জাতীয় জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় ১০ বছর মেয়াদি মহাপরিকল্পনা গ্রহণ
দেশের ক্রমবর্ধমান বিদ্যুৎ ও জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং ভবিষ্যৎ সংকট মোকাবিলায় ১০ বছর মেয়াদি এক সমন্বিত মহাপরিকল্পনা ঘোষণা করেছে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়। আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির অস্থির মূল্য এবং দেশীয় গ্যাসের মজুত কমে আসার প্রেক্ষাপটে দীর্ঘমেয়াদী স্থায়িত্ব আনতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) বিদ্যুৎ ভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাত সংশ্লিষ্ট নীতিনির্ধারকরা এই নতুন রূপরেখা প্রকাশ করেন।
সংবাদের মূল কিছু পয়েন্ট
মূল উদ্যোগ: জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে ১০ বছরের দীর্ঘমেয়াদি রোডম্যাপ।
মূল লক্ষ্যশীয় উৎপাদন বৃদ্ধি, নবায়নযোগ্য শক্তির প্রসার ও আমদানিনির্ভরতা হ্রাস।
স্থান ও সময়: ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬; বিদ্যুৎ ভবন, ঢাকা।
তত্ত্বাবধানে: বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়।
মহাপরিকল্পনার মূল লক্ষ্য ও বাস্তবায়ন কৌশল
ঘোষিত মহাপরিকল্পনার আওতায় আগামী এক দশকে দেশীয় প্রাকৃতিক গ্যাসের অনুসন্ধান বহুগুণ বাড়ানোর জোর তাগিদ দেওয়া হয়েছে। উপকূলীয় ও গভীর সমুদ্রে নতুন গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কারে আন্তর্জাতিক তেল কোম্পানিগুলোর (আইওসি) মাধ্যমে দ্রুত জরিপ পরিচালনা ও কূপ খননের কাজ ত্বরান্বিত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
একই সঙ্গে আমদানিকৃত এলএনজি (LNG)-র ওপর একক নির্ভরতা কমিয়ে স্থানীয় বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্রগুলোতে ধীরে ধীরে পরিবেশবান্ধব ও নবায়নযোগ্য শক্তি ব্যবহারের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
নবায়নযোগ্য শক্তি ও আঞ্চলিক সহযোগিতা
পরিকল্পনায় উল্লেখ করা হয়, ২০৩৬ সালের মধ্যে দেশের মোট উৎপাদিত বিদ্যুতের অন্তত ২০ শতাংশ সৌর ও বায়ুদ্যুতের মতো সবুজ শক্তি থেকে আহরণের লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। এজন্য বেসরকারি খাতকে বিশেষ প্রণোদনা ও বিনিয়োগ সুবিধা প্রদানের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে বিদ্যুৎ বিভাগ।
এ ছাড়া আঞ্চলিক বিদ্যুৎ বাণিজ্যের অংশ হিসেবে প্রতিবেশী দেশগুলো থেকে জলবিদ্যুৎ আমদানির পরিধি আরও বাড়ানোর প্রক্রিয়া জোরদার করা হচ্ছে, যা শিল্পকারখানায় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ বজায় রাখতে সাহায্য করবে।
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |