১৭ বছর ধরে আওয়ামী লীগ ফ্যাসিস্ট-শাসনে পরিণত: রুহুল কবির রিজভীর সতর্কতা ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট"
প্রতিবেদক: BDS Bulbul Ahmed
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আলোকপাত করেছেন—যে যদি "সংস্কারের নামে সময় নষ্ট করা হয়", তবে তা ভয়ানক বিপদ এবং দেশজুড়ে মহাবিপদের পথ খুলে দিতে পারে। তিনি উল্লেখ করেন যে, ১/১১ সরকারের উদাহরণ আমাদের এখনও স্মরণে, যখন স্বৈরাচারী শাসকের উত্থান ঘটে এবং গণতন্ত্র হুমকির মুখে পড়ে। সেই পরিস্থিতির পুনরাবৃত্তি রুখতে আগামী ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে দলের সদস্যদের আহবান করেন রিজভী।
ইতিহাস:
১৯৪৯ সালে "East Pakistan Awami Muslim League" প্রতিষ্ঠা পায় রব গার্ডেনে; পরবর্তী সময় নাম পরিবর্তিত হয়ে হয় "Awami League"—সেকুলার, গণতান্ত্রিক আন্দোলনের এক শক্তিশালী ভিত্তি
১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন, ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে বিশাল জয়, ১৯৬৬ সালের 'ছয় দফা আন্দোলন' ও ১৯৭০ সালের নির্বাচনে জয়—সকলেই স্বাধীনতার পথ প্রশস্ত করে ।
১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ এবং ১৬ ডিসেম্বর বিজয়—আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে, স্বাধীন বাংলাদেশের জন্ম নিশ্চিত হয়।
স্বৈরাচার ও গণতান্ত্রিক পুনর্বাসন:
১৯৭৫ সালের পর একদলীয় শাসন, ১৯৯০ সালের গণঅভ্যুত্থান—যেখানে বিএনপি, আওয়ামী লীগ ও বামপন্থীরা এক হয়ে সবশেষ অভ্যুত্থান ঘটায়, যা গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনে
শেখ হাসিনা ১৯৯৬ থেকে ২০০১ ও ২০০৯–২০২৪ পর্যন্ত ক্ষমতায় ছিলেন, কিন্তু তার শাসনকালে গণতন্ত্র-সংবাদমাধ্যম–বাকস্বাধীনতায় উল্লেখযোগ্য চাপ দেখা গেছে
জনগণের প্রতিবাদ ও প্রশাসনের পতন:
২০২৪ সালের “জুলাই বিদ্রোহ”—যেখানে তরুণ ও ছাত্রসমাজ এবং সাধারণ জনগণ সোশ্যাল মিডিয়াতে এক হয়ে আন্দোলন বাড়ায়; পরবর্তীতে interim সরকার এবং সালিশি প্রক্রিয়া ক্ষমতায় আসে
২০২৫ সালের মে মাসে সেই প্রেক্ষাপটে রাজপক্ষ “আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ” দাবি করে—এই রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন মডেল আবির্ভুত হয়
রিজভীর বিবৃতির এবং ঐ সামাজিক-রাজনৈতিক বিশ্লেষণের আলোকে একটাই স্পষ্ট: বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে বারবার দেখেছি—বাধা এলে আন্দোলন, অবিচার হলে উত্তালতা, স্বৈরাচারে পতন, গণতন্ত্রে পুনরাবর্তন। রিজভীর কথা হলো একটি সতর্কতা: সত্যিকার অর্থে পরিবর্তন চাইলে, “সংস্কার নামের নাটক” পার হওয়া নয়—বাস্তব পদক্ষেপে, ঐক্য ও সময়োপযোগী নির্বাচনে অংশ নিয়ে গণতন্ত্রকে নির্মাণ করা।
প্রতিবেদক:বিডিএস বুলবুল আহমেদ
আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: বাংলাদেশ প্রতিদিন
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |