| বঙ্গাব্দ

বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ: নারী ও শিশু নির্যাতন সংশোধন আইন পাস

রিপোর্টারের নামঃ BDS Bulbul Ahmed
  • আপডেট টাইম : 20-03-2025 ইং
  • 4734921 বার পঠিত
বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ: নারী ও শিশু নির্যাতন সংশোধন আইন পাস
ছবির ক্যাপশন: বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ: নারী ও শিশু নির্যাতন সংশোধন আইন পাস

বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণের সাজা ৭ বছর রেখে নারী ও শিশু নির্যাতন সংশোধন আইন পাস

বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণের সাজা ৭ বছর রেখে নারী ও শিশু নির্যাতন সংশোধন আইন পাস হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২০ মার্চ) উপদেষ্টা পরিষদে এ আইনটি অনুমোদন দেওয়া হয়। বিকেলে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে প্রধান উপদেষ্টা শেক হাসিনা সরকারের প্রেস সচিব শফিকুল আলম এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানান।

তিনি বলেন, "এই আইনটির সংশোধনী নিয়ে উপদেষ্টা পরিষদে ঘণ্টাখানেক আলোচনা হয়েছে।" তিনি আরও জানান, এই আইনটির খসড়া অনুযায়ী, বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে অবৈধ যৌন সম্পর্ককে আগের মতো ধর্ষণের সংজ্ঞায় রাখা হয়নি। এর পরিবর্তে নতুনভাবে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে যৌন সম্পর্কের বিষয়টিকে অন্যান্য আইনি দিক থেকে বিচার করা হবে।

আইনটি অনুযায়ী, ধর্ষণ সংক্রান্ত বিষয়গুলো আরও স্পষ্টভাবে নির্ধারণ করা হয়েছে, যেখানে বিয়ের প্রলোভন এবং বিভিন্ন ধরনের যৌন নির্যাতনের আইনগত বিবরণ দেওয়া হয়েছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, আইনে নতুনভাবে 'বলাৎকার' (অপরিকল্পিত যৌন সম্পর্ক) সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে, যার মাধ্যমে অপরাধীদের শাস্তি বিধান করা হবে।

আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে ডিএনএ টেস্টের বিষয়ে আলোচনা। সংশোধনীতে আইনটির আওতায় ডিএনএ টেস্টের দ্রুততার বিষয়েও আলোচনা চলছে, যাতে নির্যাতনের ক্ষেত্রে আরও দ্রুততম সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা সম্ভব হয়।

আইনটি আরও বলছে, নারী ও শিশু নির্যাতনের মামলাগুলোর মধ্যে এই আইনটি অন্তর্ভুক্ত থাকবে, তবে এটিকে আলাদা ধারায় চিহ্নিত করা হয়েছে। আইন সংশোধনীটি মূলত নারী এবং শিশুর অধিকার সংরক্ষণ এবং তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য গ্রহণ করা হয়েছে।

এদিকে, উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে চৈত্র সংক্রান্তিতে তিন পার্বত্য জেলায় ছুটির ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। সাঁওতাল, গারো, খাসিয়া, জৈন্তা এবং অন্যান্য সমতল জাতিগোষ্ঠীও এই ছুটির আওতায় থাকবে, যা তাদের সামাজিক এবং সাংস্কৃতিক কার্যক্রমকে উৎসাহিত করবে।

এই আইন সংশোধনীটি আসন্ন সময়ে বাংলাদেশের নারী ও শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য এক গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। বিশেষ করে বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ এবং অন্যান্য যৌন নির্যাতন রোধে এটি একটি প্রাসঙ্গিক পদক্ষেপ হতে পারে।

নারী ও শিশু অধিকার নিয়ে আরও শক্তিশালী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে বাংলাদেশে নির্যাতন, ধর্ষণ ও যৌন নিপীড়নের বিরুদ্ধে আইনগত যুদ্ধ আরও শক্তিশালী হবে, এমনটাই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

আরও পড়ুন

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
নামাজের সময়সূচী
জাতীয় সঙ্গীত
©সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ বাংলাদেশ প্রতিদিন সত্যের সন্ধানে সব সময় | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় BDS Digital Marketing Agency