ঢাকা | ১৪ জুলাই ২০২৫
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক উমামা ফাতেমা বলেছেন, আন্দোলনে যুক্ত হওয়ার সময় তার মনে হয়েছিল, তিনি নারীদের অধিক প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করতে পারবেন এবং জরুরি রাজনৈতিক প্রশ্ন তুলে ধরতে পারবেন। কিন্তু পরবর্তীতে তিনি উপলব্ধি করেন, সংগঠনটি “অগোছালো ও নেতৃত্বকেন্দ্রিক” ছিল, যেখানে অন্যদের মত প্রকাশের সুযোগ ছিল না।
সম্প্রতি একটি গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে উমামা ফাতেমা এ মন্তব্য করেন।
উমামা বলেন,
“সংগঠনের ভেতরে কয়েকজন নেতার হাতে ছিল মূল নিয়ন্ত্রণ। বিভিন্ন কমিটি ঘোষণা হচ্ছিল তাদের ইচ্ছেমতো। আমি চেষ্টা করেছিলাম প্রশ্ন তুলতে, কিন্তু সে রকম পরিবেশ ছিল না। রেটরিক ও বিপ্লবী ভাষণের আড়ালে চলছিল ক্ষমতার কামড়াকামড়ি।”
তিনি বলেন, সংগঠনে সুবিধাবাদীদের আধিপত্য বেড়ে যাচ্ছিল, আর অনেক আন্তরিক কর্মী ধীরে ধীরে বিচ্ছিন্ন হচ্ছিলেন।
উমামা জানান,
“আমি সংগঠন থেকে বিদায় নিতে চাইলেও চেয়েছিলাম যেন সম্পর্কটা সম্মানজনকভাবে শেষ হয়, কোনো বিভাজন তৈরি না হয়। বন্ধুদের সঙ্গে পরামর্শ করেই সিদ্ধান্ত নিয়েছি।”
তিনি বলেন, তার লক্ষ্য ছিল দেশের সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি কাজ করা। বন্যা ত্রাণে কাজ করার অভিজ্ঞতা উল্লেখ করে জানান,
“আমি বিশ্বাস করি, সাধারণ জনগণই ভবিষ্যতে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবে।”
এনসিপির এককভাবে ‘জুলাই ঘোষণাপত্র’ দেওয়ার চেষ্টার কড়া সমালোচনা করে উমামা বলেন,
“এনসিপি ফেব্রুয়ারির আগেও অস্তিত্বশীল ছিল না, তাহলে তারা কিভাবে অভ্যুত্থানের একমাত্র স্টেকহোল্ডার হয়?”
তিনি আরও বলেন,
“মুক্তিযুদ্ধ যেমন কেবল আওয়ামী লীগের নয়, জুলাই অভ্যুত্থানও কোনো একক দলের সম্পত্তি নয়। এর কৃতিত্ব সবার।”
উমামার মতে,
“বর্তমান প্রেক্ষাপটে ‘জুলাই ঘোষণাপত্র’ দেওয়ার এখতিয়ার অন্তর্বর্তী সরকারের। রাজনৈতিক দলগুলো চাইলে সরকারকে চাপ দিতে পারে বা সমঝোতায় পৌঁছাতে পারে।”
তিনি বলেন, ঘোষণাপত্র নিয়ে একক রাজনৈতিক মালিকানার চেষ্টাকে জনগণের স্বপ্নের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা হিসেবে দেখছেন অনেকেই।
প্রতিবেদক: BDS
Bulbul Ahmed
আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: বাংলাদেশ প্রতিদিন
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |