| বঙ্গাব্দ

ইতালির নেপলসে ৪.৭ মাত্রার ভূমিকম্প: থমকে গেছে ট্রেন চলাচল, ভবনে ফাটল

রিপোর্টারের নামঃ BDS Bulbul Ahmed
  • আপডেট টাইম : 01-08-2026 ইং
  • 1455123 বার পঠিত
ইতালির নেপলসে ৪.৭ মাত্রার ভূমিকম্প: থমকে গেছে ট্রেন চলাচল, ভবনে ফাটল
ছবির ক্যাপশন: ইতালির নেপলসে ৪.৭ মাত্রার ভূমিকম্প

কামপি ফ্লেগ্রেই এলাকায় ৪.৭ মাত্রার জোরালো কম্পন: ১৯৮০-এর দশকের পর নেপলসে শক্তিশালী ভূমিকম্পের আঘাত

আন্তর্জাতিক ও পরিবেশ পর্যবেক্ষণ ডেস্ক

১ আগস্ট, ২০২৬

ইতালির দক্ষিণাঞ্চলীয় ঐতিহাসিক নেপলস শহরের উপকণ্ঠে অবস্থিত আগ্নেয়গিরিপ্রবণ কামপি ফ্লেগ্রেই (Campi Flegrei) এলাকায় ৪ দশমিক ৭ মাত্রার একটি মাঝারি ধরনের ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে।

শুক্রবার (৩১ জুলাই) স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৭টা ৪৬ মিনিটে এই ভূকম্পন অনুভূত হয়। এর তীব্রতায় স্থানীয় বিদ্যুৎ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হওয়ার পাশাপাশি ট্রেন ও মেট্রো চলাচলে বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটে এবং বেশ কিছু ভবনে ফাটল দেখা দিয়েছে।

স্মার্ট সারসংক্ষেপ (Quick Takeaways)

  • কম্পনের মাত্র ও গভীরতা: ৪.৭ মাত্রা; ভূগর্ভের মাত্র ৩ কিলোমিটার গভীরে এর উৎপত্তিস্থল ছিল।

  • ক্ষয়ক্ষতি ও প্রভাব: বিদ্যুৎ বিভ্রাট, স্থানীয় ভবনে ক্ষয়ক্ষতি এবং আগাম সতর্কতা হিসেবে ট্রেন ও পাতালরেল (মেট্রো) চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ।

  • ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট: এটি ১৯৮০-এর দশকের সংকটের পর এই সুপারভলকানো এলাকায় অনুভূত হওয়া অন্যতম তীব্র ভূকম্পন।

  • জনসাধারণের আতঙ্ক: শক্তিশালী কম্পন ও সম্ভাব্য পরাঘাতের (Aftershocks) ভয়ে হাজার হাজার বাসিন্দা ঘরবাড়ি ছেড়ে রাস্তায় নেমে আসেন।

ভূমিকম্পের সার্বিক চিত্র ও ক্ষয়ক্ষতি

ইতালির ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব জিওফিজিক্স অ্যান্ড ভলকানোলজি (INGV) জানিয়েছে, কম গভীরে উৎপত্তিস্থল হওয়ায় ভূ-পৃষ্ঠে এর কম্পন বেশ মারাত্মকভাবে ছড়িয়ে পড়ে।

কামপি ফ্লেগ্রেই ভূমিকম্পের সারসংক্ষেপ:
┌─────────────────────────────────────────────────────────────────────────┐
│ • সময় ও তারিখ   : শুক্রবার (৩১ জুলাই), সন্ধ্যা ৭:৪৬ (স্থানীয় সময়)।     │
│ • উৎপত্তিস্থল    : কামপি ফ্লেগ্রেই আগ্নেয়গিরি এলাকা, নেপলস।              │
│ • ভূগর্ভস্থ গভীরতা: ৩ কিলোমিটার।                                        │
│ • পরিবহন ব্যবস্থা : তদন্ত ও সুরক্ষার স্বার্থে নেপলস মেট্রো ও ট্রেন স্থগিত।  │
└─────────────────────────────────────────────────────────────────────────┘

স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, কোনো বড় ধরনের হতাহতের খবর তাৎক্ষণিকভাবে না পাওয়া গেলেও অনেক পুরনো ও ঐতিহাসিক কাঠামোর আংশিক ক্ষতি হয়েছে।

কামপি ফ্লেগ্রেই এলাকা কেন এত ঝুঁকিপূর্ণ?

কামপি ফ্লেগ্রেই কেবল একটি সাধারণ এলাকা নয়; এটি ইউরোপের সবচেয়ে বড় ও ঝুঁকিপূর্ণ 'সুপারভলকানো' (Supervolcano) বা সুপ্ত আগ্নেয়গিরির একটি। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ভূমির ক্রমাগত বৃদ্ধি (Bradyseism) এবং ভূগর্ভস্থ গ্যাস চাপের কারণে এখানে ক্রমাগত মৃদু থেকে মাঝারি ভূমিকম্পের প্রবণতা বেড়ে গেছে।

ইতালি সরকারের পক্ষ থেকে এ অঞ্চলে নজরদারি ব্যবস্থা চরম মাত্রায় জোরদার করা হয়েছে, কারণ অতীতে ১৯৮০-এর দশকে এই একই কারণে হাজার হাজার বাসিন্দাকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিতে হয়েছিল।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
রোনাম: মধ্যপ্রাচ্যের তীব্র উত্তেজনা ও ইরান সংকট সত্ত্বেও বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম ১০০ ডলারের নিচে: নেপথ্যের বাজার বিশ্লেষণমেটা ডিসক্রিপশন: মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধাবস্থা ও ইরান সংকট সত্ত্বেও বৈশ্বিক বাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম ব্যারেলে ১০০ ডলারের নিচে অবস্থান করছে। অর্থনৈতিক মন্দা ও উৎপাদন বৃদ্ধির নানা কারণ বিশ্লেষণ।অনলাইন ডেস্কমধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান সামরিক সংঘাত এবং ইরান কেন্দ্রিক চরম ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা সত্ত্বেও আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে প্রতি ব্যারেল অপরিশোধিত তেলের দাম মনস্তাত্ত্বিক ১০০ ডলারের নিচেই স্থিতিশীল রয়েছে। চলতি সপ্তাহে লন্ডনের ব্রেন্ট ক্রুড এবং মার্কিন টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (WTI)—উভয় মানদণ্ডেই তেলের দর প্রত্যাশার চেয়ে কম সূচকে কেনাবেচা হতে দেখা গেছে। আন্তর্জাতিক জ্বালানি বিশ্লেষকদের মতে, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দার আশঙ্কা, চাহিদার তুলনায় সরবরাহ বৃদ্ধি এবং প্রধান প্রধান অর্থনৈতিক পরাশক্তিগুলোতে জ্বালানি ব্যবহারের শ্লথগতির কারণে সরবরাহ শৃঙ্খলে বড় ধরনের ব্যাঘাত ঘটা সত্ত্বেও বাজারে তেলের দাম লাগামহীন হতে পারেনি।তেলের দাম না বাড়ার প্রধান অনুঘটকসমূহমধ্যপ্রাচ্যের স্পর্শকাতর পরিস্থিতির পরও আন্তর্জাতিক কমোডিটি এক্সচেঞ্জে তেলের দর প্রত্যাশার চেয়ে নিয়ন্ত্রণে থাকার পেছনে বিশ্ব অর্থনীতির কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ামক কাজ করছে।চীন ও ইউরোপের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গতি শ্লথ হওয়ায় জ্বালানি তেলের বিশ্বব্যাপী সার্বিক ব্যবহার আগের চেয়ে কমেছে। পাশাপাশি, ওপেক প্লাস (OPEC+) জোটের বাইরে থাকা দেশগুলোর অব্যাহত অতিরিক্ত উৎপাদন বাজারে চাহিদার ঘাটতি তৈরি হতে দেয়নি।দর নিয়ন্ত্রণে থাকার মূল কারণসমূহজ্বালানি বাজার বিশেষজ্ঞদের মতে, দর ব্যারেলে ১০০ ডলারের নিচে থাকার নেপথ্যে যেসব প্রধান কারণ রয়েছে:যুক্তরাষ্ট্র ও অপেক-বহির্ভূত দেশের উৎপাদন: যুক্তরাষ্ট্র, ব্রাজিল ও গায়ানার মতো দেশগুলোতে তেলের রেকর্ড পরিমাণ উৎপাদন বাজারের ভারসাম্য রক্ষা করছে।চীনের বাণিজ্যিক মন্দা: বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ তেল আমদানিকারক দেশ চীনে শিল্প উৎপাদন ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি প্রত্যাশার চেয়ে ধীরগতির হওয়ায় চাহিদায় ঘাটতি।মার্কিন সুদের হার ও সুদের প্রভাব: উচ্চ সুদের হারের কারণে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক মন্দার প্রভাব এবং অর্থনৈতিক স্থবিরতা তেলের দামে অতিরিক্ত চাপ তৈরিতে বাধা সৃষ্টি করেছে।এক নজরে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজার পরিস্থিতিবিষয়বিবরণবাজার স্থিতিপ্রতি ব্যারেল তেলের দাম ১০০ ডলারের নিচেউত্তেজনার অঞ্চলমধ্যপ্রা

রোনাম: মধ্যপ্রাচ্যের তীব্র উত্তেজনা ও ইরান সংকট সত্ত্বেও বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম ১০০ ডলারের নিচে: নেপথ্যের বাজার বিশ্লেষণমেটা ডিসক্রিপশন: মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধাবস্থা ও ইরান সংকট সত্ত্বেও বৈশ্বিক বাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম ব্যারেলে ১০০ ডলারের নিচে অবস্থান করছে। অর্থনৈতিক মন্দা ও উৎপাদন বৃদ্ধির নানা কারণ বিশ্লেষণ।অনলাইন ডেস্কমধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান সামরিক সংঘাত এবং ইরান কেন্দ্রিক চরম ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা সত্ত্বেও আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে প্রতি ব্যারেল অপরিশোধিত তেলের দাম মনস্তাত্ত্বিক ১০০ ডলারের নিচেই স্থিতিশীল রয়েছে। চলতি সপ্তাহে লন্ডনের ব্রেন্ট ক্রুড এবং মার্কিন টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (WTI)—উভয় মানদণ্ডেই তেলের দর প্রত্যাশার চেয়ে কম সূচকে কেনাবেচা হতে দেখা গেছে। আন্তর্জাতিক জ্বালানি বিশ্লেষকদের মতে, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দার আশঙ্কা, চাহিদার তুলনায় সরবরাহ বৃদ্ধি এবং প্রধান প্রধান অর্থনৈতিক পরাশক্তিগুলোতে জ্বালানি ব্যবহারের শ্লথগতির কারণে সরবরাহ শৃঙ্খলে বড় ধরনের ব্যাঘাত ঘটা সত্ত্বেও বাজারে তেলের দাম লাগামহীন হতে পারেনি।তেলের দাম না বাড়ার প্রধান অনুঘটকসমূহমধ্যপ্রাচ্যের স্পর্শকাতর পরিস্থিতির পরও আন্তর্জাতিক কমোডিটি এক্সচেঞ্জে তেলের দর প্রত্যাশার চেয়ে নিয়ন্ত্রণে থাকার পেছনে বিশ্ব অর্থনীতির কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ামক কাজ করছে।চীন ও ইউরোপের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গতি শ্লথ হওয়ায় জ্বালানি তেলের বিশ্বব্যাপী সার্বিক ব্যবহার আগের চেয়ে কমেছে। পাশাপাশি, ওপেক প্লাস (OPEC+) জোটের বাইরে থাকা দেশগুলোর অব্যাহত অতিরিক্ত উৎপাদন বাজারে চাহিদার ঘাটতি তৈরি হতে দেয়নি।দর নিয়ন্ত্রণে থাকার মূল কারণসমূহজ্বালানি বাজার বিশেষজ্ঞদের মতে, দর ব্যারেলে ১০০ ডলারের নিচে থাকার নেপথ্যে যেসব প্রধান কারণ রয়েছে:যুক্তরাষ্ট্র ও অপেক-বহির্ভূত দেশের উৎপাদন: যুক্তরাষ্ট্র, ব্রাজিল ও গায়ানার মতো দেশগুলোতে তেলের রেকর্ড পরিমাণ উৎপাদন বাজারের ভারসাম্য রক্ষা করছে।চীনের বাণিজ্যিক মন্দা: বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ তেল আমদানিকারক দেশ চীনে শিল্প উৎপাদন ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি প্রত্যাশার চেয়ে ধীরগতির হওয়ায় চাহিদায় ঘাটতি।মার্কিন সুদের হার ও সুদের প্রভাব: উচ্চ সুদের হারের কারণে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক মন্দার প্রভাব এবং অর্থনৈতিক স্থবিরতা তেলের দামে অতিরিক্ত চাপ তৈরিতে বাধা সৃষ্টি করেছে।এক নজরে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজার পরিস্থিতিবিষয়বিবরণবাজার স্থিতিপ্রতি ব্যারেল তেলের দাম ১০০ ডলারের নিচেউত্তেজনার অঞ্চলমধ্যপ্রা

ফেসবুকে আমরা...
নামাজের সময়সূচী
জাতীয় সঙ্গীত
©সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ বাংলাদেশ প্রতিদিন সত্যের সন্ধানে সব সময় | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় BDS Digital Marketing Agency