bulbul Ahmed
আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: বাংলাদেশ প্রতিদিন
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |