প্রতিবেদক: বিডিএস বুলবুল আহমেদ
তারিখ: ৩১ জুলাই ২০২৫
সূত্র: বিডিনিউজ২৪, প্রথম আলো, ঢাকা পোস্ট
ঢাকা:
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, দেশের সর্বস্তরের জনগণ কিছু মানুষের হাতে ক্ষমতা তুলে দেওয়ার জন্য দেড় দশক ধরে আন্দোলন অব্যাহত রাখেনি, বা জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ হননি। তিনি দাবি করেছেন, জনগণ রাষ্ট্র এবং সরকারে নিজেদের অধিকার প্রতিষ্ঠা করার জন্যই স্বৈরাচারকে হটিয়েছেন, জীবন উৎসর্গ করেছেন।
তিনি বলেন,
“সরকারে যখন যারাই থাকুক, সরকার পরিচালনা করতে চাইলে অবশ্যই নাগরিকদের কথা শুনতে হবে। জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য তাদের মূল্য দেওয়া উচিত।”
এদিন সাভারের আশুলিয়ার দারুল ইহসান মাদরাসা মাঠে এক সভায় ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তারেক রহমান এসব কথা বলেন।
এ সভাটি ‘নারকীয় জুলাই’ শীর্ষক অনুষ্ঠিত হয়েছিল, যেখানে বিএনপি জুলাই-আগস্ট গণ-অভ্যুত্থান, শোক ও বিজয়ের বর্ষপূর্তি পালন উপলক্ষে গণ-অভ্যুত্থানে শহীদ ছাত্র-শ্রমিক-জনতার পরিবারের সম্মানে আয়োজন করেছিল।
তারেক রহমান আরও বলেন,
“একজন নাগরিকের রাজনৈতিক ক্ষমতা প্রয়োগের অন্যতম প্রধান উপায় হচ্ছে নির্বাচন। বিএনপি বারবার অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনের দাবিতে অগ্রাধিকার দিয়েছে, যাতে জনগণ নিজের কথা নিজেই বলতে পারে।”
এদিকে তিনি আরও যোগ করেন,
“যতক্ষণ না অবাধ নির্বাচন হয়, ততক্ষণ পর্যন্ত গণতান্ত্রিক অধিকার নিশ্চিত করা সম্ভব নয়।”
তিনি উল্লেখ করেন,
স্থানীয় সরকার থেকে শুরু করে জাতীয় সরকার পর্যন্ত, জনগণ সরাসরি ভোটের মাধ্যমে নিজেদের পছন্দের প্রতিনিধি নির্বাচিত করলে, রাষ্ট্র ও সরকারে জনগণের ইচ্ছা প্রাধান্য পাবে।
তারেক রহমান বলেন,
“রাষ্ট্র ও রাজনীতির মূল ভিত্তি হচ্ছে জনগণ। জনগণকে দুর্বল রেখে রাষ্ট্র, রাজনীতি, সরকার কিংবা সংস্কার কোনো কিছুই শক্তিশালী ও টেকসই করা সম্ভব নয়।”
তিনি আরও বলেন,
“নাগরিকদের রাজনৈতিক ক্ষমতা প্রয়োগ ও চর্চার মধ্য দিয়ে রাষ্ট্র, রাজনীতি এবং জনগণ শক্তিশালী হয়ে ওঠে। আমরা বিশ্বাস করি, জনগণ যদি রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী হয়, তবে ভবিষ্যতে ফ্যাসিবাদ কায়েম করা সম্ভব হবে না।”
এদিন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থান প্রসঙ্গে তিনি বলেন,
“লাশের সঙ্গে যে বর্বরতা ও নির্মমতা চালানো হয়েছে তা কারবালার নৃশংসতাকেও হার মানিয়েছে। গণহত্যা চালানো হয়েছিল, বিশেষ করে সাভারের আশুলিয়ায় শ্রমিকদের ওপর।”
তিনি আরও বলেন,
“এদিন গণহত্যা চালানোর পর লাশগুলোকে পুড়িয়ে ফেলা হয়েছিল। এমন বর্বরতা, নির্মমতা কারবালার মতো ইতিহাসের স্মৃতিকে হার মানায়।”
তারেক রহমান আরও বলেন,
“শ্রমিকরা গণতান্ত্রিক অধিকার ফেরত পাওয়ার দাবিতে রাস্তায় নেমে এসেছিল। ফ্যাসিস্টরা যদি রাষ্ট্রক্ষমতায় থাকে, তখন গণতান্ত্রিক অধিকার ফিরিয়ে দেওয়া সম্ভব নয়।”
এছাড়া তিনি পোশাক শ্রমিক, দিনমজুর, ভ্যানচালক, রিকশাচালকদের আন্দোলনে নামার কারণ ব্যাখ্যা করেন,
“এই জনগণ শুধু তাদের অধিকার দাবি করার জন্য রাস্তায় নেমেছিল, কেননা তারা জানত, ফ্যাসিস্ট সরকার তাদের দাবি আদায় করতে দেবে না।”
সমাবেশে দলীয় মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন,
“শেখ হাসিনা ভারতে বসে বিভিন্ন অডিও বক্তব্যের মাধ্যমে আবারও দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করছেন। এ বিষয়ে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে।”
তিনি আরও বলেন,
“শেখ হাসিনা ও তার দোসরদের বিচার এখনও দৃশ্যমান হয়নি, রাষ্ট্রীয় সহযোগিতা এখনও অনেক হতাহতের পরিবার পায়নি।”
বিডিনিউজ২৪ – “তারেক রহমানের রাজনৈতিক বক্তব্য ও সমাবেশে মন্তব্য”
প্রথম আলো – “জুলাই গণ-অভ্যুত্থান এবং তারেক রহমানের ব্যাখ্যা”
ঢাকা পোস্ট – “তারেক রহমানের ফেসবুক পোস্ট এবং সমাবেশ প্রতিবেদন”
প্রতিবেদক:বিডিএস বুলবুল আহমেদ
আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: বাংলাদেশ প্রতিদিন
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |