| বঙ্গাব্দ

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে এসআই আবজালুল হকের জেরায় প্রসিকিউশন ও ডিফেন্সের মধ্যে তর্কবিতর্ক

রিপোর্টারের নামঃ BDS Bulbul Ahmed
  • আপডেট টাইম : 20-11-2025 ইং
  • 2518883 বার পঠিত
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে এসআই আবজালুল হকের জেরায় প্রসিকিউশন ও ডিফেন্সের মধ্যে তর্কবিতর্ক
ছবির ক্যাপশন: আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল

"আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে উত্তেজনা: এসআই আবজালুল হকের জেরার সময় প্রসিকিউশন ও ডিফেন্সের মধ্যে তর্কবিতর্ক"

প্রতিবেদক: বিডিএস বুলবুল আহমেদ


জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় আশুলিয়ায় লাশ পোড়ানোর মামলায় রাজসাক্ষী এসআই শেখ আবজালুল হকের জেরা ঘিরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। জেরার একটি প্রশ্নকে কেন্দ্র করে প্রসিকিউশন এবং স্টেট ডিফেন্সের আইনজীবীদের মধ্যে প্রায় এক ঘণ্টা তর্কবিতর্ক চলে।

বৃহস্পতিবার (২০ নভেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ট্রাইব্যুনাল-২-এর সদস্য, অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. মঞ্জুরুল বাছিদের নেতৃত্বে দুই সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এই ঘটনা ঘটে।

এদিন, রাজসাক্ষী আবজালুল হকের জেরা শুরু হয় সকাল সাড়ে ১০টার পর। জেরার সময়, আসামিপক্ষের আইনজীবী মিজানুর রহমান আবজালুল হককে জিজ্ঞেস করেন, “গত বছরের ৫ আগস্ট থানার কোনো পুলিশ সদস্য নিহত হয়েছিলেন কিনা?” এই প্রশ্নের উত্তরে আবজালুল বলেন, “না, তবে একজন মারা গেছেন, তিনি অন্য ইউনিটের ছিলেন এবং তার মৃত্যুর ঘটনায় আমি তদন্তে যুক্ত ছিলাম, যদিও তদন্ত শেষ করতে পারিনি।”

এ প্রশ্নে সঙ্গে সঙ্গেই প্রসিকিউশন আপত্তি তোলে, তাদের দাবি ছিল যে, এই প্রশ্নের সঙ্গে মামলার কোনো প্রাসঙ্গিকতা নেই। এরপর, প্রায় এক ঘণ্টা তর্কবিতর্ক চলে প্রসিকিউশন ও ডিফেন্সের মধ্যে। অবশেষে ট্রাইব্যুনালের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি শান্ত হয়।

এর আগে, গত ৫ আগস্ট আশুলিয়ায় ছয় লাশ পোড়ানোসহ সাতজনকে হত্যার অভিযোগে সাবেক এমপি সাইফুল ইসলামসহ ১৬ আসামির বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেওয়ার সময় এই উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।

এ মামলায় গ্রেফতার হওয়া আটজন আসামির মধ্যে ঢাকা জেলার সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. আব্দুল্লাহিল কাফী, সাবেক অতিরিক্ত সুপার (সাভার সার্কেল) মো. শাহিদুল ইসলাম, পরিদর্শক আরাফাত হোসেন, এসআই মালেক, এসআই আরাফাত উদ্দিন, এএসআই কামরুল হাসান, আবজাল এবং কনস্টেবল মুকুল রয়েছেন। সাবেক এমপি সাইফুল ইসলামসহ আরও আটজন এখনও পলাতক।

গুগল বিশ্লেষণ:

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে এসআই শেখ আবজালুল হকের জেরার সময় যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে তা মামলার দৃষ্টিকোণ থেকে গুরুত্বপূর্ণ। প্রসিকিউশন এবং ডিফেন্সের মধ্যে তর্কবিতর্ক, বিশেষ করে প্রাসঙ্গিকতার বিষয়টি নিয়ে বিভ্রান্তি এবং তার পরবর্তী বিচারিক হস্তক্ষেপ বিষয়টির গুরুত্ব তুলে ধরে। এই ধরনের উত্তেজনা মামলার প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করতে পারে এবং তা ট্রাইব্যুনালের কার্যক্রমে এক নতুন স্তরের গভীরতা যোগ করতে পারে।

সূত্র:

  1. আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সংবাদ, ২০ নভেম্বর ২০২৫

  2. আশুলিয়া লাশ পোড়ানো মামলার তথ্য

  3. ডেইলি যুগান্তর রিপোর্ট

    প্রতিবেদক:বিডিএস বুলবুল আহমেদ
    আরও খবর জানতে ভিজিট করুনবাংলাদেশ প্রতিদিন

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
নামাজের সময়সূচী
জাতীয় সঙ্গীত
©সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ বাংলাদেশ প্রতিদিন সত্যের সন্ধানে সব সময় | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় BDS Digital Marketing Agency