| বঙ্গাব্দ

এনসিপির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী পর্ষদে আব্দুল্লাহ আল আমিন ও আতিক মুজাহিদ

রিপোর্টারের নামঃ BDS Bulbul Ahmed
  • আপডেট টাইম : 22-04-2026 ইং
  • 4059925 বার পঠিত
এনসিপির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী পর্ষদে আব্দুল্লাহ আল আমিন ও আতিক মুজাহিদ
ছবির ক্যাপশন: আব্দুল্লাহ আল আমিন ও আতিক মুজাহিদ

এনসিপির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী পর্ষদে দুই এমপি: সদস্য সংখ্যা বেড়ে ১২

রাজনৈতিক প্রতিবেদক: [BDS Bulbul Ahmed]

তারিখ: ২২ এপ্রিল ২০২৬

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম ‘রাজনৈতিক পর্ষদ’ (পলিটিক্যাল কাউন্সিল–পিসি)-এ অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন দলটির দুই হেভিওয়েট সংসদ সদস্য। বুধবার (২২ এপ্রিল) দলের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।

১. নতুন দুই সদস্যের পরিচিতি

এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম ও সদস্য সচিব আখতার হোসেনের অনুমোদনক্রমে যে দুইজনকে পর্ষদে যুক্ত করা হয়েছে তারা হলেন:

  • ড. আতিক মুজাহিদ: দলের যুগ্ম আহ্বায়ক এবং কুড়িগ্রাম-২ আসনের সংসদ সদস্য।

  • অ্যাডভোকেট আব্দুল্লাহ আল আমিন: দলের যুগ্ম সদস্য সচিব, নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য এবং দলের শৃঙ্খলা কমিটির প্রধান।

২. ১২ সদস্যের ‘পলিটিক্যাল কাউন্সিল’

নতুন এই দুই সদস্য যুক্ত হওয়ায় এনসিপির নীতিনির্ধারণী পর্ষদের সদস্য সংখ্যা এখন ১২ জনে উন্নীত হলো। দলটির রাজনৈতিক গতিপথ ও গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণের দায়িত্বে এখন যারা থাকছেন: ১. নাহিদ ইসলাম (আহ্বায়ক)

২. আখতার হোসেন (সদস্য সচিব)

৩. সারজিস আলম (মুখ্য সংগঠক, উত্তরাঞ্চল)

৪. হাসনাত আব্দুল্লাহ (মুখ্য সংগঠক, দক্ষিণাঞ্চল)

৫. আসিফ মাহমুদ সজীব ভুইয়া (মুখপাত্র)

৬. নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী (মুখ্য সমন্বয়ক)

৭. সামান্তা শারমিন (জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক)

৮. আরিফুল ইসলাম আদীব (জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক)

৯. নাহিদা সারওয়ার নিভা (জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্য সচিব)

১০. আবদুল হান্নান মাসউদ (জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক)

১১. ড. আতিক মুজাহিদ (যুগ্ম আহ্বায়ক ও এমপি)

১২. অ্যাডভোকেট আব্দুল্লাহ আল আমিন (যুগ্ম সদস্য সচিব ও এমপি)

৩. সাংগঠনিক গুরুত্ব

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সংসদ সদস্যদের সরাসরি নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে নিয়ে আসার মাধ্যমে এনসিপি তাদের সংসদীয় কার্যক্রম ও দলীয় আদর্শের মধ্যে এক নিবিড় সেতুবন্ধন তৈরি করতে চাইছে। বিশেষ করে আব্দুল্লাহ আল আমিন শৃঙ্খলা কমিটির প্রধান হওয়ায় দলের অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা ও নৈতিকতা রক্ষায় পর্ষদ আরও শক্তিশালী ভূমিকা রাখতে পারবে।


বিডিএস পর্যবেক্ষণ (Editorial Insight): এনসিপি যেভাবে তাদের সাংগঠনিক কাঠামো গুছিয়ে আনছে, তা ত্রয়োদশ সংসদের রাজনীতিতে তাদের প্রভাবকে আরও সুসংহত করবে। তরুণ ও শিক্ষিত নেতৃত্বের এই পর্ষদ আগামী দিনে দেশের নীতিনির্ধারণে কতটা দূরদর্শিতা দেখাতে পারে, সেটিই এখন দেখার বিষয়।

প্রতিবেদক:বিডিএস বুলবুল আহমেদ
আরও খবর জানতে ভিজিট করুনবাংলাদেশ প্রতিদিন

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
তাজা রোনাম: মধ্যপ্রাচ্যের তীব্র উত্তেজনা ও ইরান সংকট সত্ত্বেও বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম ১০০ ডলারের নিচে: নেপথ্যের বাজার বিশ্লেষণমেটা ডিসক্রিপশন: মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধাবস্থা ও ইরান সংকট সত্ত্বেও বৈশ্বিক বাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম ব্যারেলে ১০০ ডলারের নিচে অবস্থান করছে। অর্থনৈতিক মন্দা ও উৎপাদন বৃদ্ধির নানা কারণ বিশ্লেষণ।অনলাইন ডেস্কমধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান সামরিক সংঘাত এবং ইরান কেন্দ্রিক চরম ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা সত্ত্বেও আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে প্রতি ব্যারেল অপরিশোধিত তেলের দাম মনস্তাত্ত্বিক ১০০ ডলারের নিচেই স্থিতিশীল রয়েছে। চলতি সপ্তাহে লন্ডনের ব্রেন্ট ক্রুড এবং মার্কিন টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (WTI)—উভয় মানদণ্ডেই তেলের দর প্রত্যাশার চেয়ে কম সূচকে কেনাবেচা হতে দেখা গেছে। আন্তর্জাতিক জ্বালানি বিশ্লেষকদের মতে, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দার আশঙ্কা, চাহিদার তুলনায় সরবরাহ বৃদ্ধি এবং প্রধান প্রধান অর্থনৈতিক পরাশক্তিগুলোতে জ্বালানি ব্যবহারের শ্লথগতির কারণে সরবরাহ শৃঙ্খলে বড় ধরনের ব্যাঘাত ঘটা সত্ত্বেও বাজারে তেলের দাম লাগামহীন হতে পারেনি।তেলের দাম না বাড়ার প্রধান অনুঘটকসমূহমধ্যপ্রাচ্যের স্পর্শকাতর পরিস্থিতির পরও আন্তর্জাতিক কমোডিটি এক্সচেঞ্জে তেলের দর প্রত্যাশার চেয়ে নিয়ন্ত্রণে থাকার পেছনে বিশ্ব অর্থনীতির কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ামক কাজ করছে।চীন ও ইউরোপের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গতি শ্লথ হওয়ায় জ্বালানি তেলের বিশ্বব্যাপী সার্বিক ব্যবহার আগের চেয়ে কমেছে। পাশাপাশি, ওপেক প্লাস (OPEC+) জোটের বাইরে থাকা দেশগুলোর অব্যাহত অতিরিক্ত উৎপাদন বাজারে চাহিদার ঘাটতি তৈরি হতে দেয়নি।দর নিয়ন্ত্রণে থাকার মূল কারণসমূহজ্বালানি বাজার বিশেষজ্ঞদের মতে, দর ব্যারেলে ১০০ ডলারের নিচে থাকার নেপথ্যে যেসব প্রধান কারণ রয়েছে:যুক্তরাষ্ট্র ও অপেক-বহির্ভূত দেশের উৎপাদন: যুক্তরাষ্ট্র, ব্রাজিল ও গায়ানার মতো দেশগুলোতে তেলের রেকর্ড পরিমাণ উৎপাদন বাজারের ভারসাম্য রক্ষা করছে।চীনের বাণিজ্যিক মন্দা: বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ তেল আমদানিকারক দেশ চীনে শিল্প উৎপাদন ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি প্রত্যাশার চেয়ে ধীরগতির হওয়ায় চাহিদায় ঘাটতি।মার্কিন সুদের হার ও সুদের প্রভাব: উচ্চ সুদের হারের কারণে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক মন্দার প্রভাব এবং অর্থনৈতিক স্থবিরতা তেলের দামে অতিরিক্ত চাপ তৈরিতে বাধা সৃষ্টি করেছে।এক নজরে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজার পরিস্থিতিবিষয়বিবরণবাজার স্থিতিপ্রতি ব্যারেল তেলের দাম ১০০ ডলারের নিচেউত্তেজনার অঞ্চলমধ্যপ্রা

রোনাম: মধ্যপ্রাচ্যের তীব্র উত্তেজনা ও ইরান সংকট সত্ত্বেও বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম ১০০ ডলারের নিচে: নেপথ্যের বাজার বিশ্লেষণমেটা ডিসক্রিপশন: মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধাবস্থা ও ইরান সংকট সত্ত্বেও বৈশ্বিক বাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম ব্যারেলে ১০০ ডলারের নিচে অবস্থান করছে। অর্থনৈতিক মন্দা ও উৎপাদন বৃদ্ধির নানা কারণ বিশ্লেষণ।অনলাইন ডেস্কমধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান সামরিক সংঘাত এবং ইরান কেন্দ্রিক চরম ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা সত্ত্বেও আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে প্রতি ব্যারেল অপরিশোধিত তেলের দাম মনস্তাত্ত্বিক ১০০ ডলারের নিচেই স্থিতিশীল রয়েছে। চলতি সপ্তাহে লন্ডনের ব্রেন্ট ক্রুড এবং মার্কিন টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (WTI)—উভয় মানদণ্ডেই তেলের দর প্রত্যাশার চেয়ে কম সূচকে কেনাবেচা হতে দেখা গেছে। আন্তর্জাতিক জ্বালানি বিশ্লেষকদের মতে, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দার আশঙ্কা, চাহিদার তুলনায় সরবরাহ বৃদ্ধি এবং প্রধান প্রধান অর্থনৈতিক পরাশক্তিগুলোতে জ্বালানি ব্যবহারের শ্লথগতির কারণে সরবরাহ শৃঙ্খলে বড় ধরনের ব্যাঘাত ঘটা সত্ত্বেও বাজারে তেলের দাম লাগামহীন হতে পারেনি।তেলের দাম না বাড়ার প্রধান অনুঘটকসমূহমধ্যপ্রাচ্যের স্পর্শকাতর পরিস্থিতির পরও আন্তর্জাতিক কমোডিটি এক্সচেঞ্জে তেলের দর প্রত্যাশার চেয়ে নিয়ন্ত্রণে থাকার পেছনে বিশ্ব অর্থনীতির কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ামক কাজ করছে।চীন ও ইউরোপের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গতি শ্লথ হওয়ায় জ্বালানি তেলের বিশ্বব্যাপী সার্বিক ব্যবহার আগের চেয়ে কমেছে। পাশাপাশি, ওপেক প্লাস (OPEC+) জোটের বাইরে থাকা দেশগুলোর অব্যাহত অতিরিক্ত উৎপাদন বাজারে চাহিদার ঘাটতি তৈরি হতে দেয়নি।দর নিয়ন্ত্রণে থাকার মূল কারণসমূহজ্বালানি বাজার বিশেষজ্ঞদের মতে, দর ব্যারেলে ১০০ ডলারের নিচে থাকার নেপথ্যে যেসব প্রধান কারণ রয়েছে:যুক্তরাষ্ট্র ও অপেক-বহির্ভূত দেশের উৎপাদন: যুক্তরাষ্ট্র, ব্রাজিল ও গায়ানার মতো দেশগুলোতে তেলের রেকর্ড পরিমাণ উৎপাদন বাজারের ভারসাম্য রক্ষা করছে।চীনের বাণিজ্যিক মন্দা: বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ তেল আমদানিকারক দেশ চীনে শিল্প উৎপাদন ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি প্রত্যাশার চেয়ে ধীরগতির হওয়ায় চাহিদায় ঘাটতি।মার্কিন সুদের হার ও সুদের প্রভাব: উচ্চ সুদের হারের কারণে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক মন্দার প্রভাব এবং অর্থনৈতিক স্থবিরতা তেলের দামে অতিরিক্ত চাপ তৈরিতে বাধা সৃষ্টি করেছে।এক নজরে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজার পরিস্থিতিবিষয়বিবরণবাজার স্থিতিপ্রতি ব্যারেল তেলের দাম ১০০ ডলারের নিচেউত্তেজনার অঞ্চলমধ্যপ্রা

ফেসবুকে আমরা...
নামাজের সময়সূচী
জাতীয় সঙ্গীত
©সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ বাংলাদেশ প্রতিদিন সত্যের সন্ধানে সব সময় | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় BDS Digital Marketing Agency