🇧🇩 শফিকুল আলম: "কারখানা বন্ধ হওয়া দেশের জন্য খারাপ কিছু নয়, রপ্তানি বাড়ছে"
🖋 প্রতিবেদক:
বিডিএস বুলবুল আহমেদ
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম জামান অভিযোগের জবাবে বলেছেন, "কারখানা বন্ধ হওয়া দেশের জন্য খারাপ কিছু নয়, যতক্ষণ না রপ্তানি পরিসংখ্যান বাড়ছে।" তিনি আরও বলেন, কমপ্লায়েন্স ইস্যু, দুর্বল ব্যবস্থাপনা, অদক্ষতা এবং ঋণের ভারে কিছু গার্মেন্টস কারখানা বন্ধ হয়ে যাওয়াটা একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া।
শফিকুল আলম তার ফেসবুক পোস্টে বলেন, "১৯৯০ ও ২০০০-এর দশকের শুরুতে বাংলাদেশে প্রায় পাঁচ হাজার গার্মেন্টস কারখানা ছিল, তবে আজ আমাদের গার্মেন্টস রপ্তানি ১৯৯০-এর শেষের তুলনায় চার থেকে পাঁচ গুণ বেশি।" তিনি আরও উল্লেখ করেন, "১৯৯১ সালে বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো এক বিলিয়ন ডলারের রপ্তানি পার করেছিল, আজ বড় বড় গ্রুপ যেমন ইয়াংওয়ান বা হা-মীম গ্রুপ এক বিলিয়ন ডলারের বেশি রপ্তানি করবে।"
শফিকুল আলম জানান, গত ২৫ বছরে প্রায় ৩,০০০ গার্মেন্টস কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে। এর মধ্যে কিছু কারখানা কমপ্লায়েন্স সমস্যায়, কিছু দুর্বল ব্যবস্থাপনা এবং অদক্ষতার কারণে বন্ধ হয়েছে, আবার কিছু কারখানা ঋণ পরিশোধ না করতে পেরে বন্ধ হয়ে গেছে।
তিনি বলেন, "কিন্তু যতক্ষণ পর্যন্ত রপ্তানির পরিসংখ্যান বাড়ছে, ততক্ষণ নন-কমপ্লায়েন্ট কারখানা বন্ধ হয়ে যাওয়াটা দেশের জন্য খারাপ কিছু নয়। আমাদের অনিরাপদ বা পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর কারখানার দরকার নেই।"
শফিকুল আলম বিজিএমইএ এবং কিছু সাংবাদিককে একহাত নিয়ে বলেন, "আজকাল বিজিএমইএ-এর প্রেস রিলিজগুলো পড়লে মনে হবে, প্রতিটি কারখানা বন্ধ হওয়া সরকারের ব্যর্থতা, যেন কর্তৃপক্ষ তাদের 'বাঁচাতে' না পারার জন্য দায়ী।" তিনি আরও বলেন, "বিজিএমইএ-এর কিছু পদলেহী সাংবাদিক এবং তথাকথিত 'বাম-অন' কমিউনিস্টরা এমনকি বন্ধ হওয়া কারখানাগুলোর শ্রমিকদের খোঁজ নেন না, যারা নতুন, বড় এবং ভালোভাবে পরিচালিত প্ল্যান্টগুলোতে কাজ খুঁজে পেয়েছেন।"
তিনি আরও বলেন, "২০০০-এর দশকের শুরুতে বাংলাদেশে প্রায় ৩ মিলিয়ন গার্মেন্টস শ্রমিক ছিল, আর এখন সেই সংখ্যা প্রায় ৪.৫ মিলিয়ন।" শফিকুল আলম বলছেন, "প্রতিটি শ্রমিক এখন আরও ভালো সুযোগ-সুবিধা এবং উন্নত পরিবেশে কাজ করছে, এবং দেশটির শিল্পের পতন তো দূরের কথা, উন্নতি হচ্ছে।"
সাংবাদিকের নাম: বিডিএস বুলবুল
আহমেদ
আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: বাংলাদেশ প্রতিদিন
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |