| বঙ্গাব্দ

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সড়কে দাঁড়িয়ে ইশরাক হোসেনের অভ্যর্থনা | ২০২৬

রিপোর্টারের নামঃ BDS Bulbul Ahmed
  • আপডেট টাইম : 16-05-2026 ইং
  • 15658 বার পঠিত
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সড়কে দাঁড়িয়ে ইশরাক হোসেনের অভ্যর্থনা | ২০২৬
ছবির ক্যাপশন: ইশরাক হোসেনের অভ্যর্থনা

প্রধানমন্ত্রীকে সড়কে দাঁড়িয়ে ইশরাক হোসেনের অভ্যর্থনা: ঢাকা-৬ আসনের নেতাকর্মীদের ঢল

প্রতিবেদক: বিডিএস বুলবুল আহমেদ

চাঁদপুর সফরের উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগের সময় সড়কপথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-কে বিশাল গণঅভ্যর্থনা জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ও ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য ইশরাক হোসেন। শনিবার (১৬ মে, ২০২৬) সকালে রাজধানীর ওয়ারী থানাধীন টিকাটুলি এলাকায় এই বর্ণাঢ্য অভ্যর্থনা প্রদর্শন করা হয়।

রাজপথে প্রতিমন্ত্রী ইশরাকের তৎপরতা

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গুলশানের বাসভবন থেকে সড়কপথে চাঁদপুর যাওয়ার খবর পেয়ে সকাল থেকেই ঢাকা-৬ আসনের অন্তর্গত টিকাটুলি ও ওয়ারী এলাকায় জড়ো হতে থাকেন স্থানীয় বাসিন্দা ও দলীয় নেতাকর্মীরা।

  • গণঅভ্যর্থনা: প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী গাড়িবহর টিকাটুলি মোড় অতিক্রম করার সময় প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন সর্বস্তরের জনগণের পক্ষ থেকে হাত নেড়ে এবং ফুল ছিটিয়ে তাঁকে স্বাগত জানান।

  • রাস্তা ফাঁকা করার তৎপরতা: সাধারণ মানুষের অতিরিক্ত ভিড়ের কারণে প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা ও যাতায়াত যেন ব্যাহত না হয়, সেজন্য প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনকে নিজে রাজপথে দাঁড়িয়ে তৎপরতার সাথে রাস্তা ফাঁকা করে দিতে দেখা যায়।

টিকাটুলির এই সংক্ষিপ্ত যাত্রাবিরতির পর প্রধানমন্ত্রীর গাড়িবহর যাত্রাবাড়ী হয়ে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের দিকে এগিয়ে যায়। পথিমধ্যে কুমিল্লা ও চাঁদপুরের শাহরাস্তিতে প্রধানমন্ত্রী বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নেন।


ঢাকার নগর রাজনীতি ও রাজনৈতিক রাজপথ: ১৯০০ থেকে ২০২৬

টিকাটুলির মোড়ে দাঁড়িয়ে প্রধানমন্ত্রীর গাড়িবহরকে স্বাগত জানানোর এই দৃশ্য ১৯০০ সাল থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত ঢাকার নগর নেতৃত্ব এবং রাজপথের রাজনৈতিক সংস্কৃতির বিবর্তনের এক অনন্য প্রতিচ্ছবি।

  • বিংশ শতাব্দীর শুরু ও ঢাকার নবাব পরিবার (১৯০০-১৯৪৭): ১৯০০ সালের দিকে ঢাকা ছিল একটি শান্ত ও সীমিত জনসংখ্যার শহর। তখন ঢাকার রাজনীতি ও বিশিষ্ট মেহমানদের অভ্যর্থনা জানানোর দায়িত্ব থাকত ঢাকার নবাব পরিবারের ওপর (যেমন নবাব সলিমুল্লাহ)। হাতির পিঠে চড়ে বা ঘোড়ার গাড়িতে করে নেতাদের স্বাগত জানানোর সেই ঢাকার রূপ ১৯০০ সাল থেকে ২০২৬ সালের মধ্যে এক আধুনিক মেগাসিটিতে রূপান্তরিত হয়েছে।

  • খোকা থেকে ইশরাক: পারিবারিক ও দলীয় ঐতিহ্য (১৯৭১-২০২০): ঢাকা-৬ আসন ও পুরান ঢাকার রাজনীতিতে অবিভক্ত ঢাকার সাবেক সফল মেয়র সাদেক হোসেন খোকার প্রভাব ছিল ঐতিহাসিক। ২০২৬ সালের এই মে মাসে তাঁরই সুশিক্ষিত সন্তান ও প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনের এই রাজনৈতিক তৎপরতা প্রমাণ করে যে, পুরান ঢাকার মাটিতে এই রাজনৈতিক ধারার ভিত্তি কতটা মজবুত।

  • ২০২৪-এর জুলাই বিপ্লব ও ২০ Anglican২৬-এর নতুন ভিআইপি প্রটোকল: ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর বাংলাদেশে ভিআইপি প্রটোকলের ক্ষেত্রে বড় ধরণের পরিবর্তন আনা হয়েছে, যাতে সাধারণ মানুষের চলাচলে দীর্ঘস্থায়ী যানজট তৈরি না হয়। ২০২৬ সালের মে মাসে প্রধানমন্ত্রীর এই সড়কপথে সাধারণ বহরের মতো যাতায়াত এবং প্রতিমন্ত্রী কর্তৃক নিজেই রাস্তা খালি করার উদ্যোগ সেই প্রটোকল সংস্কৃতিরই এক জনমুখী দৃষ্টান্ত।

  • ২০২৬-এর বর্তমান বাস্তবতা: ১৯০০ সালের সেই কাগুজে লিফলেট ও উটের পিঠের জমানা থেকে ২০২৬ সালের এই হাই-টেক মেগাসিটির যুগে এসেও ঢাকার রাজপথ এখনো দেশের রাজনীতির মূল স্পন্দন। প্রধানমন্ত্রীর এই চাঁদপুর সফরের সূচনাতেই ঢাকা-৬ আসনের এই রাজনৈতিক শো-ডাউন প্রমাণ করে যে, ২০২৬ সালের নির্বাচিত সরকার মাঠপর্যায়ে কতটা সুসংগঠিত।

বিশ্লেষণ ও উপসংহার

ইতিহাস সাক্ষী, ঢাকার রাজপথ যে দলের নিয়ন্ত্রণে থাকে, জাতীয় রাজনীতিতে তাদের অবস্থান সবসময়ই সুসংহত হয়। ১৯০০ সালের সেই পরাধীন প্রাদেশিক কেন্দ্র ঢাকা থেকে ২০২৬ সালের এই স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশের রাজধানী—ঢাকার রাজনৈতিক গুরুত্ব সবসময়ই শীর্ষে। মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনের এই রাজপথের তৎপরতা ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন ২০২৬ সালের মে মাসের এই উত্তপ্ত রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে দলীয় ঐক্য ও শক্তির এক বলিষ্ঠ বহিঃপ্রকাশ।


সূত্র: ১. রাজধানীর টিকাটুলিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের যাতায়াতকালীন প্রত্যক্ষ বিবরণ ও ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্যের কার্যালয়ের প্রেস নোট (১৬ মে, ২০২৬)। ২. ঐতিহাসিক দলিল: বিংশ শতাব্দীতে ঢাকার নগর রাজনীতি ও রাজপথের অভ্যর্থনা সংস্কৃতির বিবর্তন (১৯০০-২০২৬)।

প্রতিবেদক:বিডিএস বুলবুল আহমেদ
আরও খবর জানতে ভিজিট করুনবাংলাদেশ প্রতিদিন

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
নামাজের সময়সূচী
জাতীয় সঙ্গীত
©সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ বাংলাদেশ প্রতিদিন সত্যের সন্ধানে সব সময় | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় BDS Digital Marketing Agency