প্রকাশের তারিখ: ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৫
হিউম্যান রাইটস ওয়াচ (এইচআরডব্লিউ) বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে যে, আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো যেন তাদের কর্মকাণ্ডে নিরপেক্ষতা বজায় রাখে এবং রাজনৈতিক সহিংসতার বিচারে আইনের শাসনের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করে।
২০২৪ সালের আগস্টে আন্দোলনের মুখে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার ক্ষমতাচ্যুত হয়। ওই সময় আন্দোলন দমনে পুলিশ, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব), গোয়েন্দা সংস্থাসহ আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনে জড়িয়ে পড়ে। জাতিসংঘের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ১ জুলাই থেকে ১৫ আগস্ট পর্যন্ত প্রায় ১,৪০০ জন নিহত হন, যাদের বেশিরভাগই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর গুলিতে প্রাণ হারান।
নোবেলজয়ী অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার নিরাপত্তা খাতের সংস্কারের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। তবে, 'অপারেশন ডেভিল হান্ট' নামে একটি অভিযানে সেনাবাহিনীসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী প্রায় ২,০০০ মানুষকে গ্রেপ্তার করেছে, যাদের বেশিরভাগই আওয়ামী লীগের সমর্থক।
এইচআরডব্লিউর এশিয়া অঞ্চলের উপপরিচালক মীনাক্ষী গাঙ্গুলি বলেন, "আওয়ামী লীগ সরকারের দেড় দশকের নিপীড়নের পর বাংলাদেশ রাজনৈতিকভাবে বিভক্ত হয়ে পড়েছে। তবে কর্তৃপক্ষগুলোকে অতীতের ভুলের পুনরাবৃত্তি করা উচিত হবে না। তার বদলে নিরপেক্ষতার সঙ্গে আইনের শাসন নিশ্চিত করতে হবে।"
সংস্থাটি আরও বলেছে, শান্তিপূর্ণ সমাবেশ ও বিক্ষোভের অধিকারকে স্বীকৃতি দিতে হবে এবং আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলোর নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে হবে।
জাতিসংঘের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, বাংলাদেশে আন্দোলন দমনে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, নির্বিচার গুলি, গণগ্রেপ্তার ও নির্যাতনের মতো মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটেছে। এই পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক মহল থেকে আইনের শাসন ও মানবাধিকার রক্ষার জন্য জোরালো আহ্বান জানানো হচ্ছে।
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |