| বঙ্গাব্দ

আইয়ুব বাচ্চুর গান বিকৃতির অভিযোগ: আইনি পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি পরিবার ও এলআরবির

রিপোর্টারের নামঃ BDS Bulbul Ahmed
  • আপডেট টাইম : 24-08-2026 ইং
  • 62826 বার পঠিত
আইয়ুব বাচ্চুর গান বিকৃতির অভিযোগ: আইনি পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি পরিবার ও এলআরবির
ছবির ক্যাপশন: আইয়ুব বাচ্চুর গান বিকৃতির অভিযোগ

আইয়ুব বাচ্চুর গান বিকৃতির অভিযোগ: আইনি পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি পরিবার ও এলআরবির


বাংলা রক সঙ্গীতের প্রবাদপুরুষ ও ব্যান্ড তারকা প্রয়াত আইয়ুব বাচ্চুর জনপ্রিয় গানগুলোর সুর, কথা ও সঙ্গীতায়োজন বিকৃত করে প্রকাশ করার বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তার পরিবার ও ব্যান্ড 'এলআরবি'। অনুমতি ছাড়া বাণিজ্যিক কিংবা ব্যক্তিগত উদ্দেশ্যে আইয়ুব বাচ্চুর সৃষ্টিকে বিকৃত ও পরিবর্তন করার ওপর পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। আজ ২৪ আগস্ট আইয়ুব বাচ্চু ফাউন্ডেশন ও পরিবারের পক্ষ থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক যৌথ বিবৃতিতে সঙ্গীতশিল্পী ও বিভিন্ন মিউজিক প্ল্যাটফর্মকে এই হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়।

কপিরাইট লঙ্ঘন ও সুর বিকৃতির অভিযোগ

সম্প্রতি বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্ম, ইউটিউব ও রিয়েলিটি শো-তে আইয়ুব বাচ্চুর মূল সুর ও সঙ্গীতায়োজন পরিবর্তন করে তা প্রচার করার প্রবণতা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। পরিবারের দাবি, প্রমিত অনুমোদন না নিয়ে এভাবে কালজয়ী সৃষ্টি বিকৃত করা আইনত অপরাধ।

  • কপিরাইট আইন লঙ্ঘন: কপিরাইট সত্ত্বাধিকারীদের অনুমতি না নিয়ে রিমেক, কাভার বা রি-অ্যারেঞ্জমেন্ট করা হচ্ছে।

  • মূল সৃষ্টির বিকৃতি: স্বকীয় সুর ও আবেগ নষ্ট করে কমার্শিয়াল উদ্দেশ্যে গানের কাঠামো বদলে ফেলা হচ্ছে।

  • ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে রয়্যালটি বঞ্চনা: অনুমোদনহীন প্রচারের মাধ্যমে আইয়ুব বাচ্চুর মেধা স্বত্ত্ব ও পরিবারকে রয়্যালটি থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে।

এক নজরে গান সংরক্ষণ ও আইনি বিবৃতির সারসংক্ষেপ

বিষয়বিবরণ
সংশ্লিষ্ট সত্ত্বাধিকারীআইয়ুব বাচ্চু পরিবার ও আইয়ুব বাচ্চু ফাউন্ডেশন
মূল অভিযোগসুর, কথা ও মিউজিক ট্রাক পরিবর্তন বা বিকৃতকরণ
আইনি মাধ্যমকপিরাইট আইন ২০০০ (সংশোধিত) অনুযায়ী ব্যবস্থা
প্রাথমিক নোটিশঅনুমতি ছাড়া প্রচারিত কনটেন্ট অপসারণের সময়সীমা প্রদান
আইনি পদক্ষেপ ও ভবিষ্যতের রূপরেখা

আইয়ুব বাচ্চু ফাউন্ডেশনের প্রতিনিধিরা জানান, শিল্পীর রেখে যাওয়া কালজয়ী গানগুলোর মৌলিকতা রক্ষা করা তাদের প্রধান দায়িত্ব। কোনো শিল্পী যদি শ্রদ্ধা জানাতে গান কাভার করতে চান, তবে অবশ্যই ফাউন্ডেশন থেকে যথাযথ লিখিত অনুমতি গ্রহণ করতে হবে।

বিবৃতিতে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, এ ধরনের সতর্কবার্তা অমান্য করে ডিজিটাল বা ব্রডকাস্ট মাধ্যমে গান বিকৃতি অব্যাহত রাখলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কপিরাইট আইনে ক্ষতিপূরণ মামলা ও ফৌজদারি ডিজিটাল ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

প্রতিবেদক:বিডিএস বুলবুল আহমেদ

আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: বাংলাদেশ প্রতিদিন

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
নামাজের সময়সূচী
জাতীয় সঙ্গীত
©সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ বাংলাদেশ প্রতিদিন সত্যের সন্ধানে সব সময় | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় BDS Digital Marketing Agency