প্রতিবেদক: বিডিএস বুলবুল আহমেদ
স্থান: বরিশাল, মুলাদী | তারিখ: ৩ অক্টোবর ২০২৫
বরিশালের মুলাদী উপজেলায় জয়ন্তী নদী ভাঙন রোধে আয়োজিত মানববন্ধনে বক্তব্য দেন আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ। তিনি অভিযোগ করে বলেন, লুটপাটের সুযোগ থাকা প্রকল্পগুলো নিয়েই রাষ্ট্র, সরকার ও প্রশাসন ব্যস্ত থাকে, অথচ টেকসই উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে তাদের অনীহা রয়েছে।
তিনি বলেন, “সরকারকে নদী ভাঙন রোধে স্থায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে। জনগণের ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটে, কৃষকের পুনর্বাসন হয়—এমন প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে হবে। জিওব্যাগের পরিবর্তে ব্লক ফেলে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ জরুরি। স্থায়ী বাঁধ হলে মানুষ আতঙ্কে রাত কাটাতে হবে না, কৃষিজমি আর নদীতে বিলীন হবে না।”
চরকালেখান ইউনিয়নের ঢালীবাড়ি লঞ্চঘাট থেকে নোমরহাট রাস্তার মাথা পর্যন্ত প্রায় ৪ কিলোমিটারজুড়ে এই মানববন্ধনে অংশ নেন স্থানীয় বাসিন্দারা। আয়োজনে বক্তব্য দেন ইউনিয়ন চেয়ারম্যান মো. মিরাজুল ইসলাম সরদার, আহ্বায়ক প্রকৌশলী রাশেদুল ইসলাম, ইউপি সদস্য মো. রাশেদ খান, শিক্ষাবিদ ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ।
আয়োজক প্রকৌশলী রাশেদুল ইসলাম জানান, জয়ন্তী নদীর চরকালেখান এলাকায় প্রায় ৪ কিলোমিটার ভাঙন তৈরি হয়েছে। নব্বই শতাংশ ঘরবাড়ি ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পুনর্বাসিত হলেও বর্তমানে আবারও ঝুঁকির মুখে পড়েছে।
মানববন্ধনে বক্তারা জানান, মুলাদী উপজেলা থেকে সফিপুর, সেলিমপুর, বাটামারা ও নাজিরপুর ইউনিয়নের সংযোগ সড়ক নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। প্রায় ২ সহস্রাধিক পরিবার কৃষিজমি ও বসতবাড়ি হারিয়ে চরম কষ্টে দিনযাপন করছেন।
এছাড়া নদী ভাঙনের হুমকিতে রয়েছে—
চরকালেখান ইউনিয়ন পরিষদ ভবন
ইউনিয়ন স্বাস্থ্যকেন্দ্র
ইউনিয়ন ভূমি অফিস
কয়েকটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়
নোমরহাট ও গলইভাঙা বাজার
স্থানীয়দের দাবি, এসব গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা রক্ষায় অবিলম্বে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ প্রয়োজন।
প্রতিবেদক:বিডিএস বুলবুল আহমেদ
আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: বাংলাদেশ প্রতিদিন
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |