মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ১৫ বছরের মধ্যে প্রথমবারের মতো ফায়ারিং স্কোয়াডের মাধ্যমে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে। ৭ মার্চ, শুক্রবার সন্ধ্যায় সাউথ ক্যারোলাইনার কলাম্বিয়ার কারাগারে ৬৭ বছর বয়সী ব্র্যাড সিগমনকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়। এই ঘটনাটি যুক্তরাষ্ট্রে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
সংবাদ সংস্থা এপি’র এক প্রতিবেদনে জানা যায়, সিগমনকে জোড়া খুনের জন্য ফায়ারিং স্কোয়াডের মাধ্যমে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়। মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার জন্য সিগমনকে একটি চেয়ারে বেঁধে রাখা হয় এবং তার মাথায় চোখ ঢাকা একটি টুপি পরানো হয়। তার নিচে রক্ত ধরে রাখার জন্য একটি বেসিন স্থাপন করা হয়েছিল। এরপর, ১৫ ফুট দূরত্বে পর্দার আড়ালে থাকা তিন ব্যক্তি একসাথে তিনটি গুলি ছুঁড়ে। গুলি ছোঁড়ার পর, চিকিৎসকরা সন্ধ্যা ৬টা ৮ মিনিটে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
২০০১ সালে, সিগমন ডেভিড ও গ্ল্যাডিস লার নামে এক দম্পতিকে হত্যা করেন। তিনি তাদের উপর বেসবল ব্যাট দিয়ে আক্রমণ চালান, যার পর তাদের হত্যার পর সিগমন বান্ধবীকে অপহরণের এবং হত্যার পরিকল্পনা করেন। তবে, তার বান্ধবী পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। সিগমনের অপরাধ ছিল অত্যন্ত নৃশংস এবং সহিংস, যা তার মৃত্যুদণ্ডের সিদ্ধান্তকে আরও জোরালো করেছে।
এটি ছিল যুক্তরাষ্ট্রে সর্বশেষ ২০১০ সালে ইউটাহ রাজ্যে ফায়ারিং স্কোয়াডের মাধ্যমে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার পরের ঘটনা। মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার এই পদ্ধতিটি দীর্ঘদিন ধরে আলোচনার বিষয় হয়ে আসছে, কারণ এটি অত্যন্ত বিতর্কিত এবং যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন রাজ্যে মৃত্যুদণ্ডের পদ্ধতির পরিবর্তন সম্পর্কে বিভিন্ন মতামত রয়েছে।
সিগমনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের পর, এই ঘটনাটি দেশে এবং আন্তর্জাতিকভাবে অনেকের কাছে প্রশ্ন তুলেছে, বিশেষত মৃত্যুদণ্ডের পদ্ধতি ও এর নৈতিকতা সম্পর্কে। যদিও যুক্তরাষ্ট্রে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের বিভিন্ন পদ্ধতি রয়েছে, ফায়ারিং স্কোয়াডের মাধ্যমে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া বিশেষভাবে নজর কাড়ছে, কারণ এটি গত কয়েক দশক ধরে বিরল ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |