আন্তর্জাতিক পরিবেশ ও দুর্যোগ বার্তা
সর্বশেষ আপডেট: ১৯ জুলাই, ২০২৬
বিশ্বের বিভিন্ন দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় বেশ কয়েকটি শক্তিশালী ও মাঝারি মাত্রার ভূমিকম্প রেকর্ড করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ সংস্থাগুলোর (যেমন- USGS) সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এই নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে অন্তত ১২টিরও বেশি দেশ ও অঞ্চলে রিখটার স্কেলে ২.০ বা তার বেশি মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে।
রেকর্ড অনুযায়ী, এই সময়ের মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী ও বিধ্বংসী ভূমিকম্পটি আঘাত হেনেছে উত্তর আমেরিকার দেশ মেক্সিকোতে। রিখটার স্কেলে এর তীব্রতা ছিল ৭.৩ মাত্রা।
মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (USGS) জানিয়েছে, মেক্সিকোর দক্ষিণাঞ্চলীয় রাজ্য চিয়াপাসের উপকূলীয় এলাকার প্রশান্ত মহাসাগরে এই শক্তিশালী ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল।
🌊 মেক্সিকো ভূমিকম্পের সার্বিক চিত্র:
• মূল কম্পন: রিখটার স্কেলে ৭.৩ মাত্রা।
• উৎপত্তিস্থল: চিয়াপাস রাজ্যের আকিলিস সের্দান থেকে ৪৮ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে, গভীরতা মাত্র ১৫ কিলোমিটার।
• সুনামি সতর্কতা: ভূমিকম্পের পরপরই মেক্সিকো ও গুয়াতেমালা উপকূলে প্রায় ১ মিটার উচ্চতার জলোচ্ছ্বাসের আশঙ্কায় সুনামি সতর্কতা জারি করা হয়।
• আফটারশক: মূল ধাক্কার পর ৬.৮ মাত্রাসহ ৩০টিরও বেশি মৃদু ও মাঝারি আফটারশক বা অনুকম্পন রেকর্ড করা হয়েছে।
ক্ষয়ক্ষতির প্রাথমিক মূল্যায়নে জানা গেছে, দীর্ঘ সময় ধরে চলা এই কম্পনের ফলে আতঙ্কিত মানুষ ঘরবাড়ি ছেড়ে রাস্তায় নেমে আসে। দক্ষিণ মেক্সিকোতে ২ জন সামান্য আহত হওয়া এবং গুয়াতেমালার কিছু পাহাড়ি রাস্তায় ছোটখাটো ধস নামার ঘটনা ঘটলেও অলৌকিকভাবে কোনো বড় ধরণের প্রাণহানি বা ব্যাপক অবকাঠামোগত ধ্বংসযজ্ঞের খবর পাওয়া যায়নি।
মেক্সিকোর এই ভয়াবহ কম্পন ছাড়াও বিশ্বের আরও বেশ কয়েকটি দেশে মাঝারি মাত্রার ভূমিকম্পের খবর পাওয়া গেছে:
ফিলিপাইন ও ইয়েমেন: দেশ দুটির পৃথক অঞ্চলে রিখটার স্কেলে ৫.৩ মাত্রার ভূমিকম্প রেকর্ড করা হয়েছে।
নিউজিল্যান্ড: প্রশান্ত মহাসাগরীয় এই দ্বীপরাষ্ট্রে ৫.২ মাত্রার একটি কম্পন অনুভূত হয়েছে।
সলোমন দ্বীপপুঞ্জ ও তুরস্ক: সলোমন দ্বীপপুঞ্জে ৫.১ মাত্রা এবং মধ্যপ্রাচ্য সংলগ্ন তুরস্কে ৫.০ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে।
ঝুঁকি মুক্ত নয় অন্যান্য অঞ্চলও: এ ছাড়া মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূখণ্ড, জাপান, ইন্দোনেশিয়া, আলাস্কা, ভানুয়াতু এবং ক্যারিবীয় অঞ্চলের ভার্জিন দ্বীপপুঞ্জসহ আরও কয়েকটি দেশে ছোট ও মাঝারি মাত্রার একাধিক ভূকম্পনের ঘটনা ঘটেছে।
আন্তর্জাতিক ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ সংস্থাগুলোর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, মেক্সিকো বাদে অধিকাংশ দেশের কম্পনের মাত্রা তুলনামূলক কম এবং উৎপত্তিস্থল ভূপৃষ্ঠের গভীরে হওয়ায় কোথাও কোনো বড় ধরণের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। তবে ‘রিং অব ফায়ার’ বা ভূমিকম্পপ্রবণ প্রধান টেকটোনিক প্লেটের সীমানায় থাকা দেশগুলোর পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন বিজ্ঞানীরা।
প্রতিবেদক:বিডিএস বুলবুল আহমেদ
আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: বাংলাদেশ প্রতিদিন
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |