কুড়িগ্রাম সফর করেছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফারুক ই আজম। তবে এই সফর সম্পর্কে জেলার সাংবাদিকদের কিছুই জানানো হয়নি। জেলার প্রশাসন কর্তৃপক্ষের অবহেলায়, সাংবাদিকদের অভিযোগ, তারা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে অপেক্ষা করেও উপদেষ্টার সাথে সাক্ষাৎ করার সুযোগ পায়নি। এই ঘটনাটি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় সাংবাদিক নেতারা এবং এর প্রতিবাদ হিসেবে ত্রাণ উপদেষ্টার সংবাদ বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন তারা।
জানা গেছে, জেলা প্রশাসন কোনো পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই ফারুক ই আজমের কুড়িগ্রাম সফরের খবর সাংবাদিকদের জানায়নি। এই বিষয়ে স্থানীয় সাংবাদিকদের কাছে বিস্তারিত জানতে চাইলে, জেলা প্রশাসন বেলা সাড়ে ১২টায় তাদের আমন্ত্রণ জানিয়েছিল। তবে নির্ধারিত সময়েও প্রশাসন কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাতের কোনো ব্যবস্থা করা হয়নি।
এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ স্থানীয় সাংবাদিক নেতারা জানিয়েছেন, এমন ঘটনায় শুধু গণমাধ্যমকেই অবজ্ঞা করা হয়নি, বরং রাষ্ট্রীয় দায়িত্বের প্রতি অবহেলা করা হয়েছে। তারা অভিযোগ করেছেন যে, জেলা প্রশাসক নুসরাত সুলতানা এই অনীহার দায় এড়াতে পারেন না।
কুড়িগ্রামের সিনিয়র সাংবাদিক ও এখন টিভির জেলা প্রতিনিধি মমিনুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, “উপদেষ্টা কোনো আকস্মিক সফরে আসেননি। তার সফরসূচি আগে থেকেই নির্ধারিত ছিল। প্রশাসনের পক্ষ থেকে এমন অবহেলা তাদের সঙ্গে সহযোগিতার মনোভাবকে বিরোধিতা করে।” তিনি আরো বলেন, সরকারি কোনো উন্নয়ন কর্মসূচি বা সফরের সময় জেলা প্রশাসন স্থানীয় সাংবাদিকদের জানানো উচিত ছিল, কিন্তু তা হয়নি।
এ বিষয়ে কুড়িগ্রাম প্রেসক্লাবের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মাহফুজার রহমানও জানান, “অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টার সফর সম্পর্কে জেলা প্রশাসন সাংবাদিকদের কোনো তথ্য দেয়নি। তারা সাংবাদিকদের পাশ কাটিয়ে চলেছে।”
এদিকে, জেলা প্রশাসক নুসরাত সুলতানার মন্তব্যের জন্য তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তার কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।
এই ঘটনার প্রতিবাদ হিসেবে কুড়িগ্রামের সাংবাদিকরা ত্রাণ উপদেষ্টা ফারুক ই আজমের সাথে সমস্ত যোগাযোগ ও সংবাদ প্রকাশ বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন। তারা দাবি করেছেন, জেলা প্রশাসনের এ ধরনের অবহেলা গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও সঠিক সংবাদ পরিবেশনের বাধা সৃষ্টি করছে।
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |