জেলা ও জাতীয় সংবাদ ডেস্ক
২ আগস্ট, ২০২৬
সরকার কর্তৃক হাওড়াঞ্চলের খাল-বিল উন্মুক্ত ঘোষণার পাশাপাশি স্থানীয় সংসদ সদস্য ও সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরের স্পষ্ট নির্দেশনা সত্ত্বেও নেত্রকোনায় বন্ধ হয়নি চাঁদাবাজি। এমনকি হাওড় থেকে সাধারণ মানুষের শামুক তুলতেও চাঁদা আদায়ের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।
এ বিষয়ে খালিয়াজুড়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) এবং স্থানীয় সংসদ সদস্যসহ বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন মদন উপজেলার গোবিন্দশ্রী গ্রামের বাসিন্দা ওয়ালিদ মিয়া।
ঘটনা: হাওড়ের উন্মুক্ত দরুন্দা খালে শামুক সংগ্রাহকদের কাছ থেকে খাস কালেকশনের নামে অবৈধ চাঁদা আদায়।
সরকারি সিদ্ধান্ত: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু এবং স্থানীয় সংসদ সদস্য লুৎফুজ্জামান বাবর হাওড় অঞ্চল সম্পূর্ণ উন্মুক্ত রাখার ঘোষণা দিয়েছিলেন।
অভিযোগের তির: ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা এবং এক শ্রেণির প্রভাবশালী ব্যক্তির যোগসাজশে টাকা আদায়।
অভিযুক্তদের বক্তব্য: ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তার প্রতিনিধি অভিযোগ ভিত্তিহীন ও বানোয়াট বলে দাবি করেছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ৩ জুলাই মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, সড়ক পরিবহণ ও সেতু এবং রেলপথ প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ এবং নেত্রকোনা-৪ আসনের সংসদ সদস্য লুৎফুজ্জামান বাবর হাওড়াঞ্চলে পোনা মাছ অবমুক্ত করতে আসেন।
সেসময় প্রতিমন্ত্রী ঘোষণা দেন যে, দেশীয় প্রজাতি মাছের প্রজনন বৃদ্ধির লক্ষ্যে এ বছর হাওড়াঞ্চলের সব খাল-বিল ও জলাশয় উন্মুক্ত থাকবে এবং কোনো ইজারা দেওয়া হবে না। এমপি লুৎফুজ্জামান বাবরও নিষিদ্ধ জাল না ফেলা ও ছোট মাছ না ধরার আহ্বান জানান।
হাওড় পরিস্থিতি ও বিরোধের সারসংক্ষেপ:
┌─────────────────────────────────────────────────────────────────────────────┐
│ • স্থান : খালিয়াজুড়ী উপজেলার জগন্নাথপুর নূরপুর-বোয়ালী লাচুয়ানী বিল। │
│ • সরকারি নির্দেশ : হাওড়ে ইজারা বাতিল, সর্বসাধারণের জন্য জলাশয় উন্মুক্ত। │
│ • বর্তমান অভিযোগ: খাস কালেকশনের অজুহাতে সাধারণ শামুক তুলতেও নেওয়া হচ্ছে চাঁদা। │
│ • প্রশাসনিক অবস্থান: ইউএনও ও এমপি বরাবর লিখিত অভিযোগ পেশ, নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি।│
└─────────────────────────────────────────────────────────────────────────────┘
লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, সরকারের এই উন্মুক্ত নীতির সুযোগ তো দেওয়া হচ্ছেই না, উল্টো ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তার আশ্রয়ে প্রভাবশালীরা 'খাস কালেকশন'-এর দোহাই দিয়ে দরিদ্র শামুক উত্তোলনকারীদের কাছ থেকে অবৈধভাবে টাকা আদায় করছে।
তবে এ বিষয়ে ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তার প্রতিনিধি সৈয়দ আমিনুল হাসান (রুজেল) অভিযোগ অস্বীকার করে জানান, "সরকার ও এমপির নির্দেশ অনুযায়ী মাছ ধরার কোনো বাধা নেই বা ইজারা প্রথা নেই। চাঁদাবাজির যে অভিযোগ আনা হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট।"
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |