নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা | ২১ আগস্ট ২০২৫
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান অভিযোগ করেছেন, আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে বিএনপির বিজয় ঠেকাতে নানা অপচেষ্টা চলছে। তিনি বলেন, অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ ভোট হলে জনগণ বিএনপিকেই রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব দেবে—এই ভয় থেকেই ষড়যন্ত্র হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার রাজধানীর রমনায় ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে জন্মাষ্টমী উপলক্ষে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় লন্ডন থেকে ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
তারেক রহমান বলেন, পলাতক স্বৈরশাসকের আমলেই “বিএনপির বিজয় ঠেকাও” নামে অন্তর্ঘাতী রাজনীতি শুরু হয়েছিল। তখন থেকে স্থানীয় নির্বাচন থেকে জাতীয় নির্বাচন—প্রায় সব জায়গাতেই ভোট ব্যবস্থাকে ধ্বংস করা হয়েছিল। আশ্চর্যের বিষয়, আজও কিছু রাজনৈতিক ব্যক্তি ও গোষ্ঠীর আচরণে একই প্রবণতা দেখা যাচ্ছে।
তিনি অভিযোগ করেন, বিএনপির বিজয় ঠেকাতে গিয়ে সেই স্বৈরাচারী সরকার দেশকে “তাবেদার রাষ্ট্রে” পরিণত করেছিল।
প্রস্তাবিত প্রোপোরশনাল রিপ্রেজেন্টেশন (পিআর) পদ্ধতি নিয়ে তিনি বলেন, বাংলাদেশের সামাজিক ও রাজনৈতিক বাস্তবতায় এখনো এই ব্যবস্থা উপযোগী নয়। জনগণকে অবশ্যই জানতে হবে কাকে তারা ভোট দিচ্ছে এবং কে তাদের প্রতিনিধি হবে। পিআর ব্যবস্থায় সে স্বচ্ছতা নেই।
তারেক রহমান সতর্ক করে বলেন, কিছু রাজনৈতিক দল পরিস্থিতি ঘোলাটে করার চেষ্টা করছে। এতে গণতন্ত্রের উত্তরণ ব্যাহত হবে এবং পরাজিত ফ্যাসিবাদী শক্তি সুযোগ নেবে।
তিনি আহ্বান জানান—দলগুলোর মধ্যে মতভেদ থাকতে পারে, তবে স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব, জাতীয় স্বার্থ এবং ফ্যাসিবাদ পুনর্বাসন ঠেকানোর মতো ইস্যুতে ঐকমত্য ও ঐক্যবদ্ধ থাকা জরুরি।
তারেক রহমান বলেন, অতীতে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর হামলার অধিকাংশই ধর্মীয় কারণে হয়নি, বরং রাজনৈতিক উদ্দেশ্য বা অবৈধ লাভের জন্য হয়েছে। রাষ্ট্রের দায়িত্ব হলো, যেন আর কোনো হামলা বা অবিচার না ঘটে।
অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, দেশে ‘একাত্তরকে ভুলিয়ে দেওয়ার ষড়যন্ত্র’ চলছে। এজন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশে উগ্রবাদ মাথাচাড়া দিয়ে উঠলে রাষ্ট্রের অস্তিত্ব হুমকির মুখে পড়বে।
অনুষ্ঠানে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আবদুল মঈন খান, এজেডএম জাহিদ হোসেন, নিতাই রায় চৌধুরীসহ কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিরাও এতে যোগ দেন।
প্রতিবেদক:বিডিএস বুলবুল আহমেদ
আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: বাংলাদেশ প্রতিদিন
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |