| বঙ্গাব্দ

হড়কা বান ও ভূমিধস: নেপাল ও তিব্বতে নিখোঁজ অন্তত ১৫০০ মানুষ, উদ্ধারকাজ ব্যাহত

রিপোর্টারের নামঃ BDS Bulbul Ahmed
  • আপডেট টাইম : 27-08-2026 ইং
  • 26009 বার পঠিত
হড়কা বান ও ভূমিধস: নেপাল ও তিব্বতে নিখোঁজ অন্তত ১৫০০ মানুষ, উদ্ধারকাজ ব্যাহত
ছবির ক্যাপশন: হড়কা বান ও ভূমিধস

হড়কা বান ও ভূমিধস: নেপাল ও তিব্বতে নিখোঁজ অন্তত ১৫০০ মানুষ, উদ্ধারকাজ ব্যাহত

টানা কয়েক দিনের ভারি বর্ষণে সৃষ্ট আকস্মিক হড়কা বান (Flash Flood) ও একাধিক স্থানে ভয়াবহ ভূমিধসের কারণে নেপাল এবং তিব্বতের সীমান্ত এলাকায় অন্তত ১৫০০ মানুষ নিখোঁজ হয়েছেন। দুদিন ধরে সীমান্তসংলগ্ন পার্বত্য অঞ্চলগুলোতে এই প্রাকৃতিক দুর্যোগ অব্যাহত থাকায় সড়ক যোগাযোগ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে ও জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে যায়। লোকালয় প্লাবিত হওয়া এবং পাহাড় ধসে বসতবাড়ি ও সড়ক তলিয়ে যাওয়ার পর থেকে নিখোঁজদের উদ্ধারে সেনা ও উদ্ধারকারী দল যৌথ অভিযান শুরু করেছে।

দুর্যোগের মাত্রা ও জীবনহানির আশঙ্কা

দুই দেশের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের দেওয়া প্রাথমিক তথ্যানুযায়ী, আকস্মিক পানির তোড়ে একাধিক গ্রাম পুরোপুরি ভেসে গেছে এবং প্রধান সড়কগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

  • উদ্ধার অভিযান বাধাগ্রস্ত: লাগাতার বৃষ্টিপাত ও নদীগুলোর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ার কারণে উদ্ধারকারী নৌযান ও হেলিকপ্টার পাঠাতে প্রচণ্ড বেগ পেতে হচ্ছে।

  • যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন: নেপাল ও চীনের (তিব্বত) সংযোগকারী আন্তর্জাতিক রাজপথ একাধিক পয়েন্টে পাহাড় ধসে সম্পূর্ণ অচল হয়ে পড়েছে।

  • আশ্রয় ও নিরাপত্তা: দুর্গম পাহাড়ের নদী তীরবর্তী হাজার হাজার অধিবাসীকে দ্রুত নিরাপদ উঁচু স্থানে এবং অস্থায়ী সাইক্লোন শেল্টারে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

পরিস্থিতি ও আঞ্চলিক প্রভাব

পার্বত্য অঞ্চলগুলোর নদ-নদীর পানি তীব্র গতিতে নিম্নাঞ্চলের দিকে ধাবিত হওয়ায় উভয় দেশের সীমান্ত এলাকার বিস্তীর্ণ অঞ্চলের অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

পর্যালোচনার ক্ষেত্রবর্তমান দুর্যোগ পরিস্থিতি
নিখোঁজের সংখ্যাউভয় অঞ্চল মিলে অন্তত ১,৫০০ জন।
প্রধান কারণটানা অতিবৃষ্টি, পাহাড়ি হড়কা বান ও ভূমিধস।
উদ্ধারকারী সংস্থানেপাল সেনাবাহিনী, সশস্ত্র পুলিশ এবং চীনা উদ্ধারকারী দল।

কী পয়েন্ট: সর্বোচ্চ জরুরি সতর্কতা

আন্তর্জাতিক সীমান্তবর্তী পার্বত্য অঞ্চলগুলোতে আরও কয়েক দিন ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস থাকায় ভূমিধসের উচ্চ ঝুঁকি রয়েছে। ফলে উদ্ধার অভিযান বজায় রাখার পাশাপাশি দুর্গম অঞ্চলে খাদ্য ও পানীয় জল পৌঁছে দেওয়াকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।

উভয় দেশের আবহাওয়া দফতর পাহাড় সংলগ্ন নদী তীরের অধিবাসীদের সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে এবং নিরাপদ আশ্রয়ে অবস্থান নিতে নির্দেশ জারি করেছে। উদ্ধারকারী দলগুলো নিখোঁজ ব্যক্তিদের সন্ধানে ড্রোন ও বিশেষ স্কোয়াড ব্যবহার করে অনুসন্ধান কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।

প্রতিবেদক:বিডিএস বুলবুল আহমেদ
আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: বাংলাদেশ প্রতিদিন


নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
নামাজের সময়সূচী
জাতীয় সঙ্গীত
©সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ বাংলাদেশ প্রতিদিন সত্যের সন্ধানে সব সময় | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় BDS Digital Marketing Agency