রাষ্ট্রায়ত্ত ছয় ব্যাংকের খেলাপি ঋণ লাফিয়ে ১.৪৮ লাখ কোটি টাকায়
দেশের ব্যাংকিং খাতে মূলধনের সংকট ও অনিয়মের মধ্যে সরকারি ছয়টি বাণিজ্যিক ব্যাংকের খেলাপি ঋণের পরিমাণ রেকর্ড লাফ দিয়ে ১ লাখ ৪৮ হাজার কোটি টাকা বা ১.৪৮ লাখ কোটি টাকায় পৌঁছেছে। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রকাশিত আর্থিক খাতের হালনাগাদ ত্রৈমাসিক তথ্য পর্যালোচনা প্রতিবেদনে এই উদ্বেগের চিত্র উঠে এসেছে। সময়মতো ঋণ আদায় না হওয়া, অনিয়মিত পুনর্গঠন এবং তদারকির অভাবে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোতে বিপুল পরিমাণ এই খেলাপি ঋণের পাহাড় তৈরি হয়েছে বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদ ও আর্থিক খাতের বিশেষজ্ঞরা।
সংবাদের মূল কিছু পয়েন্ট
মোট খেলাপি ঋণ: রাষ্ট্রায়ত্ত ৬ ব্যাংকে ১.৪৮ লাখ কোটি টাকা।
প্রতিবেদন প্রকাশ: বাংলাদেশ ব্যাংক; সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬)।
প্রভাবিত ব্যাংক: সোনালী, জনতা, অগ্রণী, রূপালী, বেসিক ও বিডিবিএল।
প্রধান কারণ: ঋণ আদায়ে শিথিলতা, অনিয়ম ও তদারকির অভাব।
খেলাপির চিত্র ও ব্যাংকিং খাতের ওপর প্রভাব
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, সোনালী ব্যাংক, জনতা ব্যাংক, অগ্রণী ব্যাংক, রূপালী ব্যাংক, বেসিক ব্যাংক এবং বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (বিডিবিএল)—এই ছয়টি রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানে বিতরণ করা ঋণের একটি বড় অংশই এখন খেলাপির খাতায় চলে গেছে।
বিতরণ করা মোট ঋণের বিপরীতে খেলাপি ঋণের এই চড়া হার ব্যাংকিং খাতের তারল্য পরিস্থিতিকে তীব্র ঝুঁকির মুখে ফেলছে। এতে করে একদিকে যেমন ব্যাংকগুলোর মূলধন ঘাটতি বাড়ছে, অন্যদিকে নতুন ঋণ বিতরণের ক্ষমতাও মারাত্মকভাবে হ্রাস পাচ্ছে।
বিশেষজ্ঞ মতামত ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অবস্থান
আর্থিক খাতের বিশ্লেষকদের মতে, রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোতে ঋণের টাকা উদ্ধারে কঠোর আইনি পদক্ষেপ না নেওয়া পর্যন্ত এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণ সম্ভব নয়। ভুয়া কাগজপত্র দেখিয়ে ঋণ নেওয়া এবং বড় খেলাপিদের ওপর কার্যকর চাপ না থাকার কারণে এই হার উত্তরোত্তর বাড়ছে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোকে খেলাপিকৃত ঋণ আদায়ে সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রা বেঁধে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে শীর্ষ খেলাপিদের কাছ থেকে টাকা আদায়ে বিশেষ আইনি পদক্ষেপ ও আইনি সহায়তা জোরদার করার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হচ্ছে।
| ফজর | 3:50 AM ভোর |
|---|---|
| যোহর | 12:04 দুপুর |
| আছর | 4:44 PM বিকাল |
| মাগরিব | 6:50 PM সন্ধ্যা |
| এশা | 8:17 PM রাত |
| জুম্মা | 1.30 pm দুপুর |