| বঙ্গাব্দ

বিশ্বজুড়ে শুরু হলো পবিত্র মাহে রমজান, মুসলিমরা পালন করছেন রোজা

রিপোর্টারের নামঃ BDS Bulbul Ahmed
  • আপডেট টাইম : 02-03-2025 ইং
  • 9159911 বার পঠিত
বিশ্বজুড়ে শুরু হলো পবিত্র মাহে রমজান, মুসলিমরা পালন করছেন রোজা
ছবির ক্যাপশন: বিশ্বজুড়ে শুরু হলো পবিত্র মাহে রমজান

ফটো স্টোরি: বিশ্বজুড়ে মুসলিমদের রমজান পালনের মুহূর্ত

বিশ্বজুড়ে পালিত হচ্ছে পবিত্র মাহে রমজান, ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভের অন্যতম। ইসলামিক ক্যালেন্ডারের নবম মাস রমজান, যা মুসলিমদের জন্য আত্মশুদ্ধি, প্রার্থনা, এবং রোজা রাখার মাস হিসেবে পরিচিত। এই মাসটি অত্যন্ত পবিত্র, কারণ এ মাসেই নবী মুহাম্মদ (সা.) পবিত্র কোরআনের প্রথম ওহী লাভ করেছিলেন। এছাড়াও, রমজান মাসে এমন একটি রাত রয়েছে, যেটি আল্লাহর কাছ থেকে হাজার মাসের চেয়েও উত্তম হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে, আর তা হলো লায়লাতুল কদর।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে রয়েছে রমজান পালনের ভিন্নধর্মী ঐতিহ্য। সেহরি ও ইফতারের খাবারের আয়োজনে ভিন্নতা দেখা যায়। মিষ্টান্ন থেকে শুরু করে ভাজাপোড়া, তাজা ফল, ও বিভিন্ন ধরনের স্যুপ ইত্যাদি দেশভেদে ভিন্ন রকম হতে পারে। সেইসাথে, রোজা রাখার সময়কাল, ইফতারের সময়, সেহরি খাওয়ার সময় এসব বিষয়েও প্রতিটি দেশের নিজস্ব রীতি রয়েছে।

ইতোমধ্যে, আলজেরিয়া, মিশর, জর্ডান, লিবিয়া, সুদান এবং তিউনিসিয়া স্থানীয় সময় শনিবার (১ মার্চ) থেকে রমজান শুরু হওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। এসব দেশে মুসলিমরা প্রথম দিন রোজা পালন শুরু করেছে এবং তাদের ঐতিহ্য অনুযায়ী সেহরি ও ইফতারির আয়োজন করা হয়েছে।

বিশ্বের অন্যতম মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ ফিলিস্তিনের যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজা এবং অধিকৃত পশ্চিম তীরেও রমজান শুরু হয়েছে। ফিলিস্তিনের মুসলিমরা সৌদি আরবের সঙ্গে একই দিনে রোজা শুরু করেছেন। এই সময়ে তাদের রোজা পালন, প্রার্থনা এবং ইবাদত তাদের জন্য আরও বেশি অর্থবহ হয়ে ওঠে, বিশেষ করে সেখানে চলমান সংকটের মধ্যে।

এছাড়াও, লেবাননের সুন্নি মুসলমানরা রমজান শুরু করেছেন শনিবার থেকেই। তারা সেহরি খেয়ে রোজা শুরু করেন এবং সারা দিন ধরে দোয়া ও ইবাদত করতেন।

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায়, বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ ইন্দোনেশিয়ায় শনিবার থেকেই রমজান মাস শুরু হয়েছে। সেখানে মুসলিমরা সেহরি খেয়ে রোজা পালন শুরু করেছেন এবং রোজা রাখার পর সঠিক সময়ে ইফতার করার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

অন্যদিকে, মালয়েশিয়া, ব্রুনাই এবং ফিলিপাইনের মতো প্রতিবেশী দেশগুলোতে রোববার থেকে পবিত্র রমজান মাস শুরু হয়েছে। এসব দেশেও মুসলিমরা ঐতিহ্যবাহী সেহরি ও ইফতার আয়োজন করছেন এবং আল্লাহর কাছ থেকে রহমত ও মাগফিরাত প্রার্থনা করছেন।

পৃথিবীজুড়ে মুসলিমরা এই পবিত্র মাসে রোজা রাখছেন, যা শুধু খাওয়ার ও পানীয় বর্জন করার বিষয় নয়, বরং আত্মশুদ্ধি এবং নৈতিক উন্নতির প্রক্রিয়া। সেহরি থেকে শুরু করে ইফতার, রমজান মাসের প্রতিটি মুহূর্ত মুসলিমদের জীবনে এক নতুন আধ্যাত্মিক দিক উন্মোচন করে।

এছাড়া, রমজান মাসে দান-খয়রাতের গুরুত্বও বেড়ে যায়। পৃথিবীজুড়ে মুসলিমরা তাদের অসহায় ও দুঃস্থ ভাইবোনদের সাহায্য করতে, খাবার বিতরণ করতে, এবং পণ্য ও অর্থ দিয়ে দান করতে এগিয়ে আসে। রমজান মুসলিমদের একত্রিত হতে, একে অপরের পাশে দাঁড়াতে এবং পৃথিবীজুড়ে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য একটি মহান সুযোগ।

তবে, রমজান মাস শুধুমাত্র রোজা রাখার মাসই নয়, এটি একটি সময়, যখন মুসলিমরা নিজেদের আত্মবিশ্লেষণ করে, পাপ থেকে পরিত্রাণ পেতে আল্লাহর কাছে ক্ষমা চায় এবং তার আদেশ ও নীতির প্রতি আরও নিবেদিত হতে চেষ্টা করে।

এভাবে, পৃথিবীর প্রতিটি কোণায়, নানা ধর্মীয় ঐতিহ্য এবং নিয়মের সঙ্গে মুসলিমরা রমজান মাস পালন করছে এবং একে অপরকে সাহায্য করার মাধ্যমে মুসলিম উম্মাহর ঐক্য আরো দৃঢ় করছে।

আরও পড়ুন

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
খবর রোনাম: মধ্যপ্রাচ্যের তীব্র উত্তেজনা ও ইরান সংকট সত্ত্বেও বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম ১০০ ডলারের নিচে: নেপথ্যের বাজার বিশ্লেষণমেটা ডিসক্রিপশন: মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধাবস্থা ও ইরান সংকট সত্ত্বেও বৈশ্বিক বাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম ব্যারেলে ১০০ ডলারের নিচে অবস্থান করছে। অর্থনৈতিক মন্দা ও উৎপাদন বৃদ্ধির নানা কারণ বিশ্লেষণ।অনলাইন ডেস্কমধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান সামরিক সংঘাত এবং ইরান কেন্দ্রিক চরম ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা সত্ত্বেও আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে প্রতি ব্যারেল অপরিশোধিত তেলের দাম মনস্তাত্ত্বিক ১০০ ডলারের নিচেই স্থিতিশীল রয়েছে। চলতি সপ্তাহে লন্ডনের ব্রেন্ট ক্রুড এবং মার্কিন টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (WTI)—উভয় মানদণ্ডেই তেলের দর প্রত্যাশার চেয়ে কম সূচকে কেনাবেচা হতে দেখা গেছে। আন্তর্জাতিক জ্বালানি বিশ্লেষকদের মতে, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দার আশঙ্কা, চাহিদার তুলনায় সরবরাহ বৃদ্ধি এবং প্রধান প্রধান অর্থনৈতিক পরাশক্তিগুলোতে জ্বালানি ব্যবহারের শ্লথগতির কারণে সরবরাহ শৃঙ্খলে বড় ধরনের ব্যাঘাত ঘটা সত্ত্বেও বাজারে তেলের দাম লাগামহীন হতে পারেনি।তেলের দাম না বাড়ার প্রধান অনুঘটকসমূহমধ্যপ্রাচ্যের স্পর্শকাতর পরিস্থিতির পরও আন্তর্জাতিক কমোডিটি এক্সচেঞ্জে তেলের দর প্রত্যাশার চেয়ে নিয়ন্ত্রণে থাকার পেছনে বিশ্ব অর্থনীতির কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ামক কাজ করছে।চীন ও ইউরোপের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গতি শ্লথ হওয়ায় জ্বালানি তেলের বিশ্বব্যাপী সার্বিক ব্যবহার আগের চেয়ে কমেছে। পাশাপাশি, ওপেক প্লাস (OPEC+) জোটের বাইরে থাকা দেশগুলোর অব্যাহত অতিরিক্ত উৎপাদন বাজারে চাহিদার ঘাটতি তৈরি হতে দেয়নি।দর নিয়ন্ত্রণে থাকার মূল কারণসমূহজ্বালানি বাজার বিশেষজ্ঞদের মতে, দর ব্যারেলে ১০০ ডলারের নিচে থাকার নেপথ্যে যেসব প্রধান কারণ রয়েছে:যুক্তরাষ্ট্র ও অপেক-বহির্ভূত দেশের উৎপাদন: যুক্তরাষ্ট্র, ব্রাজিল ও গায়ানার মতো দেশগুলোতে তেলের রেকর্ড পরিমাণ উৎপাদন বাজারের ভারসাম্য রক্ষা করছে।চীনের বাণিজ্যিক মন্দা: বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ তেল আমদানিকারক দেশ চীনে শিল্প উৎপাদন ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি প্রত্যাশার চেয়ে ধীরগতির হওয়ায় চাহিদায় ঘাটতি।মার্কিন সুদের হার ও সুদের প্রভাব: উচ্চ সুদের হারের কারণে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক মন্দার প্রভাব এবং অর্থনৈতিক স্থবিরতা তেলের দামে অতিরিক্ত চাপ তৈরিতে বাধা সৃষ্টি করেছে।এক নজরে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজার পরিস্থিতিবিষয়বিবরণবাজার স্থিতিপ্রতি ব্যারেল তেলের দাম ১০০ ডলারের নিচেউত্তেজনার অঞ্চলমধ্যপ্রা

রোনাম: মধ্যপ্রাচ্যের তীব্র উত্তেজনা ও ইরান সংকট সত্ত্বেও বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম ১০০ ডলারের নিচে: নেপথ্যের বাজার বিশ্লেষণমেটা ডিসক্রিপশন: মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধাবস্থা ও ইরান সংকট সত্ত্বেও বৈশ্বিক বাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম ব্যারেলে ১০০ ডলারের নিচে অবস্থান করছে। অর্থনৈতিক মন্দা ও উৎপাদন বৃদ্ধির নানা কারণ বিশ্লেষণ।অনলাইন ডেস্কমধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান সামরিক সংঘাত এবং ইরান কেন্দ্রিক চরম ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা সত্ত্বেও আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে প্রতি ব্যারেল অপরিশোধিত তেলের দাম মনস্তাত্ত্বিক ১০০ ডলারের নিচেই স্থিতিশীল রয়েছে। চলতি সপ্তাহে লন্ডনের ব্রেন্ট ক্রুড এবং মার্কিন টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (WTI)—উভয় মানদণ্ডেই তেলের দর প্রত্যাশার চেয়ে কম সূচকে কেনাবেচা হতে দেখা গেছে। আন্তর্জাতিক জ্বালানি বিশ্লেষকদের মতে, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দার আশঙ্কা, চাহিদার তুলনায় সরবরাহ বৃদ্ধি এবং প্রধান প্রধান অর্থনৈতিক পরাশক্তিগুলোতে জ্বালানি ব্যবহারের শ্লথগতির কারণে সরবরাহ শৃঙ্খলে বড় ধরনের ব্যাঘাত ঘটা সত্ত্বেও বাজারে তেলের দাম লাগামহীন হতে পারেনি।তেলের দাম না বাড়ার প্রধান অনুঘটকসমূহমধ্যপ্রাচ্যের স্পর্শকাতর পরিস্থিতির পরও আন্তর্জাতিক কমোডিটি এক্সচেঞ্জে তেলের দর প্রত্যাশার চেয়ে নিয়ন্ত্রণে থাকার পেছনে বিশ্ব অর্থনীতির কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ামক কাজ করছে।চীন ও ইউরোপের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গতি শ্লথ হওয়ায় জ্বালানি তেলের বিশ্বব্যাপী সার্বিক ব্যবহার আগের চেয়ে কমেছে। পাশাপাশি, ওপেক প্লাস (OPEC+) জোটের বাইরে থাকা দেশগুলোর অব্যাহত অতিরিক্ত উৎপাদন বাজারে চাহিদার ঘাটতি তৈরি হতে দেয়নি।দর নিয়ন্ত্রণে থাকার মূল কারণসমূহজ্বালানি বাজার বিশেষজ্ঞদের মতে, দর ব্যারেলে ১০০ ডলারের নিচে থাকার নেপথ্যে যেসব প্রধান কারণ রয়েছে:যুক্তরাষ্ট্র ও অপেক-বহির্ভূত দেশের উৎপাদন: যুক্তরাষ্ট্র, ব্রাজিল ও গায়ানার মতো দেশগুলোতে তেলের রেকর্ড পরিমাণ উৎপাদন বাজারের ভারসাম্য রক্ষা করছে।চীনের বাণিজ্যিক মন্দা: বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ তেল আমদানিকারক দেশ চীনে শিল্প উৎপাদন ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি প্রত্যাশার চেয়ে ধীরগতির হওয়ায় চাহিদায় ঘাটতি।মার্কিন সুদের হার ও সুদের প্রভাব: উচ্চ সুদের হারের কারণে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক মন্দার প্রভাব এবং অর্থনৈতিক স্থবিরতা তেলের দামে অতিরিক্ত চাপ তৈরিতে বাধা সৃষ্টি করেছে।এক নজরে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজার পরিস্থিতিবিষয়বিবরণবাজার স্থিতিপ্রতি ব্যারেল তেলের দাম ১০০ ডলারের নিচেউত্তেজনার অঞ্চলমধ্যপ্রা

ফেসবুকে আমরা...
নামাজের সময়সূচী
জাতীয় সঙ্গীত
©সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ বাংলাদেশ প্রতিদিন সত্যের সন্ধানে সব সময় | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় BDS Digital Marketing Agency