ঢাকা – দেশের সম্পদ লুটপাট ও বিদেশে পাচারের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি জানিয়েছেন, যাদের কারণে বাংলাদেশ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ পাচার হয়েছে, তাদের নাম-পরিচয় জাতির সামনে প্রকাশ করা হবে।
রোববার (১৭ আগস্ট) রাজধানীর রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান এবং এনবিআরের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সেল (সিআইসি) মহাপরিচালক আহসান হাবিবের সঙ্গে বৈঠক করেন প্রধান উপদেষ্টা। বৈঠকে তিনি সংশ্লিষ্ট সব সংস্থাকে জোটবদ্ধভাবে কাজ করার নির্দেশ দেন।
সিআইসির মহাপরিচালক আহসান হাবিব বৈঠকে জানান, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত পাঁচটি দেশের সাতটি শহরে অনুসন্ধান চালানো হয়েছে। অনুসন্ধানে বাংলাদেশ থেকে পাচারকৃত প্রায় ৪০ হাজার কোটি টাকার সম্পদ শনাক্ত হয়েছে।
বিস্তারিত তথ্য জানার পর প্রধান উপদেষ্টা বলেন, অর্থ পাচারের সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনতে হবে। এজন্য দুদক, সিআইসি, পুলিশের সিআইডি ও অন্যান্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে সমন্বিতভাবে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, “এমন নজির স্থাপন করতে হবে যাতে ভবিষ্যতে কেউ দেশের সম্পদ লুট করে বিদেশে সম্পদ গড়তে সাহস না পায়।”
বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ইতিহাসে বিদেশে সম্পদ পাচারের অভিযোগ নতুন নয়।
স্বাধীনতার পর (১৯৭২–১৯৭৫) সময়েও বৈদেশিক মুদ্রা পাচার নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।
১৯৯০ দশকে ব্যাংক লোন কেলেঙ্কারি ও মানি লন্ডারিং আন্তর্জাতিক মহলে আলোচিত হয়।
সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক রিপোর্টে দেখা গেছে, দেশে ক্ষমতার অপব্যবহার করে শত শত কোটি টাকা বিদেশে পাচার হয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রধান উপদেষ্টার এই উদ্যোগ সফল হলে দেশি-বিদেশি দুর্নীতিবাজদের জন্য এটি বড় সতর্কবার্তা হবে।
এনবিআর ব্রিফিং, রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনা, ১৭ আগস্ট ২০২৫
সিআইসি তদন্ত প্রতিবেদন, জানুয়ারি–আগস্ট ২০২৫
ফিনান্সিয়াল টাইমস ও ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের সাম্প্রতিক প্রতিবেদন
প্রতিবেদক:বিডিএস বুলবুল আহমেদ
আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: বাংলাদেশ প্রতিদিন
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |