রাজধানীর মিটফোর্ড হাসপাতালের সামনে পাথর মেরে ভাঙারি ব্যবসায়ী লাল চাঁদ ওরফে সোহাগকে হত্যার ঘটনায় বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল দলের ভেতরের সাংগঠনিক ত্রুটি এবং নেতৃবৃন্দের দায়িত্ববোধ নিয়ে কঠোর সমালোচনা করেছেন।
শনিবার (১২ জুলাই) সন্ধ্যায় নেত্রকোনার কলমাকান্দায় উপজেলা বিএনপির দ্বি-বার্ষিক সম্মেলনে দেয়া বক্তব্যে তিনি সরাসরি বলেন:
“এই পশুত্ব যারা করেছে, তাদের আগে যারা নেতা বানিয়েছে, সেই নেতাদেরই বহিষ্কার করা উচিত ছিল।”
সোহেল বলেন,
“ইট-পাথর দিয়ে মাথা ও শরীর থেঁতলে যেভাবে মানুষ মারা হয়েছে, সেটি দেখে ঘৃণায় ও ধিক্কারে হৃদয় আচ্ছন্ন হয়ে যাচ্ছে। এই বর্বরতা যে করেছে, সে তো পশুই—মানুষ নয়।”
সোহেল এ ঘটনাকে শুধু ব্যক্তি অপরাধ না বলে দলীয় নৈতিকতা ও নেতৃত্বের ব্যর্থতা হিসেবেও চিহ্নিত করেন:
“যারা এমন পশুদের দলে ঢুকিয়েছে, নেতা বানিয়েছে, তাদের বিচারের আওতায় আনতে হবে। শুধু বহিষ্কার নয়—প্রয়োজনে তাদের রাজনৈতিক ক্যারিয়ার চিরতরে বাতিল করতে হবে।”
হাবিব উন নবী খান সোহেল এক ধাপ এগিয়ে গিয়ে বলেন:
“এই ঘটনায় জড়িতদের আমরা মৃত্যুদণ্ড চাই। ফাঁসিতে ঝুলিয়ে নয়—যেভাবে মানুষটিকে মারা হয়েছে, সেভাবেই ওদের ইট-পাথর মেরে মৃত্যু দিতে হবে।”
এই বক্তব্যে তার বিচার-চাহিদার কণ্ঠস্বর রাজনৈতিক আবেগে যতটা তীব্র, মানবিক ন্যায়বিচারের প্রশ্নেও ততটাই আলোড়নসৃষ্টিকারী।
সোহেল তাঁর বক্তব্যে জিয়াউর রহমানের দেশপ্রেম ও সততার আদর্শ টেনে এনে বলেন:
“জিয়াউর রহমানকে একশোতে একশো দিতে হবে। দুর্নীতিবাজ, চাঁদাবাজ, টেন্ডারবাজরা এ দলে থাকতে পারে না। তারা এই দলে প্রবেশ করেছে, হৃদয়ে ধারণ করেনি।”
এই অংশে তিনি বিএনপির ভেতরে শুদ্ধি অভিযান এবং আদর্শনিষ্ঠ রাজনীতির প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন, যা নতুন নেতৃত্ব গঠনের আলোচনায় গুরুত্বপূর্ণ বার্তা বহন করে।
ভুক্তভোগী: ভাঙারি ব্যবসায়ী লাল চাঁদ ওরফে সোহাগ
স্থান: মিটফোর্ড হাসপাতাল এলাকা, ঢাকা
ঘাতক: স্থানীয় যুবদলকর্মী—যাদেরকে এখন আজীবনের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে
সমালোচনার কেন্দ্রবিন্দু: ওই কর্মীদের দলে আনা নেতারা
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক প্রতিবাদ ও ভিডিও ফুটেজ ভাইরাল হওয়ার পর, বিএনপির কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতৃত্বকে চাপের মুখে পড়তে হয়েছে। তবে সোহেলের মতো নেতারা এখন ভিতরের দায় এড়াতে নারাজ।
প্রতিবেদক: BDS
Bulbul Ahmed
আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: বাংলাদেশ প্রতিদিন
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |